২৮শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

অক্টোবর ১, ২০২৬

আজকের সংবাদ, ফরিদগঞ্জ, স্বাস্থ্য

ফরিদগঞ্জে যাত্রা শুরু করল মা ও শিশু হাসপাতাল

ফরিদগঞ্জ টাইমস ডেস্ক : মা ও শিশুদের জন্য চিকিৎসাসেবার সুযোগ আরও বাড়ানোর লক্ষ্য নিয়ে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে যাত্রা শুরু করেছে মা ও শিশু হাসপাতাল। আধুনিক চিকিৎসাসেবার প্রত্যয় নিয়ে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে উপজেলা সদরের চতুরা হাসপাতালসংলগ্ন এলাকায় হাসপাতালটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। ফিতা কাটা ও কেক কাটার মধ্য দিয়ে হাসপাতালটির উদ্বোধন করেন এর চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন বেলাল। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তুলাতুলি জামে মসজিদের খতিব মুফতি আনোয়ার হোসাইন আমিনী, উপজেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম নান্টু, সুজন চন্দ্র দাস, সালাউদ্দিন, আমানুল্লাহ খান ফারাবী, আলী হায়দার টিপু পাঠান, আনোয়ার হোসেন দেওয়ান, খোকন দেবনাথসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এ সময় হাসপাতালের পরিচালকবৃন্দ, পার্টনার ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারাও উপস্থিত ছিলেন। উদ্বোধন উপলক্ষে হাসপাতাল প্রাঙ্গণে আনন্দঘন পরিবেশের সৃষ্টি হয়। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, ফরিদগঞ্জের মা ও শিশুদের জন্য সহজলভ্য ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করাই প্রতিষ্ঠানটি চালুর মূল লক্ষ্য। স্থানীয় পর্যায়ে মা ও শিশুদের চিকিৎসাসেবার সুযোগ বাড়াতে হাসপাতালটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা আশা প্রকাশ করেন।

আজকের সংবাদ, চাঁদপুর, ফিচার, শিক্ষা ও সাহিত্য

প্রাক্তন শিক্ষার্থী থেকে প্রথম অধ্যক্ষ: তোয়াহা মিয়ার স্মৃতি কোথায়? 

