২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

অক্টোবর ১৭, ২০২৬

আজকের সংবাদ, ইসলাম, ফিচার

‎পূজা উদযাপন ও ধর্মীয় সম্প্রীতি: ইসলামের দৃষ্টিতে মুসলিমের করণীয়

‎মো. আব্দুল কাদির :   ‎‎ধর্মীয় স্বাধীনতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সামাজিক সম্প্রীতি একটি শান্তিপূর্ণ সমাজের অন্যতম ভিত্তি। বাংলাদেশ বহুধর্মীয় মানুষের দেশ। এদেশে বিভিন্ন ধর্মের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে পাশাপাশি বসবাস করে আসছেন। প্রতিবছর হিন্দু সম্প্রদায়ের দুর্গাপূজাসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব পালিত হয়। এসব উৎসবকে কেন্দ্র করে ধর্মীয় বিশ্বাস, সামাজিক দায়িত্ব ও পারস্পরিক আচরণ নিয়ে আলোচনা সামনে আসে। একজন মুসলিম হিসেবে এক্ষেত্রে আমাদের করণীয় কী—তা ইসলামের মৌলিক শিক্ষা ও নীতিমালার আলোকে বিবেচনা করা প্রয়োজন। ‎ইসলাম মুসলিমের জন্য স্বতন্ত্র আকিদা ও ইবাদতের বিধান নির্ধারণ করেছে। তাওহিদ ইসলামের মূল ভিত্তি। তাই অন্য ধর্মের উপাসনা ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের প্রশ্নে একজন মুসলিমকে নিজের আকিদা ও শরিয়তের বিধান সম্পর্কে সচেতন থাকতে হবে। তবে নিজের ধর্মীয় বিশ্বাসে অবিচল থাকার অর্থ অন্য ধর্মাবলম্বীদের প্রতি বিদ্বেষ, অবজ্ঞা কিংবা অন্যায় আচরণ করা নয়। বরং ইসলাম নিজস্ব ধর্মীয় পরিচয় বজায় রেখেই অন্যের প্রতি ন্যায়বিচার ও সদাচরণের শিক্ষা দেয়। ‎পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, “দ্বীনের ব্যাপারে কোনো জবরদস্তি নেই।” (সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৫৬)। আবার সূরা আল-মুমতাহিনার ৮ নম্বর আয়াতে শান্তিপূর্ণ অমুসলিমদের প্রতি সদাচরণ ও ন্যায়বিচার করতে আল্লাহ নিষেধ করেননি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এ নির্দেশনা থেকে স্পষ্ট হয়, ধর্মীয় বিশ্বাসের পার্থক্য থাকা সত্ত্বেও শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান, ন্যায়সংগত আচরণ ও মানবিক দায়িত্ব পালনের গুরুত্ব ইসলামে স্বীকৃত। ‎দুর্গাপূজার সময় একজন মুসলিমের প্রথম দায়িত্ব হলো নিজের আকিদা ও ধর্মীয় স্বাতন্ত্র্য অক্ষুণ্ন রাখা। ধর্মীয় উপাসনায় অংশগ্রহণ এবং সাধারণ সামাজিক সৌজন্য এক বিষয় নয়। অন্য ধর্মের উপাসনামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে ইসলামী বিধান অনুসরণ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রতিবেশীর সঙ্গে সদাচরণ, বিপদগ্রস্ত মানুষকে সহযোগিতা, মানুষের জানমাল ও অধিকার রক্ষা এবং সামাজিক শান্তি বজায় রাখা একজন মুসলিমের নৈতিক দায়িত্ব। ‎দুঃখজনকভাবে, কখনো কখনো ধর্মীয় উৎসবকে কেন্দ্র করে গুজব, উসকানিমূলক বক্তব্য ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিদ্বেষ ছড়ানোর ঘটনা উত্তেজনা সৃষ্টি করে। এ ধরনের পরিস্থিতিতে সত্য যাচাই না করে কোনো তথ্য প্রচার করা উচিত নয়। কোনো ধর্মের উপাসনালয়ে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ কিংবা ব্যক্তিগত সম্পত্তি নষ্ট করা অন্যায়। ধর্মীয় পরিচয়ের কারণে কারো