৩রা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Author name: Farid Ahmed

আজকের সংবাদ, ফরিদগঞ্জ

ফরিদগঞ্জে মাদকাসক্ত ছেলের হাতে পিতা লাঞ্চিত ॥ এক অসহায় পিতার আর্তনাদ

নিজস্ব প্রতিবেদক: যে সন্তান পিতাকে হত্যা করতে আসে সে মানুষ হওয়ার যোগ্যতা হারিয়েছে। যে সমাজে পিতা সন্তানদ্বারা লাঞ্চিত হন, সে ভূমি সামাজ হতে পারেনি। সন্তানের হাতে লাঞ্চিত হয়ে পিতার কান্না দেখেও যে প্রশাসন নিরব থাকে সেটা কখনোই মানবিক প্রশাসন হতে পারেনা। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এসে কুস্তানের গল্প শোনালেন হতবাগা এক পিতা। মনিরুল ইসলাম (৬৬) অবসরপ্রাপ্ত কাস্টমস অফিসার। ফরিদগঞ্জ উপজেলার ১৬নং রূপসা দক্ষিন ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের উত্তর সাহেবগঞ্জ গ্রামের ছাড়া বাড়ির মরহুম ইয়াকুব আলী গাজীর ছেলে। চাকরির সুবাদে মনিরুল ইসলামের জীবনের অধিকাংশ সময় কাটাতে হয়েছে জন্মস্থানের বাহিরে। চাকরি থেকে অবসর নিয়ে চলে আসেন নিজের বাড়িতে। বাড়িতে এসে তিনি হতবাক হন। স্বপ্ন ছিলো ছেলে এবং নাতিদের নিয়ে বাকী জীবনটা কাটিয়ে দিবেন। কিন্তু তার সে স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হলো। জীবনের অর্জিত সমস্ত টাকা যে সন্তানদের পিছনের খরচ করেছেন সে সন্তানরাই তাকে অপমান অপদস্ত করছে। সন্তানদের অন্যায় কাজের প্রতিবাদ করতে গিয়ে মনিরুল ইসলাম এখন নিজ ঘরে পরবাসী। ৫ পুত্র সন্তানের তিনজনই চুরি, ডাকাতি, মাদক এমনকী সন্ত্রাসী কার্মকান্ডের সাথে জড়িত হয়ে পড়ে। তাদের এসব অনৈতিক কর্মকান্ড থেকে বিরত রাখতে বৃদ্ধ মনিরুল ইসলাম অনেক চেষ্টা করেছেন। কিন্তু সন্তানদের অমানবিক নির্যাতন আর হত্যার হুমকীর ভয়ে তিনি আজ নিজ বাড়িতেই থাকতে পারছেন না। বৃদ্ধ মনিরুল ইসলাম (৬৬) বলেন, ‘আমার তিন ছেলে মাদকের সাথে জড়িয়ে পড়ে। তারা হলো- ইলিয়াস হোসেন রুবেল (৩৫), সোহেল (৩২), ও মোস্তাফিজ। ইলিয়াস উদ্দিস রুবেল প্রবাসে থাকতো। তাকে ৬ লাখ টাকা খরচ করে বিদেশ পাঠিয়েছি। কিন্তু সে বিদেশ গিয়ে পুরো নষ্ট হয়ে যায়। সেখানে গিয়ে সে খুনের আসামি হয়। সে আত্মস্বীকৃত খুনি। যেভাবেই হোক সে বিদেশ থেকে ফিরে আসে। বাড়িতে এসে সে মাদকের সাথে সম্পৃক্ত হয়ে পড়ে। আমার কোনো খোঁজ খবর নেয়না। উল্টো আমাকে মানসিক নির্যাতন করে। একাধিকবার আমাকে মারতে আসছে। মেরে ফেলার হুমকী দিচ্ছে। আমি তাকে মাদক থেকে দূরে থাকার জন্য বলি এবং তার এসব কর্মকান্ডের বিরোধীতা করার কারণে আমাকে জবাই করে হত্যার হুমকী দেয়। বিষয়টি আমি আত্মীয়-স্বজনসহ প্রতিবেশীকে জানিয়েছি। বড় ছেলে বাড়িতে একটি ঘর করেছে কিন্তু সে ঘরটি ভেঙ্গে দিয়েছে। বড় ছেলের ঘরের সমস্ত মালামাল সে বিক্রি করে দেয়। সে শালিস মানে না, কাউকে মানে না। সোহেল আর মোস্তাফিজ মিলে তারা বাড়িতে গাঁজা, মদ আর ইয়াবা খায় এবং বিক্রি করে। আমার বাড়িতে সারা রাত মাদক সেবীদের যাতায়াত। সন্ত্রাসী, চোর-ডাকাতের আড্ডাখানায় পরিনত হয়ে গেছে আমার বাড়িটি। আমার ছেলেদের এসব কর্মকান্ডে আমি অতিষ্ট হয়ে এবং তাদের হুমকীর ভয়ে আমি এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছি। এলাকাটিকে তারা নষ্ট করে দিচ্ছে। আমি প্রশাসনের দৃষ্টি কামনা করে আবেদন নিবেদন করার পরও প্রশাসন কোনো কার্যকর ভূমিকা নিচ্ছে না।’ নাম প্রকাশে অনইচ্ছুক এলাকার একাধিক লোক অভিযোগ করে বলেন, ওরা তিন ভাই এলাকাকে মাদকের নরক রাজ্যে পরিণত করেছে। তারা এখানে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। ভয়ে কেউ তাদের বিরুদ্ধে মুখ খুলছে না। তারা তাদের নিজ বাড়িতে বসে ইয়াবা, গাজা বিক্রি করছে। দৈনিক লাখ টাকার মাদক বিক্রি করছে। যেই প্রতিবাদ করে তাকে মেরে ফেলার হুমকী দেয়। তারা তাদের নিজ বাবাকেও ছাড় দেয়নি। নিজের পিতাকে মেরে তারা বাড়ি থেকে বিতাড়িত করে। তারা এলাকায় এতোই রামরাজত্ব কায়েম করেছে যে জনপ্রতিনিধিরা পর্যন্ত ভয়ে কিছু বলছে না। অনেকে অভিযোগ করে বলছেন- ‘প্রশাসনকে বিষয়টি জানানোর পরও তারা রহস্যজনক কারণে কোন ব্যবস্থা নিচ্ছেন না।’ ১৬নং রূপসা উত্তর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) হুমায়ুন জানান, ‘বিষয়টি মৌখিকভাবে আমি জেনেছি। তাদেরই আত্মীয় এসে আমাকে অভিযোগ দিয়েছে কিন্তু ওরা এলাকায় এতোই ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরী করেছে যে, ভয়েই কেউ মুখ খুলছেনা। আমিও এ বিষয়ে কাজ করতে পারছিনা।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, না, আমি ইউএনও অথবা ওসি সাহেবকে বিষয়টি জানাইনি।ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহ আলম বলেন, বিষয়টি মাত্র জানলাম; আমি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছি।

