২৯শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Author name: Nazrul Islam

আজকের সংবাদ, শিক্ষা ও সাহিত্য, সর্বশেষ

মানুষ হাহাকার করে না, কারণ ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে

মানুষ হাহাকার করে না, কারণ ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে তারেক রহমান তারু মানুষ হাহাকার করে না,কারণ—ভয়ের দেয়ালে এখনও শুকায়নি ইতিহাসের রক্ত।কেউ বলে,“চুপ থাকো, নইলে আবার ফিরে আসবে সেই ফ্যাসিবাদ” তাই ক্ষুধা আজ কথা বলে না,চালের দাম আগুন হলেওচুলোর ধোঁয়া আকাশে প্রশ্ন লেখে না।ন্যায়বিচার কাঁদে,অধিকার শৃঙ্খলে বাধা পড়ে,তবু রাজপথে নীরবতার পাহারা। কী বিচিত্র এই দেশ!এক দুঃস্বপ্নের ভয়েআরেক দুঃস্বপ্নকে বুকে নিয়ে বাঁচে মানুষ।এক অত্যাচারের ক্ষত শুকায় না,অন্য অবহেলার বিষ ছড়িয়ে পড়ে চারদিকে। আমি বলি—ভয়কে রাজনীতি বানিও না!মানুষকে এমন দ্বিধার কারাগারে রেখো না,যেখানে প্রতিবাদ মানেইঅতীতের অন্ধকারে ফিরে যাওয়ার আতঙ্ক। দেশ কোনো ব্যক্তি নয়,দেশ কোনো দলের সম্পত্তিও নয়।দেশ মানে মানুষের অধিকার,দেশ মানে ন্যায়, রুটি, স্বাধীন কণ্ঠ,দেশ মানে মাথা উঁচু করে বেঁচে থাকার সাহস। যেদিন মানুষ বুঝবে—স্বৈরাচারের ভয় দেখিয়েগণতন্ত্রকে চুপ করিয়ে রাখা যায় না,সেদিন রাজপথ আবার জেগে উঠবে। মানুষ হাহাকার করে না—তাই বলে মানুষ মরে যায়নি।নীরবতার বুকেও আগ্নেয়গিরি ঘুমিয়ে থাকে।যেদিন সে জেগে উঠবে,সেদিন প্রশ্নের সামনেক্ষমতার সব সিংহাসন কেঁপে উঠবে। সেদিন মানুষ বলবে—আমরা কাউকে ফিরিয়ে আনতে চাই না,আমরা শুধু এমন একটি বাংলাদেশ চাই,যেখানে ভয়ের নয়,মানুষের জয় হবে।