নুরুন্নবী চৌধুরী হাছিব :  একটি প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস শুধু তার প্রতিষ্ঠার সাল, ভবনের সংখ্যা কিংবা পরীক্ষার ফলাফলে লেখা থাকে না। সেই ইতিহাস তৈরি করেন কিছু মানুষ—তাদের মেধা, শ্রম, সততা, নেতৃত্ব ও ভালোবাসা দিয়ে। সময়ের সঙ্গে অনেকের নাম হারিয়ে যায়, আবার কেউ কেউ থেকে যান প্রতিষ্ঠানের স্মৃতিতে, মানুষের হৃদয়ে।  অধ্যাপক এ ডব্লিউ মো. তোয়াহা মিয়া ছিলেন তেমনই একজন মানুষ। শিক্ষক হিসেবে তিনি যেমন শিক্ষার্থীদের আলোর পথ দেখিয়েছেন, তেমনি প্রশাসক হিসেবে চাঁদপুর সরকারি কলেজের গুরুত্বপূর্ণ একটি সময়ে নেতৃত্ব দিয়েছেন। অথচ চাঁদপুর সরকারি কলেজের ইতিহাসে তাঁর অবদানের স্থায়ী কোনো স্মারক আজও নেই। বিষয়টি সত্যিই ভাবার মতো। চাঁদপুর সরকারি কলেজের সঙ্গে তোয়াহা মিয়ার সম্পর্ক ছিল বিশেষ। ১৯৪৬ সালের ১ জুন চাঁদপুর কলেজের যাত্রা শুরু। দীর্ঘ ৩৩ বছর ৯ মাস পর ১৯৮০ সালের ১ মার্চ কলেজটি সরকারি হয়। একই বছরের ১১ ডিসেম্বর অধ্যক্ষ হিসেবে যোগ দেন এ ডব্লিউ মো. তোয়াহা মিয়া। এর আগে তিনি কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তার পরিচয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়গুলোর একটি হলো, চাঁদপুর সরকারি কলেজের একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী থেকে প্রথম অধ্যক্ষ হন তিনি।   ১৯৮০ সালের ১১ ডিসেম্বর থেকে ১৯৮৯ সালের ২৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রায় আট বছর তিনি অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন। কলেজটি সরকারি হওয়ার পরের গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তার নেতৃত্বে একাডেমিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়। ফলে চাঁদপুর সরকারি কলেজের বিকাশের ইতিহাসে তার ভূমিকা আলাদাভাবে উল্লেখ করার দাবি রাখে। শুধু প্রশাসনিক কাজেই তিনি থেমে থাকেননি। ১৯৮৮ সালে কলেজের ৪২ বছর পূর্তি উপলক্ষে প্রথম পূর্ণমিলনী আয়োজনেও তার আন্তরিক ভূমিকা ছিল। আজ চাঁদপুর সরকারি কলেজে প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের যে মিলনমেলার সংস্কৃতি দেখা যায়, তার শুরুর ইতিহাসেও এই উদ্যোগের কথা স্মরণ করা যায়। শিক্ষক মো. তোয়াহা মিয়া: অধ্যাপক এ ডব্লিউ মো. তোয়াহা মিয়া ছিলেন মেধাবী শিক্ষার্থী এবং নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষক। ১৯৫০ সালে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষায় তিনি মেধাতালিকায় ১৭তম স্থান অর্জন করেন। পরে জগন্নাথ কলেজ, কুমিল্লা পলিটেকনিক কলেজ, কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজ এবং চাঁদপুর সরকারি কলেজে শিক্ষকতা করেন। তবে তাঁর শিক্ষকতার সবচেয়ে বড় পরিচয় সম্ভবত শিক্ষার্থীদের প্রতি তাঁর মানবিক আচরণ। দরিদ্র ও মেধাবী অনেক শিক্ষার্থীকে তিনি নিজের বাসায় রেখে পড়াশোনার সুযোগ দিয়েছেন। কারও থাকার ব্যবস্থা করেছেন, কারও খাবারের দায়িত্ব নিয়েছেন, আবার কারও পড়াশোনার খরচে আর্থিক সহায়তা করেছেন। একজন শিক্ষক শ্রেণিকক্ষে পাঠদান করেন, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু একজন শিক্ষক যদি কোনো শিক্ষার্থীর কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ান, তার ভবিষ্যৎ গড়ার দায়িত্ব নিজের কাঁধে নেন, তখন সেই শিক্ষক আর শুধু শিক্ষক থাকেন না; হয়ে ওঠেন একজন অভিভাবক। তোয়াহা মিয়ার শিক্ষার্থীদের স্মৃতিচারণে এমন একজন অভিভাবকের ছবিই পাওয়া যায়। তাঁর স্ত্রী জাহানারা বেগমও স্বামীর শিক্ষা ও মানবিক কাজের সবসময়ের সহযাত্রী ছিলেন। কেন থাকবে না তাঁর