৩রা জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

নিজস্ব প্রতিবেদক: চাঁদপুরে নদীপথে নির্দিষ্ট সীমানার বাহিরে গিয়ে অবৈধ উপায়ে বালুবাহী বাল্কহেড থেকে ইজারার চাঁদা আদায়ের অভিযোগ করেছেন জেলা বালুবাহী নৌ-যান মালিক সমবায় সমিতি লিমিটেডের নেতারা। বিভিন্ন কৌশলের মাধ্যমে ইজারা সীমানার বাহিরে গিয়ে এবং সরকারি চাঁদার থেকে দ্বিগুণ, কখনো তিনগুণও চাঁদা আদায় করছেন বলেও জানান এই সংগঠনের নেতারা। জেলা প্রশাসন বলছে অতিরিক্ত টোল আদায় করলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সম্প্রতি সরজমিনে জেলা বালুবাহী নৌ-যান মালিক সমবায় সমিতির নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব অভিযোগের তথ্য জানা যায়।

জেলা বালুবাহী নৌ-যান মালিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ জানায়, সম্প্রতি ইয়াছিন আরাফাত নামে জেলা প্রশাসন হতে লঞ্চঘাট/টেম্পু ঘাট/ বোটমহল এর তথ্যে ইজারা নেন। ইজারায় উল্লেখ রয়েছে ৮৩ নং মকিমাবাদ মৌজার ডাকাতিয়া নদীর উত্তরপাড় মকিমাবাদ মৌজায় রনি সিনেমা হল হইতে পৌর হকার্স মার্কেট ঘাটলা পর্যন্ত এবং নদীর দক্ষিণপাড় ডাকাতিয়ারচর মৌজায় হাজীগঞ্জ ও রামগঞ্জ ব্রিজের দক্ষিণ অংশ পর্যন্ত। উক্ত সীমানায় মালামাল খালাস করলে সরকারি তালিকা অনুসারে টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও তারা এর বাহিরে গিয়ে চাঁদা আদায় করছে, এমনকি নদীপথে বাল্কহেড থাকা অবস্থায়ও চাঁদা করছেন। কিন্তু তারা সরকার কর্তৃক যে ইজারার জন্যে যে সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে তারা সেই সীমার বাহিরে গিয়েও অবৈধভাবে আমাদের বাল্কহেড থেকে চাঁদা আদায় করছে।

হারুনুর রশিদ জানান, সরকারি তালিকা অনুযায়ী ৪০০-৮০০ টাকা চাঁদা আদায় করার কথা থাকলেও তারা ৮০০-৫০০০ টাকা চাঁদা আদায় করছে। এক্ষেত্রে তারা বিভিন্ন কৌশল অনুকরণ করছে। তারা প্রশাসনকে দেখাতে একটি অরিজিনাল রশিদ ব্যবহার করলেও সাথে আরেকটি রশিদ দিচ্ছে, যেখানে তারা অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করছে। অনেকসময় এ অবৈধ উপায়ে চাঁদা আদায় করতে গিয়ে বাল্কহেডে থাকা আমাদের স্টাফদেরও মারধর করেন। এতে করে এই ব্যবসার সীমানায় বাহিরের অনেক বাল্কহেড আসতে চায় না। যার কারণে আমাদের ব্যবসা করতেও প্রচণ্ড বেগ পেতে হচ্ছে।

সম্প্রতি সরজমিনে জেলা বালুবাহী নৌ-যান মালিক সমবায় সমিতির নেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব অভিযোগের তথ্য জানা যায়।

জেলা বালুবাহী নৌ-যান মালিক সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক হারুনুর রশিদ জানায়, সম্প্রতি ইয়াছিন আরাফাত নামে জেলা প্রশাসন হতে লঞ্চঘাট/টেম্পু ঘাট/ বোটমহল এর তথ্যে ইজারা নেন। ইজারায় উল্লেখ রয়েছে ৮৩ নং মকিমাবাদ মৌজার ডাকাতিয়া নদীর উত্তরপাড় মকিমাবাদ মৌজায় রনি সিনেমা হল হইতে পৌর হকার্স মার্কেট ঘাটলা পর্যন্ত এবং নদীর দক্ষিণপাড় ডাকাতিয়ারচর মৌজায় হাজীগঞ্জ ও রামগঞ্জ ব্রিজের দক্ষিণ অংশ পর্যন্ত। উক্ত সীমানায় মালামাল খালাস করলে সরকারি তালিকা অনুসারে টাকা নেওয়ার কথা থাকলেও তারা এর বাহিরে গিয়ে চাঁদা আদায় করছে, এমনকি নদীপথে বাল্কহেড থাকা অবস্থায়ও চাঁদা করছেন। কিন্তু তারা সরকার কর্তৃক যে ইজারার জন্যে যে সীমানা নির্ধারণ করা হয়েছে তারা সেই সীমার বাহিরে গিয়েও অবৈধভাবে আমাদের বাল্কহেড থেকে চাঁদা আদায় করছে।

হারুনুর রশিদ জানান, সরকারি তালিকা অনুযায়ী ৪০০-৮০০ টাকা চাঁদা আদায় করার কথা থাকলেও তারা ৮০০-৫০০০ টাকা চাঁদা আদায় করছে। এক্ষেত্রে তারা বিভিন্ন কৌশল অনুকরণ করছে। তারা প্রশাসনকে দেখাতে একটি অরিজিনাল রশিদ ব্যবহার করলেও সাথে আরেকটি রশিদ দিচ্ছে, যেখানে তারা অবৈধভাবে চাঁদা আদায় করছে। অনেকসময় এ অবৈধ উপায়ে চাঁদা আদায় করতে গিয়ে বাল্কহেডে থাকা আমাদের স্টাফদেরও মারধর করেন। এতে করে এই ব্যবসার সীমানায় বাহিরের অনেক বাল্কহেড আসতে চায় না। যার কারণে আমাদের ব্যবসা করতেও প্রচণ্ড বেগ পেতে হচ্ছে।

সর্বশেষ

Calendar
Mon Tue Wed Thu Fri Sat Sun
1234567
891011121314
15161718192021
22232425262728
2930  
Scroll to Top