নিরাপত্তা ও অধিকার ক্ষুণ্ন করাও গ্রহণযোগ্য নয়। একজন সচেতন মুসলিমের দায়িত্ব হলো অন্যায় থেকে বিরত থাকা, শান্তি বজায় রাখতে সহযোগিতা করা এবং প্রয়োজন হলে দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা। ‎এ প্রসঙ্গে পবিত্র কুরআনের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা স্মরণ করা প্রয়োজন। সূরা আল-মায়িদার ৮ নম্বর আয়াতে আল্লাহ তাআলা বলেন, “কোনো সম্প্রদায়ের প্রতি বিদ্বেষ যেন তোমাদেরকে ন্যায়বিচার না করতে উদ্বুদ্ধ না করে। তোমরা ন্যায়বিচার করো; এটিই তাকওয়ার অধিক নিকটবর্তী।” এই নির্দেশনা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়, মতপার্থক্য কিংবা ব্যক্তিগত অপছন্দ যেন কাউকে অন্যায় আচরণে প্ররোচিত না করে। ‎পূজা উপলক্ষে শুভেচ্ছা বিনিময়, সামাজিক সৌজন্য প্রকাশ এবং ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের বিষয়গুলোও আলাদাভাবে বিবেচনা করা জরুরি। ধর্মীয় উপাসনায় অংশগ্রহণের প্রশ্নে ইসলামী বিধান অনুসরণ করতে হবে। অন্যদিকে প্রতিবেশীর খোঁজখবর নেওয়া, অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাওয়া কিংবা বিপদে সহযোগিতা করা সামাজিক ও মানবিক আচরণের অংশ। নির্দিষ্ট ধর্মীয় শুভেচ্ছাবাক্য ব্যবহারের বিধান নিয়ে আলেমদের মধ্যে মতপার্থক্য থাকায় এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য আলেমের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। ‎ধর্মীয় সম্প্রীতির অর্থ সব ধর্মের বিশ্বাসকে এক মনে করা নয়। বরং নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস বজায় রেখে পরস্পরের অধিকার, মর্যাদা ও নিরাপত্তা রক্ষা করাই এর মূল কথা। একজন মুসলিম আকিদায় দৃঢ় থাকবেন, ইবাদতে নিষ্ঠাবান হবেন এবং মানুষের সঙ্গে আচরণে ন্যায়পরায়ণ ও দায়িত্বশীল থাকবেন—এটাই ইসলামের শিক্ষার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ‎এজন্য ব্যক্তি, পরিবার, আলেম-ওলামা, সামাজিক সংগঠন ও প্রশাসনের সম্মিলিত ভূমিকা প্রয়োজন। ধর্মীয় বিষয়ে দায়িত্বশীল আলোচনা, গুজব প্রতিরোধ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা এবং সব মানুষের অধিকার রক্ষার মাধ্যমে সমাজে আস্থা ও শান্তির পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব। ‎পরিশেষে বলা যায়, আকিদায় দৃঢ়তা, আচরণে শালীনতা এবং ন্যায়বিচারে অবিচলতা—একজন আদর্শ মুসলিমের চরিত্রের গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য। নিজের ধর্মীয় বিশ্বাস অক্ষুণ্ন রেখেও অন্যের প্রতি সদাচরণ করা, অন্যায় থেকে বিরত থাকা এবং শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখা সম্ভব। পূজা উদযাপনকে কেন্দ্র করে আমাদের সমাজে এমন পরিবেশ প্রতিষ্ঠিত হোক, যেখানে প্রত্যেকে আইন অনুযায়ী ধর্ম পালনের সুযোগ পাবেন এবং কারও ধর্মীয় পরিচয় তার নিরাপত্তা ও অধিকার হরণের কারণ হবে না। ধর্মীয় পার্থক্য নয়, বরং ন্যায়বিচার, দায়িত্বশীলতা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ হোক শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনের ভিত্তি। 

