ফরিদগঞ্জ টাইমস ডেস্ক :
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের সম্ভাবনা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। একাধিক সূত্রের বরাতে জানা গেছে, শারীরিক অসুস্থতাকে কারণ দেখিয়ে তিনি শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন।
এ বিষয়ে সরকারের সঙ্গেও নীতিগত সমঝোতা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি।
যদিও বর্তমান রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের সাংবিধানিক মেয়াদ ২০২৮ সাল পর্যন্ত রয়েছে, তবুও তার আগাম সরে দাঁড়ানোর বিষয়টি এখন আলোচনার কেন্দ্রে।
রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন এবং সরকারের পক্ষ থেকেও এ বিষয়ে সম্মতি রয়েছে।
রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে সংবিধান অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার সাময়িকভাবে রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। এরপর নির্ধারিত সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সংসদ সদস্যদের ভোটে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।
এদিকে সম্ভাব্য নতুন রাষ্ট্রপতি কে হতে পারেন—তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা চলছে। ক্ষমতাসীন বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খানসহ কয়েকজনের নাম আলোচনায় এসেছে। পাশাপাশি প্রশাসনের দু-একজন সাবেক বা বর্তমান জ্যেষ্ঠ আমলার নামও বিভিন্ন মহলে শোনা যাচ্ছে। তবে এ বিষয়ে দল বা সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো নাম ঘোষণা করা হয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদকালেই ২০৩১ সালের মধ্যে চতুর্দশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন এবার রাজনৈতিক ও সাংবিধানিক- উভয় দিক থেকেই গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
তবে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ কিংবা সম্ভাব্য উত্তরসূরি নিয়ে এখনো সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি। ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা থাকলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের জন্য অপেক্ষা করতে হবে সরকারি ঘোষণার।
জনমনে এখন একটাই প্রশ্ন– রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করলে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন?
ফরিদগঞ্জ টাইমস/কেএম
