নিজস্ব প্রতিবেদক: সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে মিল রেখে এবারও চাঁদপুর জেলার অর্ধশতাধিক গ্রামে ঈদুল ফিতর উদযাপন হবে শুক্রবার।
এদিন সকাল ৯টায় হাজীগঞ্জ উপজেলার সাদ্রা দরবার শরীফ মাঠে ঈদুল ফিতরের নামাজে ইমামতি করবেন দরবার শরীফের পীরজাদা আল্লামা জাকারিয়া চৌধুরী আল মাদানী।
এর আগে সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টার মধ্যে সাদ্রা হামিদিয়া ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসার মাঠে ঈদের আরেকটি জামাত অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন দরবার শরীফের পীরজাদা আরিফুল্লা চৌধুরী।
তিনি বলেন, ১৯২৮ সাল থেকে তারা মুসলিম বিশ্বের সঙ্গে কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ঈদুল ফিতর, ঈদুল আযহা এবং রোজা রেখে আসছেন। প্রথমে এসব ঈদের জামাতের লোকজন কম হলেও এখন দেশের প্রায় প্রতিটি জেলায় ঈদ উদযাপন হচ্ছে।
সাদ্রা দরবার শরীফের ইয়াহিয়া চৌধুরী বলেন, “দীর্ঘ যাচাই বাছাই করে আফগানিস্তান ও মালির চাঁদ দেখার সংবাদ ব্যাপক প্রশ্নবিদ্ধ ও সন্দেহজনক পাওয়ায় আমরা তা গ্রহণ করিনি। এমতাবস্থায় সন্দেহের উপর রোজা ভেঙে ঈদ করা যায় না। অতএব রমজানের ৩০ পূর্ণ করে শুক্রবার ঈদ উদযাপন হবে ইনশাআল্লাহ।”
আগাম ঈদ উদযাপন করা গ্রামগুলো হলো- হাজীগঞ্জের সাদ্রা, সমেশপুর, অলিপুর, বলাখাল, মনিহার, প্রতাপপুর, বাসারা, ফরিদগঞ্জ উপজেলার লক্ষ্মীপুর, কামতা, গল্লাক, ভুলাচোঁ, সোনাচোঁ, উভারামপুর, উটতলি, মুন্সিরহাট, কাইতাড়া, মূলপাড়া, বদরপুর, আইটপাড়া, সুরঙ্গচাইল, বালিথুবা, পাইকপাড়া, নূরপুর, সাচনমেঘ, শোল্লা, হাঁসা, গোবিন্দপুর, মতলব উপজেলার দশানি, মোহনপুর, পাঁচানী এবং কচুয়া উপজেলার কয়েকটি গ্রামের আংশিক।
জানা গেছে, ১৯২৮ সাল থেকে সাদ্রা দরবার শরীফের প্রয়াত পীর মাওলানা ইসহাক (রহ.) সৌদি আরবসহ অন্য আরব দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে রোজা, ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা উদযাপনের প্রথা চালু করেন। এ ছাড়া তার অনুসারীরা চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এ প্রথা ছড়িয়ে দেন।