স্মৃতি? ১৯৯৭ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর অধ্যাপক এ ডব্লিউ মো. তোয়াহা মিয়া পৃথিবী ছেড়ে চলে যান। প্রায় তিন দশক হয়ে গেল। কিন্তু প্রশ্নটি এখনও রয়ে গেছে, চাঁদপুর সরকারি কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী থেকে প্রথম অধ্যক্ষ হওয়া একজন মানুষের নামে কলেজে একটি স্থায়ী স্মৃতিও কি থাকতে পারে না? একটি ভবন, মিলনায়তন, পাঠাগার, শ্রেণিকক্ষ কিংবা কোনো গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনার নাম তাঁর নামে রাখা যেতে পারে। সম্ভব হলে তাঁর নামে একটি স্মারক ফলকও স্থাপন করা যেতে পারে। এ ধরনের উদ্যোগ কোনো ব্যক্তি বা পরিবারের জন্য সম্মান দেখানোর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস সংরক্ষণেরও একটি উপায়। একটি ভবনের নাম যখন কোনো শিক্ষাবিদের নামে রাখা হয়, তখন প্রতিদিন সেই নামটি শত শত শিক্ষার্থী দেখে। একসময় প্রশ্ন আসে—কে ছিলেন তিনি? তখনই ইতিহাস নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে যায়। তোয়াহা মিয়ার জন্মস্থান চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার ২নং বালিথুবা (পূর্ব) ইউনিয়নের সরখাল গ্রামে তাঁর স্মৃতি সংরক্ষণের কিছু উদ্যোগ রয়েছে। ১৯৯৪ সালে সেখানে নির্মিত হয়েছে ‘এ ডব্লিউ মো. তোয়াহা মিয়া সেতু’। ২০০৫ সালে সরখাল ওলিভ তরুণ সংঘের উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘এ ডব্লিউ মো. তোয়াহা মিয়া স্মৃতি পাঠাগার’। এই পাঠাগারকে ঘিরে প্রতিবছর শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমও অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু চাঁদপুর সরকারি কলেজে তাঁর নামে একটি স্থায়ী স্মৃতি তৈরি হলে সেটি হবে তাঁর জীবনের সঙ্গে সবচেয়ে সামঞ্জস্যপূর্ণ স্বীকৃতি। কারণ তিনি শুধু এই কলেজের অধ্যক্ষ ছিলেন না, তিনি ছিলেন এই কলেজেরই একজন প্রাক্তন শিক্ষার্থী। ইতিহাসের কাছে আমাদের দায়: আমরা প্রায়ই বলি, গুণী মানুষকে সম্মান করতে হবে। কিন্তু সম্মান শুধু ফুল দেওয়া বা স্মরণসভা আয়োজনের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে তা কতটা স্থায়ী হয়? একটি প্রতিষ্ঠানের দেয়ালে, ভবনের নামফলকে কিংবা পাঠাগারের দরজায় কোনো গুণী শিক্ষকের নাম লিখে রাখা অনেক সময় তার চেয়েও বেশি কার্যকর স্মৃতি হয়ে উঠতে পারে। অধ্যাপক এ ডব্লিউ মো. তোয়াহা মিয়ার ক্ষেত্রে এমন একটি উদ্যোগ নেওয়া হলে তা হবে চাঁদপুর সরকারি কলেজের নিজের ইতিহাসকেই সম্মান জানানো। তাই প্রত্যাশা, চাঁদপুর সরকারি কলেজ কর্তৃপক্ষ, প্রাক্তন শিক্ষার্থী এবং সংশ্লিষ্ট সবাই বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবেন। অধ্যক্ষ এ ডব্লিউ মো. তোয়াহা মিয়ার নামে কলেজে একটি ভবন, মিলনায়তন, পাঠাগার, শ্রেণিকক্ষ কিংবা অন্তত একটি স্থায়ী স্মারক করা হোক।  মানুষ চলে যায়, প্রতিষ্ঠান থেকে যায়। কিন্তু প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস বেঁচে থাকে মানুষের কর্মের মধ্য দিয়ে। তোয়াহা মিয়ার মতো মানুষদের স্মৃতি সংরক্ষণ মানে শুধু অতীতকে সম্মান করা নয়; বরং ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বলা, এই মানুষটি তোমাদের জন্য কাজ করেছিলেন, শিক্ষার জন্য কাজ করেছিলেন, এই প্রতিষ্ঠানটির জন্য কাজ করেছিলেন। চাঁদপুর সরকারি কলেজে অধ্যক্ষ তোয়াহা মিয়ার নামে কিছু হোক। সেটি শুধু একজন প্রয়াত শিক্ষকের স্মৃতি নয়—হোক চাঁদপুরের শিক্ষা-ইতিহাসের একটি স্থায়ী অধ্যায়। লেখক: সাংবাদিক ও লেখক।  সাধারণ সম্পাদক, সরখাল ওলিভ তরুণ সংঘ, ফরিদগঞ্জ, চাঁদপুর।  ই-মেইল: nurunnabyc@gmail.com 