আজকের সংবাদ, শিক্ষা ও সাহিত্য, সর্বশেষ

শিমুল জাবালি’র একগুচ্ছ কবিতা

শিমুল জাবালি’র কবিতা ১. শিশিরমহাজন রাত হইতেছে গভীর, ঘাসে বইসা কী করো শিশিরমহাজন?জোছনাগদি থাইকা আলো নিয়া ধার-বিনা সুদে, বিনা দলিলে;সে জানে না তার ঋণের বহর, সারারাত ঝিকমিক করে, ঘুমায় রাজার হালেভোরবেলা সুরুজ আসে পাওনাদার হইয়া, ফোঁটায় ফোঁটায় উসুল কইরা নেয় বাষ্পে—সে টেরও পায় না কখন নিঃস্ব হলো, দুপুরে তার মাথা নত, ম্লান, গরিব। তবু সন্ধ্যা নামলে আবার আসে মহাজন, আবার ধার, আবার ঝিকিমিকি;নিঃস্ব হওয়া আর ধনী হওয়ার এই দোলনায়-দুলতে দুলতে ঘাসের জীবন যায়,অভিযোগ নাই, মামলা নাই, সবুজের কোনো উকিল লাগে না। এই লেনদেনের নাম কেউ রাখে শোষণ, কেউ রাখে করুণাআমি রাখি সংসার আমার মা-ও এমন ছিলেন—সারাদিন বিলাইতেন, রাইতে নিঃস্বতবু পরদিন দেখি আঁচলভরা আলো; কোন গদি থিকা আনতেন আজও জানি না,মায়েদের মহাজন সম্ভবত আসমানে থাকেন, খাতা রাখেন না, সুদ নেন দোয়ায়। আমিও ধার করি আজকাল, শিশিরমহাজননিশ্বাসব্রতে জমা রাখি ঘুম– শোধ হবে না জানি,তবে মহাজনি আইনে প্রেমিকদের জেল হয় না,হয় নির্জনতা ও যাবজ্জীবন। ২. পাতাঝরার ডাকঘর হেমন্ত এলে গাছেরা ডাকঘর খুইলা বসে, প্রতিটি ঝরাপাতা এক একখানা চিঠিপ্রাপক: মাটি, প্রেরক: আসমান, বাহক: হাওয়া, বেতনবিহীন।চিঠিগুলা পড়তে জানে কেবল পিঁপড়ারা, সারি বাইন্ধা আসে, অক্ষরে অক্ষরে হাঁটে—জরুরি খবরগুলা বইয়া নিয়া যায় মাটির তলায়–শিকড়েরা খবর পাইয়া নড়েচড়ে বসে, বসন্তের প্রস্তুতি লয় আন্ধারে বইসাই উপরে যারে আমরা মরা মৌসুম বলি, নিচে তার নাম চিঠি বিলির কালকুড়ানি মেয়েটা পাতা কুড়ায় জ্বালানির লাইগা,সে জানে না কত চিঠি পুড়াইয়া ভাত রান্ধে; জানলে হয়তো পড়ত দুই একখান না জানাই ভালো–চিঠি পোড়ানো আগুনে ভাত নাকি মিঠা হয় বেশি, লেখা আছে হাওয়ার ডাকবিধিতে–আমিও চিঠি লেখতাছি বহুদিন ধইরা- পাঠাই না, জমাইঝরার সময় হইলে গাছের কাছে শিখতে যাব, ক্যামনে এত সহজে ছাইড়া দেওয়া যায়নিজের লেখা, নিজের রং, নিজের গ্রীষ্মকাল! গাছ শিখাইব, গাছের কাছে টিউশন ফি লাগে না—লাগে খালি ধৈর্য, আর একখান হেমন্ত ডাকঘর বন্ধ হয় মাঘের শীতে-গাছেরা তখন ন্যাড়া, নিঃস্ব ও নীরব;মনে হয় দেউলিয়া, আসলে অবসর সব বিলি শেষ, এইবার বিশ্রাম যে ডাকপিয়নের চিঠি ফুরায়, তার ঘুমের নাম শীতকাল ৩. নদীর নাইওর আশ্বিন মাসে নদী নাইওর যায় সমুদ্রের বাড়িযাওয়ার আগে ঘাটে ঘাটে কুশল রাইখা যায়কলসির কানায় কানায় ঢাইলা যায় শেষ বিকালের রং নদীর মা নাই, তবু বাপের বাড়ি বইলা কথা থাকে সবারই;পাহাড়ের কথা মনে হইলে নদীরও বুক ভার হয়,উজানের দিকে চাইয়া থাকে অপলক স্রোতের বিপরীতে ফেরা যায় না বইলাইসে এত গান জানে অক্ষমতা থিকাই জন্মায় সুর, জানে মাঝিরাজাইনাই তারা ভাটিয়ালিতে এত দরদ ঢালে যাওয়ার পথে নদী যা দেখে সব মনে রাখে:কোন ঘাটে কোন বধূ চুল ভিজাইলোকোন ছেলে প্রথম সাঁতার শিখলো কাইন্দা কাইটাকোন বুড়া বিকালবেলা একলা বইসা রইলোকারে যেন খুঁজলো জলের ভিতর! নদী সব লেইখা রাখে ঢেউয়ের খাতায়, সমুদ্রে গিয়া জমা দেয়–সমুদ্র এত বড় এই কারণেইপৃথিবীর সব নদীর মুখস্থ কথা– তার বুকে রাখা আছে, নোনামৃত। মানুষ ভাবে সমুদ্রের জল খাওয়া যায় না লবণে–আসলে ওই জলে এত কাহিনি গোলাএত বিদায়, এত ঘাট, এত অপেক্ষাযে গিলতে গেলে গলা ধইরা আসে লবণ তো উছিলামানুষ কান্দনের স্বাদ চিনা ফালাইবো বইলাইসমুদ্র নিজেরে অখাদ্য কইরা রাখছে নাইওর শেষে নদী ফিরে না ঠিকইতবে বর্ষায় তার বইনেরা আসে মেঘ হইয়াবাপের বাড়ির খবর লইয়া;বৃষ্টির শব্দে কান পাতলে শোনা যায়পাহাড় ভালা আছে, ঝরনারা ভালা আছেখালি তোমাগো লাইগা মন পোড়ে এই খবরটুকুর লাইগাইশুকনা খালেরাও প্রতি আষাঢ়ে দুই কূল ভাসাইয়া কান্দে ৪. ঘুমের মুসাফির ঘুম এক দূরের মুল্লুক, ভিসা লাগে নাতবু সবাই পৌঁছাইতে পারে না রোজ আমি রাতভর সীমান্তে বইসা থাকি,চোখের চেকপোস্টে আটকা পড়ে স্বপ্নের কাফেলা যারা সহজে ঘুমায় তারা জানে না, তারা কত বড় জমিদারির মালিকবালিশে মাথা রাখলেই খুইলা যায় সদর দরজাপক্ষিরাজ ছাড়াই পাড়ি দেয় সাত সমুদ্র আর আমরা যারা জাইগা থাকিআমরা সেই মুল্লুকের ভিখারিদুয়ারে দুয়ারে ঘুরি, ভাঙা থালা হাতেদুই মুঠ তন্দ্রা পাইলে বর্তে যাই শেষরাতে করুণা হয় কারোআধা ঘুম জোটে, ছেঁড়া কাঁথার মতনগায়ে দিলে পাও বাইর হইয়া থাকেপাও ঢাকলে বুক সেই আধা ঘুমের ভিতর যে স্বপ্ন আসে–সেও আধা, রংচটা, শব্দহীন সিনেমা তবু দেখি, গরিবের আবার বাছাবাছি কী! ডাক্তার বড়ি দেয়, বলে খাইলেই ঘুমবড়ির ঘুম আর মায়ের কোলের ঘুমএক জিনিস না, ডাক্তাররে কই নাইসে বুঝবো না, তার মা তো বাঁইচা আছে তবু ভোরের দিকে, আজানের একটু আগেপাখি ডাকার একটু আগে যে নীরবতাসেই নীরবতাটুকু মুসাফিরের সরাইখানা ওইখানে সব জাগনা মানুষ এক কাতারে বসে–কেউ কারে চিনে না, তবু সবাই স্বজন;নিদ্রাহীনতার এই এক সুখসে অন্তত একলা ঘুমাইতে দেয় না কাউরে ৫. আলোর ওয়ারিশ আমার কিছু নাই, তবু উইল কইরা যাইতে চাইসন্তানের নামে লেইখা যাই ভোরবেলাটা,শিশিরের দানাগুলা, দোয়েলের প্রথম শিসআর কার্তিকের ভোরে ধানখেতের উপর দিয়াভাইসা আসা সেই গন্ধ—যার কোনো নাম হয় নাই আজওহইলে সবাই কিনতে চাইতো জমিজমা নাই, দালান নাই, ব্যাংকব্যালেন্স নাইকেউ জিগাইলে কমু, আসমানে জমা রাখছি সবমেঘে মেঘে আমার ব্যাংক, বৃষ্টিতে আসে কিস্তিরংধনু আমার চেকবই, সাত পাতার লোকে হাসবো, হাসুকযে জীবনে হাসাইতে পারছিসে জীবন লোকসানের না সন্তানরে শিখাইয়া যাবো খালি দুইটা জিনিস:ক্যামনে তাকাইতে হয়, আর ক্যামনে থামতে হয় তাকাইলে দেখবা ঘাসের ডগায় সূর্য দুলতেছেথামলে শুনবা পাতার ভিতর হাওয়ার সংসারএই দুই বিদ্যা জানলে কেউ গরিব নানা জানলে রাজাও ফকিরসিন্দুকভরা সোনার ভিতর বইসা সে খুঁজবো-কী জানি নাই, কী জানি নাই! আলো কারো একলার সম্পত্তি না, এইটুকুই আমার দলিলসাক্ষী রইলো ঘাস, নদী, ভোরের আজান, সন্ধ্যার শাঁখওয়ারিশ হইতে কোনো আদালতে যাইতে হয় নাচোখ খুইলা তাকাইলেই তামিল হয় উইল যেদিন আমি থাকব নাসেদিনও ভোর হবে, শিশির নামবেদোয়েল শিস দিবো কারফিউ না

