ফরিদগঞ্জ টাইমস ডেস্ক :
জাতীয় পর্যায়ের দুটি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে সাফল্য অর্জন করেছে প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী নাজিয়া বিনতে নজরুল। ‘গানের বুলবুল’ প্রতিযোগিতায় দশম এবং সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে আয়োজিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অষ্টম স্থান অর্জন করেছে ঢাকার হিকমাহ ইন্টারন্যাশনাল স্কুলের এই ক্ষুদে শিক্ষার্থী।
গত ৯ অক্টোবর রাজধানীর শাহবাগে ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে স্বপ্নসিঁড়ির আয়োজনে ‘গানের বুলবুল’ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রতিযোগিতায় সারাদেশ থেকে প্রায় এক হাজার প্রতিযোগীর ভিডিও বাছাই করে চূড়ান্ত পর্বে অংশগ্রহণের জন্য ২৩ জনকে নির্বাচিত করা হয়। চূড়ান্ত পর্বে সরাসরি অংশ নিয়ে নাজিয়া সেরা দশে দশম স্থান অর্জন করে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান।

এদিকে, গত ১০ অক্টোবর রাজধানীর কেন্দ্রীয় কচি-কাঁচার মেলা মিলনায়তনে ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সাহিত্য ও সংস্কৃতি বিভাগের উদ্যোগে সিরাতুন্নবী (সা.) উপলক্ষ্যে ক্বেরাত, হামদ ও নাত প্রতিযোগিতা এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। এ প্রতিযোগিতায়ও অংশ নিয়ে নাজিয়া সেরা দশে অষ্টম স্থান অর্জন করে।
আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের ১৩টি জোনের মাধ্যমে চারটি গ্রুপে কয়েক হাজার প্রতিযোগীর মধ্য থেকে বাছাই করে ২২৪ জনকে চূড়ান্ত পর্বের জন্য নির্বাচিত করা হয়। দুই বিষয়ে চারটি করে গ্রুপ থেকে মোট ৮০ জনকে পুরস্কৃত করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় জামায়াতে ইসলামীর নির্বাহী সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের আমির নূরুল ইসলাম বুলবুল। কবি মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রফেসর ড. শামসুল আলম, শিল্পী সাইফুল্লাহ মানছুর, প্রফেসর ড. মাহফুজুর রহমান আখন্দ, কবি ও সম্পাদক জাকির আবু জাফর এবং শিল্পী তাফাজ্জল হোসেন খানসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিরা। অনুষ্ঠানটি উপস্থাপনা করেন মিডিয়া ব্যক্তিত্ব মাহবুব মুকুল।
নাজিয়া বিনতে নজরুলের বাবা মো. নজরুল ইসলাম বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে রিলিজিয়ন কাউন্সেলিং অফিসার হিসেবে কর্মরত। অল্প বয়সেই জাতীয় পর্যায়ের দুটি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় সাফল্য অর্জন করায় তার পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, উপযুক্ত পরিচর্যা, নিয়মিত অনুশীলন ও পরিবারের উৎসাহ পেলে নাজিয়া ভবিষ্যতে সাংস্কৃতিক অঙ্গনে আরও ভালো করবে। তার এ সাফল্য শিশুদের সাংস্কৃতিক চর্চায় আগ্রহী করে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।