আজকের সংবাদ, ফরিদগঞ্জ, বিশেষ সংবাদ

ডিআরইউর সদস্য হলেন ফরিদগঞ্জের মহিউদ্দিন রাব্বানী

নিজস্ব প্রতিবেদক :   পেশাদার সাংবাদিকদের সংগঠন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির (ডিআরইউ) অস্থায়ী সদস্যপদ পেয়েছেন জাতীয় গণমাধ্যম ঢাকা মেইলের নিজস্ব প্রতিবেদক মহিউদ্দিন রাব্বানী। তিনি চাঁদপুর জেলার ফরিদগঞ্জ উপজেলার কৃতী সন্তান। শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর ডিআরইউ কার্যালয়ে আয়োজিত এক বরণ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে নতুন সদস্যদের স্বাগত জানানো হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ও ডিআরইউর সাবেক সাধারণ সম্পাদক এ এ এম ছালেহ শিবলী। ডিআরইউ সভাপতি আবু সালেহ আকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হাসান সোহেল-সহ কার্যনির্বাহী কমিটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ডিআরইউ সূত্রে জানা যায়, সংগঠনটির গঠিত বাছাই কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে গত ৮ অক্টোবর অনুষ্ঠিত কার্যনির্বাহী কমিটির সভায় গঠনতন্ত্রের ৩(২)(ক) ধারা অনুযায়ী ৪০ জন সাংবাদিককে অস্থায়ী সদস্যপদ দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। প্রায় ৪০০ আবেদনের বিপরীতে নানা যাচাই-বাছাই শেষে এই ৪০ জনকে মনোনীত করেছে বাছাই কমিটি। পরে কার্যনির্বাহী কমিটি তা অনুমোদন করে।  মহিউদ্দিন রাব্বানী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। ছোটবেলা থেকেই পত্রপত্রিকা পড়া ও লেখালেখির প্রতি তার আগ্রহ ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়নকালে তিনি সাংবাদিকতা পেশার সঙ্গে যুক্ত হন। বর্তমানে তিনি ঢাকা মেইলের নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এর আগে তিনি দৈনিক সংবাদ, দৈনিক আমার সংবাদ, দৈনিক সবুজ বাংলা ও দৈনিক বাণিজ্য প্রতিদিনসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কাজ করেছেন। তার লেখালেখির অন্যতম বিষয় অর্থনীতি, বাণিজ্য ও জ্বালানি খাত। এসব বিষয়ে নিয়মিত সংবাদ ও প্রতিবেদন তৈরির মাধ্যমে তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালন করে আসছেন। ডিআরইউর অস্থায়ী সদস্যপদ পাওয়ায় মহিউদ্দিন রাব্বানী সংগঠনটির কার্যনির্বাহী কমিটির নেতাদের প্রতি ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন। ডিআরইউ দেশের পেশাদার সাংবাদিকদের অন্যতম বৃহৎ সংগঠন। সংগঠনটির সদস্যপদ সাংবাদিকদের মধ্যে পেশাগত যোগাযোগ, পারস্পরিক সহযোগিতা ও সাংবাদিকতার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