আজকের সংবাদ, চাঁদপুর, ফরিদগঞ্জ, সর্বশেষ

ফরিদগঞ্জে ইসলামিক মিশন হাসপাতালের সংস্কারকাজে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রীর অভিযোগ

মো. মহিউদ্দিন : চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের ইসলামপুর ইসলামিক মিশন হাসপাতালের সংস্কারকাজ ও সীমানাপ্রাচীর (বাউন্ডারি ওয়াল) নির্মাণে নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নির্মাণাধীন সীমানাপ্রাচীরের একটি অংশ ভেঙে দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার (১ আগস্ট) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, হাসপাতালের সংস্কারকাজ ও সীমানাপ্রাচীর নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, কাজে নিম্নমানের ইট, বালু, রড ও অন্যান্য নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করা হচ্ছে, ফলে কাজের গুণগত মান নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। স্থানীয় বাসিন্দা জসিম উদ্দিন পাটওয়ারী, সোহরাব বেপারী, মোশাররফ কাজী, বাদশা মজুমদার ও ওমর ফারুক জানান, কাজ শুরুর পর থেকেই তারা নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহারের বিষয়ে একাধিকবার প্রতিবাদ জানিয়েছেন। কিন্তু তাদের অভিযোগ আমলে নেওয়া হয়নি। তারা আরও জানান, সীমানাপ্রাচীর ও হাসপাতালের সংস্কারকাজে মানসম্মত নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং কাজের গুণগত মান বজায় রাখাই তাদের একমাত্র দাবি। অভিযোগ অস্বীকার করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নাজমুস কনস্ট্রাকশনের পরিচালক মো. ইমন বলেন, প্রায় ২৫ লাখ টাকার এই প্রকল্পের কাজ শুরুর পর থেকেই রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে কয়েকজন ব্যক্তি চাঁদা দাবি করে আসছেন। তবে তিনি কারও নাম প্রকাশ করতে রাজি হননি। কাজের মান নিয়ে প্রশ্নের জবাবে তিনি দাবি করেন, নির্ধারিত মান অনুযায়ী কাজ করা হচ্ছে। চাঁদা না দেওয়ায় নির্মাণাধীন দেয়ালের একটি অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। শাহ সুফি ইয়াছিনিয়া মজিদিয়া ট্রাস্টের সদস্য আবুল খায়ের বলেন, কাজের গুণগত মান ঠিক রয়েছে। তবে এলাকার কয়েকজন ব্যক্তি চাঁদা দাবি করায় কাজ বাস্তবায়নে সমস্যা হচ্ছে। একই সঙ্গে তিনি বলেন, কাজের মান অবশ্যই বজায় রাখতে হবে। তিনি আরও অভিযোগ করেন, স্থানীয় বিএনপি নেতা ও পল্লী চিকিৎসক ফজলুর রহমান কিছু লোককে সঙ্গে নিয়ে নির্মাণসামগ্রী সরবরাহের জন্য চাপ ও চাঁদা দাবি করছেন। এ বিষয়ে ইসলামিক মিশন হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. কামাল হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার পর্যন্ত তিনি কাজের অগ্রগতি ও মান সন্তোষজনক দেখেছেন। তবে সাপ্তাহিক ছুটির দিন হওয়ায় শুক্র ও শনিবার কাজ বন্ধ রাখতে নির্দেশ দিয়েছিলেন। তার নির্দেশ উপেক্ষা করে ওই দুই দিন কাজ চালানো হয়েছে কি না, সে বিষয়ে তিনি নিশ্চিত নন। এ বিষয়ে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক (গ্রেড-১) মুহাম্মদ মুহিববুল্লাহিল বাকী বলেন, কাজের গুণগত মান রক্ষা না হওয়ার অভিযোগ বা কোনো ধরনের অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ফরিদগঞ্জ টাইমস/কেএম