আজকের সংবাদ, ফরিদগঞ্জ

নজরুল বর্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পাঁচটি বিভাগেই প্রথম গৃদকালিন্দিয়া কলেজ 

গৃদকালিন্দিয়া কলেজ ক্যাম্পাস প্রতিবেদক :  জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে আয়োজিত ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অনন্য সাফল্য অর্জন করেছে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজ। উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় পাঁচটি বিভাগেই প্রথম স্থান অর্জন করেছেন প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার ফরিদগঞ্জ উপজেলা মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত এ প্রতিযোগিতায় গ্রুপ ‘ক’–একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থীদের মধ্যে পাঁচটি বিভাগে অংশ নিয়ে প্রথম স্থান অর্জন করেন কলেজটির পাঁচ শিক্ষার্থী। বিজয়ীরা হলেন—নজরুল সংগীতে শ্রেয়সী নাথ, কবিতা আবৃত্তিতে তামান্না ইসলাম, অভিনয়ে ইসরাত জাহান, নৃত্যে মেহেরিন আফরোজ প্রভা এবং রচনা লেখা প্রতিযোগিতায় সাবিহা আফরিন হেলেন। জানা গেছে, এর আগে গত ১০ সেপ্টেম্বর গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজে প্রতিষ্ঠান পর্যায়ে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। ওই প্রতিযোগিতায় শতাধিক প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে পাঁচ বিভাগে বিজয়ী পাঁচ শিক্ষার্থীকে উপজেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য মনোনীত করে কলেজ কর্তৃপক্ষ। উপজেলা পর্যায়ে পাঁচ বিভাগেই প্রথম স্থান অর্জনের মাধ্যমে কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রতিষ্ঠানের সুনাম আরও উজ্জ্বল করেছে। তাদের এ সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়েছেন গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া এবং বিতর্ক, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক কমিটির আহ্বায়ক গৌরী রানী সাহা। কলেজ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, উপজেলা পর্যায়ে বিজয়ী পাঁচ শিক্ষার্থী চলতি মাসে অনুষ্ঠিতব্য জেলা পর্যায়ের প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করবে। সেখানে তারা গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজের পাশাপাশি ফরিদগঞ্জ উপজেলার প্রতিনিধিত্ব করবে।

আজকের সংবাদ, প্রবাস, সর্বশেষ

জার্মানির ডার্মস্টাটে প্রবাসী বাংলাদেশিদের ক্রিকেট উৎসব 

মুনির হোসাইন জুয়েল, জার্মানি :  জার্মানির ডার্মস্টাটে গত সপ্তাহান্তে প্রবাসী বাংলাদেশিদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয়েছে ১০ ওভারের শর্ট-পিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ‘ডার্মস্টাট প্রিমিয়ার লিগ (ডিপিএল) সিজন-১’। ডার্মস্টাটের বুর্গারপার্ক মাঠে আয়োজিত এ টুর্নামেন্টে ছয়টি দল অংশ নেয় এবং খেলোয়াড় ছিলেন প্রায় ৬০ জন। টুর্নামেন্টের আয়োজক ছিল বিডি স্পোর্টিং ডার্মস্টাট। প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ফাইনালে ডার্মস্টাট ভাই-ব্রাদার্স চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করে। বিজয়ী দলের আবির ইকবাল ফাইনালের সেরা খেলোয়াড়ের পাশাপাশি পুরো টুর্নামেন্টেরও সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হন। টুর্নামেন্টে ডার্মস্টাটের পাশাপাশি ফ্রাঙ্কফুর্ট, অফেনবাখ, ওয়ার্মস, মাইনৎস ও বন থেকেও বাংলাদেশিরা অংশ নেন। মাঠে খেলোয়াড়দের পাশাপাশি তাদের পরিবার, প্রবীণ সদস্য ও তরুণ প্রজন্মের উপস্থিতিতে আয়োজনটি পরিণত হয় একটি মিলনমেলায়। আয়োজকদের মতে, ডার্মস্টাটে এ ধরনের বড় পরিসরের ক্রিকেট আয়োজন এটাই প্রথম। খেলাধুলার মাধ্যমে প্রবাসী বাংলাদেশিদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ, বন্ধুত্ব ও সামাজিক-ব্যবসায়িক নেটওয়ার্ক আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এ আয়োজন করা হয়েছে।

Scroll to Top