আজকের সংবাদ, ফরিদগঞ্জ

ফরিদগঞ্জে রূপসা উত্তর ইউনিয়ন জামায়াতের উদ্যোগে শিক্ষা সফর

মো. সোহেল রানা : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার রূপসা উত্তর ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে শিক্ষা সফর অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৭ অক্টোবর) চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে দিনব্যাপী এ শিক্ষা সফরের আয়োজন করা হয়। এতে সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের দায়িত্বশীলসহ প্রায় ২০০ জন অংশগ্রহণ করেন। আয়োজক সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার দিবাগত রাত ২টা ৩০ মিনিটে উপজেলার খেজুরতলা এলাকা থেকে চট্টগ্রামের উদ্দেশ্যে যাত্রা শুরু করেন অংশগ্রহণকারীরা। সকাল ৬টার দিকে তারা সীতাকুণ্ডে পৌঁছান। পরে সেখানকার ইকোপার্ক, সহস্রধারা ঝর্ণা, গুলিয়াখালী সি বিচসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখেন। শিক্ষা সফরকে আনন্দঘন ও অংশগ্রহণমূলক করতে সংগীত, বক্তৃতা, খেলাধুলাসহ বিভিন্ন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এসব আয়োজনের মধ্য দিয়ে অংশগ্রহণকারীরা দিনব্যাপী আনন্দময় সময় কাটান। শিক্ষা সফরে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা ইউনুছ হেলাল, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপজেলা পর্যায়ের দায়িত্বশীল ও মেম্বার প্রার্থী শফিকুল ইসলাম, নাসরুল্লাহ খান রাসেল, রূপসা উত্তর ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি ডা. রনি, কবির হোসেন সোহাগসহ ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের দায়িত্বশীল, কর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।

আজকের সংবাদ, ফরিদগঞ্জ, শিক্ষা ও সাহিত্য

গৃদকালিন্দিয়ার সাবিহা আরেফিন রচনায় চাঁদপুরে প্রথম, যাচ্ছে বিভাগে 

গৃদকালিন্দিয়া কলেজ ক্যাম্পাস প্রতিবেদক : জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের স্মরণে আয়োজিত ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে রচনা প্রতিযোগিতায় চাঁদপুর জেলা পর্যায়ে প্রথম স্থান অর্জন করেছে ফরিদগঞ্জ উপজেলার গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির  শিক্ষার্থী সাবিহা আরেফিন হেলেন। জেলা পর্যায়ে সেরা হয়ে সে বিভাগীয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত হয়েছে।  শনিবার চাঁদপুর জেলা কালচারাল অফিসার ও দেশব্যাপী সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার চাঁদপুর জেলার সদস্য সচিব দিতি সাহার স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত ১৩,১৪ ও ১৫ অক্টোবর চাঁদপুর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার জেলা পর্যায়ের আয়োজন করা হয়। এতে উপজেলা পর্যায়ে বিভিন্ন ইভেন্টে ১ম স্থান অর্জনকারী বিজয়ী  শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।  প্রতিযোগিতায় কলেজ  বিভাগে রচনা প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করে সাবিহা আরেফিন হেলেন। জেলায় নির্বাচিত প্রতিটি ইভেন্টের প্রথম স্থান অর্জনকারী প্রতিযোগীরা বিভাগীয় পর্যায়ে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবে। আগামী ২৮ অক্টোবর চট্টগ্রাম জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বিভাগীয় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হবে। এর আগে উপজেলা পর্যায়ে গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজ থেকে রচনা প্রতিযোগিতা ১ম হয় হেলেন। ধারাবাহিক এ সাফল্যে হেলেনকে তার শিক্ষক, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা  অভিনন্দন জানিয়েছেন।   হেলেন এ গৌরবোজ্জ্বল সাফল্যে অভিনন্দন জানিয়েছেন গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মো. মফিজুল ইসলাম ভূঁইয়া। তিনি বিজয়ী শিক্ষার্থীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান এবং বিভাগীয় পর্যায়েও সাফল্য অর্জনের জন্য তার প্রতি শুভকামনা জানান। সাবিহা আরেফিন হেলেন ফরিদগঞ্জ উপজেলার চরমঘুয়া গ্রামের খলিফা বাড়ির এমরান আরেফিন ও রেহেনা নাজনীন মিলির বড় মেয়ে। জেলা পর্যায়ে তার এ অর্জন ভবিষ্যতে আরও বড় সাফল্যের পথে এগিয়ে যাওয়ার অনুপ্রেরণা জোগাবে বলে আশা করছেন তারা। 

Scroll to Top