আজকের সংবাদ, চাঁদপুর, ফরিদগঞ্জ, সর্বশেষ

ফরিদগঞ্জে টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরামের আত্মপ্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক :  চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে স্যাটেলাইট টেলিভিশনে কর্মরত সাংবাদিকদের সমন্বয়ে গঠিত হয়েছে ফরিদগঞ্জ টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরাম। পেশাদার সাংবাদিকতার বিকাশ, বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশন এবং সাংবাদিকদের মধ্যে ঐক্য সুদৃঢ় করার লক্ষ্য নিয়ে সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়েছে। শনিবার (১ আগস্ট ২০২৬) বিকেলে ফরিদগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মাই টিভির ফরিদগঞ্জ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় উপজেলার বিভিন্ন স্যাটেলাইট টেলিভিশনে কর্মরত সাংবাদিকরা অংশ নেন। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে ফরিদগঞ্জ টেলিভিশন সাংবাদিক ফোরাম গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে উপস্থিত সদস্যদের সম্মতিক্রমে সংগঠনটির আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। কমিটিতে আহ্বায়ক নির্বাচিত হয়েছেন মাই টিভির প্রতিনিধি দেলোয়ার হোসেন বেলাল এবং সদস্য সচিব নির্বাচিত হয়েছেন মোহনা টিভির প্রতিনিধি মো. ফাহাদ।  কমিটির সদস্য হিসেবে রয়েছেন দেশ টিভির শরীফ আহমেদ, চ্যানেল ওয়ানের জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, চ্যানেল এস’র জসিম উদ্দিন এবং আরটিভির শামীম হাসান।  আত্মপ্রকাশ করা নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ জানান, পেশাগত মর্যাদা রক্ষা, পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, দক্ষতা উন্নয়ন এবং বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার চর্চায় সংগঠনটি ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ে টেলিভিশন সাংবাদিকদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়ে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তারা।  ফরিদগঞ্জ টাইমস/কেএম

আজকের সংবাদ, চাঁদপুর, প্রধান সংবাদ, ফরিদগঞ্জ, সর্বশেষ

ফরিদগঞ্জ ডাকবাংলোতে ডাকাতিয়ার ওপর সেতু নির্মাণে এমপির ডিও লেটার 

ইমরান মকিম : চাঁদপুর-লক্ষ্মীপুর আঞ্চলিক মহাসড়কের পুরোনো অংশ হিসেবে পরিচিত ফরিদগঞ্জ ডাকবাংলো-আরএন্ডএইচ (ভাটিয়ালপুর) সড়কটি দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় মানুষের গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগপথ। কিন্তু সড়কের ডাকবাংলো অংশে প্রবাহিত ডাকাতিয়া নদীর কারণে দুই পাড়ের মানুষের যাতায়াতে প্রতিদিনই ভোগান্তির শিকার হতে হয়। নদীর ওপর কোনো সেতু না থাকায় স্থানীয়দের একমাত্র ভরসা একটিমাত্র ছোট নৌকা।  দীর্ঘদিনের এ দুর্ভোগ নিরসনে আশার আলো দেখা দিয়েছে। চাঁদপুর-৪ (ফরিদগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য মো. আবদুল হান্নান ডাকবাংলো এলাকায় ডাকাতিয়া নদীর ওপর একটি সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছেন। এ লক্ষ্যে চলতি বছরের ২৮ জুন তিনি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) প্রধান প্রকৌশলীর কাছে একটি ডিও লেটার পাঠিয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানান। স্থানীয়দের মতে, সেতুটি নির্মিত হলে ডাকাতিয়া নদীর পশ্চিম তীরের কয়েকটি গ্রামের মানুষের বহু বছরের যাতায়াত দুর্ভোগের অবসান ঘটবে। বর্তমানে স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, চাকরিজীবী, কৃষক, ব্যবসায়ী এবং সাধারণ মানুষকে প্রতিদিন নৌকায় নদী পার হতে হয়। বর্ষাকালে নদীর স্রোত বেড়ে গেলে এ দুর্ভোগ আরও তীব্র আকার ধারণ করে। অনেক সময় ঝুঁকি নিয়েই শিশু ও শিক্ষার্থীদের নদী পারাপার করতে হয়। বিশেষ করে পশ্চিমপাড়ের শিক্ষার্থীরা একটি সেতুর অভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াতে দীর্ঘদিন ধরে সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছে। সেতু নির্মাণ হলে তারা নিরাপদ ও স্বল্প সময়ে স্কুল-কলেজে যেতে পারবে। একই সঙ্গে কৃষিপণ্য পরিবহন, ব্যবসা-বাণিজ্য এবং জরুরি সেবাও সহজ হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসীর ভাষ্য, ডাকাতিয়া নদীর পশ্চিম পাড়ে বিস্তীর্ণ চরাঞ্চল, নদী ও সবুজ প্রকৃতির সমন্বয়ে গড়ে উঠেছে এক মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক পরিবেশ। প্রতিদিন বিকেলে অনেক মানুষ সেখানে গিয়ে নির্মল বাতাস উপভোগ করেন। তবে সহজ যোগাযোগব্যবস্থা না থাকায় এ সম্ভাবনাময় এলাকাটি এখনো কাঙ্ক্ষিতভাবে বিকশিত হয়নি। স্থানীয়রা মনে করছেন, নদীর ওপর একটি সেতু নির্মিত হলে শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নই নয়, বরং এলাকাটিতে পর্যটনের সম্ভাবনাও সৃষ্টি হবে। প্রকৃতিপ্রেমী মানুষ সহজেই সেখানে গিয়ে সময় কাটাতে পারবেন। একই সঙ্গে নতুন ব্যবসা-বাণিজ্য, ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। ডিও লেটার পাঠানোর বিষয়টি এলাকায় ব্যাপক আশার সঞ্চার করেছে। এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত প্রকল্পটি অনুমোদন ও বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেবে—এমন প্রত্যাশা স্থানীয় বাসিন্দাদের। তাদের বিশ্বাস, বহু প্রতীক্ষিত এ সেতু বাস্তবায়িত হলে ফরিদগঞ্জের পশ্চিমাঞ্চলের হাজারো মানুষের দীর্ঘদিনের কষ্টের অবসান ঘটবে এবং এলাকার সার্বিক উন্নয়নে নতুন দিগন্তের সূচনা হবে। ফরিদগঞ্জ টাইমস/কেএম

আজকের সংবাদ, আন্তর্জাতিক, প্রবাস, সর্বশেষ

ওমানে বাংলাদেশিদের নতুন শ্রম ভিসা এখনো বন্ধ, অনিশ্চয়তায় প্রবাসী ও ব্যবসায়ীরা

কাজী ইমাম হোসেন, ওমান : মধ্যপ্রাচ্যের দেশ সুলতানাত অব ওমান একসময় বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ শ্রমবাজার ছিল। একসময় বাংলাদেশি কর্মী গ্রহণের ক্ষেত্রে দেশটি দ্বিতীয় অবস্থানে থাকলেও বর্তমানে বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে এ অবস্থান অনেকটাই পিছিয়েছে। ওমানে বর্তমানে অবৈধ শ্রমিক ও ভিসা আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের ৩১ অক্টোবর থেকে বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য সব ধরনের নতুন শ্রম ভিসা ইস্যু স্থগিত করা হয়। সে সময় ওমান সরকার জানায়, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ সিদ্ধান্ত কার্যকর থাকবে। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের জুন মাসে চিকিৎসক, প্রকৌশলী, নার্স, শিক্ষক, হিসাবরক্ষক, বিনিয়োগকারী এবং পারিবারিক ভিসাসহ কয়েকটি নির্দিষ্ট শ্রেণির জন্য সীমিত পরিসরে ভিসা চালু করা হলেও সাধারণ শ্রমিকদের জন্য নতুন ভিসা এখনো পুরোপুরি চালু হয়নি। বর্তমানে ওমানে প্রায় ৬ লাখ ৮০ হাজার বাংলাদেশি বসবাস ও কর্মরত রয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়। তবে ওমানের সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে দেশটিতে বাংলাদেশি কর্মীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৬ লাখ ২১ হাজার। দীর্ঘদিন ধরে নতুন শ্রম ভিসা বন্ধ থাকায় সবচেয়ে বেশি অনিশ্চয়তায় রয়েছেন বাংলাদেশে অবস্থানরত কর্মপ্রত্যাশীরা। একই সঙ্গে ওমানে বসবাসরত অনেক বাংলাদেশি ব্যবসায়ীও শ্রমিক সংকটের কারণে ব্যবসা পরিচালনায় নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছেন। প্রয়োজনীয় জনবল না পাওয়ায় অনেক প্রতিষ্ঠান ও ব্যবসা কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের একটি বড় অংশের প্রত্যাশা, ওমান সরকার শ্রমবাজারের চাহিদা, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রয়োজন এবং দুই দেশের বিদ্যমান বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত বাংলাদেশিদের জন্য নতুন শ্রম ভিসা চালুর বিষয়ে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত নেবে। এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মহলে প্রায়ই নতুন ভিসা চালুর গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়লেও ওমানের শ্রম মন্ত্রণালয় কিংবা রয়্যাল ওমান পুলিশ (ROP) থেকে এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি। ফলে ভিসা চালুর বিষয়ে এখনো অনিশ্চয়তা কাটেনি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও শ্রমবিষয়ক আলোচনা ইতিবাচকভাবে এগোলে ভবিষ্যতে বাংলাদেশিদের জন্য ওমানের শ্রমবাজার আবারও উন্মুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। তবে এ বিষয়ে সরকারি ঘোষণা না আসা পর্যন্ত গুজবে বিভ্রান্ত না হয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্যের ওপর নির্ভর করার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।   ফরিদগঞ্জ টাইমস/কেএম

আজকের সংবাদ, প্রবাস, সর্বশেষ

পাঁচ মাস পর হাফার আল-বাতেনে কনস্যুলার টিম, প্রবাসীদের সেবায় বিএনপি 

মাসুদ সামাদ, সৌদি আরব : দীর্ঘ পাঁচ মাস পর সৌদি আরবের পূর্বাঞ্চলের হাফার আল-বাতেন প্রদেশে স্থানীয় বাংলাদেশি প্রবাসীদের সেবা দিতে কনস্যুলার টিম পৌঁছায়। এ উপলক্ষে সৌদি আরব পূর্বাঞ্চল হাফার আল-বাতেন প্রদেশ বিএনপির নেতারা কনস্যুলার টিমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় করেন। মতবিনিময়কালে প্রবাসীদের দ্রুত ও নির্বিঘ্নে কনস্যুলার সেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে আরও কার্যকরভাবে সেবা কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে উভয় পক্ষ মতবিনিময় করেন। কনস্যুলার সেবা কার্যক্রম চলাকালে অতিরিক্ত গরমের কারণে কিছুটা ভোগান্তির সৃষ্টি হলেও স্থানীয় বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাফর ইকবালের উদ্যোগে সেবাগ্রহীতাদের মাঝে বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করা হয়, যা উপস্থিত প্রবাসীদের প্রশংসা কুড়ায়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন হাফার আল-বাতেন প্রদেশ বিএনপির সভাপতি মনির হোসেন মুন্না, সাধারণ সম্পাদক জাফর ইকবাল, সহসভাপতি উজ্জ্বল মাহমুদ, সাংগঠনিক সম্পাদক ফরহাদ হোসেন, যুগ্ম সম্পাদক মাসউদ সামাদ এবং যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক রুবেলসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের অন্যান্য নেতাকর্মীরা। ফরিদগঞ্জ টাইমস/কেএম

আজকের সংবাদ, জাতীয়, ফরিদগঞ্জ, সর্বশেষ

বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত

নিজস্ব প্রতিবেদক : ‘প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সাম্যতা চাই’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে জেলা প্রতিনিধি সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সম্মেলনে বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশন, ফরিদগঞ্জ শাখার প্রতিনিধি দল অংশগ্রহণ করেছে।  শনিবার (১ আগস্ট) ঢাকার বাংলাদেশ শিশু একাডেমির হলরুমে আয়োজিত এ সম্মেলনে সংগঠনের কো-চেয়ারম্যান আব্দুল বাকির সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সাবেক চেয়ারম্যান ও বর্তমান উপদেষ্টা রেহানা আখতার। প্রধান অতিথির বক্তব্যে রেহানা আখতার বলেন, দেশের কিন্ডারগার্টেন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো প্রাথমিক শিক্ষার প্রসারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে চলেছে। তাই শিক্ষার্থীদের জন্য সরকারি সুযোগ-সুবিধা ও মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করে সমান অধিকার নিশ্চিত করতে হবে। বিশেষ করে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সব শিক্ষার্থীর জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি সময়ের দাবি। সম্মেলনে প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ কিন্ডারগার্টেন এসোসিয়েশনের মহাসচিব মো. মিজানুর রহমান সরকার। তিনি বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কিন্ডারগার্টেনের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষাসহ শিক্ষার সব স্তরে সমঅধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সংগঠন ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কিন্ডারগার্টেন শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানান। সম্মেলনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন জেলার প্রতিনিধি, উপজেলা শাখার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত শিক্ষক-নেতৃবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানের শেষপর্বে প্রতিনিধিদের মতামত গ্রহণ, বিভিন্ন জেলার সাংগঠনিক কার্যক্রম পর্যালোচনা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষায় সাম্যতা নিশ্চিতসহ সংগঠনের বিভিন্ন দাবি বাস্তবায়নে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে প্রতিনিধি সম্মেলনের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়। ফরিদগঞ্জ টাইমস/কেএম

আজকের সংবাদ, চাঁদপুর, ফরিদগঞ্জ, সর্বশেষ

গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে ফরিদগঞ্জে জামায়াতের বিক্ষোভ মিছিল

মো. সোহেল রানা : গণভোটের রায় বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে বিচার দাবিতে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (১ আগস্ট) সকালে উপজেলার বাসস্ট্যান্ড এলাকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। বাসস্ট্যান্ডে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় বাসস্ট্যান্ডে এসে শেষ হয়। এসময় বক্তারা বলেন, ২০২৪ সালের গণআন্দোলনের মাধ্যমে ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগের বিনিময়ে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে এবং নতুন বাংলাদেশের সূচনা হয়। তবে তাদের অভিযোগ, পরবর্তীতে ক্ষমতায় আসা বিএনপি সরকারও ফ্যাসিবাদী শাসনের ধারায় দেশ পরিচালনা করছে। তারা দাবি করেন, দেশে খুন, গুম, ধর্ষণ, চাঁদাবাজি ও লুটপাট বেড়ে গেছে এবং জনগণ ক্রমেই অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে। বক্তারা আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে জনগণের প্রায় ৭০ শতাংশ গণভোটের পক্ষে রায় দেয়। তাদের দাবি, সংসদ নির্বাচনকে বৈধতা দেওয়া হলেও এখন পর্যন্ত গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করা হয়নি। তারা অভিযোগ করেন, নির্বাচনের আগে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান গণভোটের পক্ষে অবস্থান নিলেও নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে তা বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। অবিলম্বে গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বক্তারা বলেন, নতুন সংবিধান প্রণয়নের লক্ষ্যে গণভোটের রায় কার্যকর করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারকে এ বিষয়ে দ্রুত প্রয়োজনীয় আইন প্রণয়নের আহ্বান জানান তারা। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমলেও দেশে এখনও মূল্য সমন্বয় না হওয়ায় জ্বালানি তেল ও গ্যাসের দাম কমানোরও দাবি জানান বক্তারা। সমাবেশ ও মিছিলে নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগান দেন। এর মধ্যে ছিল— ‘নারায়ে তাকবীর, আল্লাহু আকবার’, ‘জিন্দাবাদ জিন্দাবাদ, জামায়াতে ইসলামী জিন্দাবাদ’, ‘জুলাই নিয়ে টালবাহানা চলবে না’, ‘গণভোট মেনে নে, নইলে গদি ছেড়ে দে’, ‘জুলাই সনদ মেনে নে, নইলে গদি ছেড়ে দে’, ‘অ্যাকশন টু অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’ এবং ‘ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’। ফরিদগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর মাওলানা ইউনুছ হেলালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চাঁদপুর জেলা শাখার আমীর মাওলানা বিল্লাল হোসেন মিয়াজি। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন ফরিদগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমীর মাওলানা মিজানুর রহমান, উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর মাওলানা কফিল উদ্দীন, বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের নেতা শফিকুল ইসলাম, নাসরুল্লাহ খানসহ উপজেলা ও পৌর পর্যায়ের বিভিন্ন নেতাকর্মী।  ফরিদগঞ্জ টাইমস/কেএম

আজকের সংবাদ, চাঁদপুর, ফরিদগঞ্জ, সর্বশেষ

ফরিদগঞ্জ টাইমসের ৫০ হাজার ফলোয়ার পূর্তি, কেক কেটে উদযাপন 

নিজস্ব প্রতিবেদক :  চাঁদপুরের প্রথম অনলাইন সংবাদমাধ্যম ফরিদগঞ্জ টাইমস সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ৫০ হাজার ফলোয়ারের মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এ উপলক্ষে কেক কেটে আনন্দ উদযাপন করেছেন প্রতিষ্ঠানটির কর্তৃপক্ষ, শুভানুধ্যায়ী ও প্রতিনিধিরা। স্থানীয় সংবাদকে গুরুত্ব দিয়ে যাত্রা শুরু করা ফরিদগঞ্জ টাইমস প্রথমে অনলাইন নিউজ পোর্টাল হিসেবে কার্যক্রম পরিচালনা করলেও বর্তমানে ফেসবুক ও ইউটিউবসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে নিয়মিত সংবাদ ও ভিডিও কনটেন্ট প্রকাশ করছে। অল্প সময়ের মধ্যেই পাঠক-দর্শকদের আস্থা অর্জন করে প্রতিষ্ঠানটি ফেসবুকে ৫০ হাজারের বেশি অনুসারী অর্জন করেছে। একই সঙ্গে তাদের প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদের সম্মিলিত দর্শকসংখ্যা অনেক আগেই মিলিয়নের ঘর অতিক্রম করেছে।  শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাত ৮টায় ফরিদগঞ্জ টাইমস কার্যালয়ে ৫০ হাজার ফলোয়ার পূর্তি উপলক্ষে কেক কাটা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। কেক কেটে এই অর্জন উদযাপন করেন প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।  এ সময় উপস্থিত ছিলেন প্রবীণ সাংবাদিক এমকে মানিক পাঠান, নুরুল ইসলাম ফরহাদ, শিক্ষক মিজানুর রহমান, ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ উল্ল্যাহ আল-আমিন, কেএম নজরুল ইসলাম, পাভেল আল ইমরান, তারেক রহমান তারু ও ইয়াছিন পালোয়ান। ফরিদগঞ্জ টাইমস কর্তৃপক্ষ তাদের এই অর্জনের জন্য সকল পাঠক, দর্শক, শুভানুধ্যায়ী, বিজ্ঞাপনদাতা এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত ফলোয়ারদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।  এসময় তারা বলেন, পাঠক ও দর্শকদের ভালোবাসা এবং আস্থাই ফরিদগঞ্জ টাইমসের এগিয়ে চলার প্রধান শক্তি। ভবিষ্যতেও বস্তুনিষ্ঠ, দ্রুত ও দায়িত্বশীল সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে মানুষের আস্থা ধরে রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।  ফরিদগঞ্জ টাইমস/কেএম

আজকের সংবাদ, চাঁদপুর, সর্বশেষ

চাঁদপুর সরকারি কলেজে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ

এস.এম তাইয়্যেব হোসাইন, চাঁদপুর : চাঁদপুর সরকারি কলেজের বিভিন্ন বিভাগে ফরম পূরণের সময় শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সরকারি নির্ধারিত ফি-এর বাইরে ‘জরিমানা’ ও অন্যান্য খাতে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।  অভিযোগ অনুযায়ী, উপস্থিতি কম থাকার অজুহাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সর্বনিম্ন ৫০০ টাকা থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয়েছে। তবে এ বিষয়ে কলেজের অধ্যক্ষ জানিয়েছেন, এমন কোনো ঘটনার বিষয়ে তিনি অবগত নন। জানা যায়, চাঁদপুর সরকারি কলেজে প্রায় ১৭ হাজার শিক্ষার্থী অধ্যয়নরত। তাদের একটি বড় অংশ মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তান। অনেকে পড়াশোনার পাশাপাশি জীবিকার প্রয়োজনে বিভিন্ন পেশায় যুক্ত থাকায় নিয়মিত ক্লাসে উপস্থিত থাকতে পারেন না। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী শিক্ষার্থীদের কমপক্ষে ৬০ শতাংশ ক্লাসে উপস্থিত থাকার কথা থাকলেও বাস্তবতায় অনেকেই তা নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হন।  একাধিক শিক্ষার্থীর অভিযোগ, এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে কলেজের কয়েকটি বিভাগে ফরম পূরণের সময় ‘জরিমানা’ নামে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, এসব অর্থ নগদে নেওয়া হয় এবং কোনো রসিদ দেওয়া হয় না।  নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একটি বিভাগের এক কর্মচারী দাবি করেন, আদায়কৃত অতিরিক্ত অর্থ সংশ্লিষ্ট শিক্ষকদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।  এছাড়া কয়েকজন শিক্ষার্থীর অভিযোগ, কিছু বিভাগের অফিস সহকারীরা অর্থের বিনিময়ে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি দেখানো, ইনকোর্স পরীক্ষায় পাস নম্বর নিশ্চিত করা এবং বিভিন্ন প্রশাসনিক সুবিধা দেওয়ার মতো অনিয়মের সঙ্গে জড়িত।  অন্যদিকে, নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী বলেন, দীর্ঘদিন ধরে কিছু বিভাগে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের চর্চা রয়েছে। তারা অভিযোগ করেন, এসব বিষয়ে আপত্তি জানালে বিভিন্নভাবে হয়রানি, বিভাগ পরিবর্তন কিংবা চাকরির ভয় দেখানো হয়। তবে তারা নিজেরা অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের সঙ্গে জড়িত নন বলেও দাবি করেন।  জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধিমালা অনুযায়ী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সব ধরনের ফি ব্যাংক বা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে রসিদসহ আদায় করার কথা। সেক্ষেত্রে নগদে অতিরিক্ত অর্থ আদায়ের অভিযোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে উদ্বেগ ও অসন্তোষ সৃষ্টি করেছে। এ বিষয়ে কয়েকটি বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।  এদিকে, চাঁদপুর সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি নাঈম খান বলেন, যেসব বিভাগে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয়েছে, তা অবিলম্বে ফেরত দিতে হবে। ভবিষ্যতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় নির্ধারিত ফি-এর বাইরে কোনো অর্থ আদায় বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত ক্লাসমুখী করতে ইতিবাচক উদ্যোগ নেওয়ারও আহ্বান জানান তিনি।  তিনি আরও বলেন, “ভবিষ্যতে কোনো বিভাগ বা ব্যক্তি যদি সরকারি নির্ধারিত ফি-এর বাইরে অতিরিক্ত অর্থ দাবি করে, তাহলে শিক্ষার্থীরা আমাদের জানাবেন। শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার ও স্বার্থ রক্ষায় আমরা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেব।”  চাঁসক অধ্যক্ষ প্রফেসর এ. কে. এম. আবদুল মাননান এ বিষয়ে বলেন, “এ ধরনের অর্থ আদায়ের বিষয়ে আমি অবগত নই। লিখিত অভিযোগ পেলে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।” শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, কর্মচারীদের বক্তব্য এবং অধ্যক্ষের প্রতিক্রিয়ার পর বিষয়টি নিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং প্রমাণিত অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি উঠেছে। ফরিদগঞ্জ টাইমস/কেএম

আজকের সংবাদ, ইসলাম, চাঁদপুর, ফরিদগঞ্জ, সর্বশেষ

চান্দ্রা দরবার শরীফে পৌঁছেছেন ভারতের হাফেজ আতিকুল্লাহ খান নকশবন্দী 

নিজস্ব প্রতিবেদক :  মুজাদ্দেদে জামান আলা হযরত সৈয়দ মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ নকশবন্দী (রা.)-এর বেছাল শরীফ উপলক্ষে অনুষ্ঠিতব্য দুই দিনব্যাপী ৫২তম ইশায়াত সম্মেলন ও ১০ম বার্ষিক ওরসে আযম মোবারক উপলক্ষে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার সকদিরামপুর (পূর্ব) চান্দ্রা দরবার শরীফে এসে পৌঁছেছেন ভারতের দরবারে আলিয়া খানকায়ে এনায়েতিয়ার সাজ্জাদানশীন, আল্লামা হাফেজ আতিকুল্লাহ খান নকশবন্দী মুজাদ্দেদী এনায়েতী।  শুক্রবার (৩১ জুলাই) সকালে তিনি চান্দ্রা দরবার শরীফে পৌঁছালে দরবারের পীর ড. এস.এম হুজ্জাতুল্লাহ নকশবন্দী, দরবার শরীফের খাদেম, ভক্ত-আশেকান ও মুরিদানরা ফুলেল শুভেচ্ছায় তাঁকে বরণ করে নেন।  এর আগে গত ২৮ জুলাই তিনি ভারত থেকে ঢাকায় পৌঁছান। পরবর্তী দুই দিন ঢাকার মোহাম্মদপুর খানকা শরীফে অবস্থান শেষে শুক্রবার সকালে চান্দ্রা দরবার শরীফে আগমন করেন।  দরবার শরীফে পৌঁছেই তিনি আলা হযরত সৈয়দ মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ নকশবন্দী (রা.)-এর মাজার শরীফ জিয়ারত করেন এবং বিশেষ দোয়া ও মোনাজাতে অংশ নেন।  এদিকে, তাঁকে স্বাগত জানাতে ভক্ত-আশেকানরা ইচলি চৌরাস্তা থেকে চান্দ্রা দরবার শরীফ পর্যন্ত একটি বর্ণাঢ্য মোটরসাইকেল শোভাযাত্রার আয়োজন করেন। শোভাযাত্রায় বিপুলসংখ্যক মুরিদ ও ধর্মপ্রাণ মুসল্লি অংশ নেন।  উল্লেখ্য, আগামী ৩ ও ৪ আগস্ট ২০২৬ (সোমবার ও মঙ্গলবার) চান্দ্রা দরবার শরীফ প্রাঙ্গণে মুজাদ্দেদে জামান আলা হযরত সৈয়দ মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ নকশবন্দী (রা.)-এর বেছাল শরীফ উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী ৫২তম ইশায়াত সম্মেলন ও ১০ম বার্ষিক ওরসে আযম মোবারক অনুষ্ঠিত হবে।  এ উপলক্ষে দেশ-বিদেশের আলেম-ওলামা, পীর-মাশায়েখ এবং অসংখ্য ভক্ত-আশেকানের সমাগম ঘটবে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন। ফরিদগঞ্জ টাইমস/কেএম

Scroll to Top