আজকের সংবাদ, জাতীয়

বিসিএস পরীক্ষা: ভোগান্তি এড়াতে জামায়াতের বিক্ষোভের সময় পরিবর্তন

নিজস্ব প্রতিবেদক: বিসিএস পরীক্ষার্থীদের ভোগান্তি এড়াতে পাঁচ দফা দাবিতে ঘোষিত ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বরের কর্মসূচির সময় পরিবর্তন করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। এ দুদিন সকালের পরিবর্তে বিকেলে কর্মসূচি পালন করবে দলটি। মঙ্গলবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বেলা ১১টার দিকে জামায়াতে ইসলামীর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে জামায়াতের মিডিয়া ও প্রচার বিভাগের প্রধান এবং দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জাগো নিউজকে জানিয়েছিলেন, প্রয়োজনে তাদের কর্মসূচি বিসিএস পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর করা হতে পারে। এ নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। ফেসবুক পেজে দেওয়া জামায়াতের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আগামী ফেব্রুয়ারিতে অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে পাঁচ দফা দাবির ভিত্তিতে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে ১৫ সেপ্টেম্বর সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আগামী ১৮, ১৯ ও ২৬ সেপ্টেম্বর ৩ দিনের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। এদিকে জানা গেছে যে, আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর সকালে বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘এমতাবস্থায় বিসিএস পরীক্ষার সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নিশ্চিত করার স্বার্থে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী অত্যন্ত সচেতন ও দায়িত্বশীল অবস্থান নিয়েছে। আমরা মনে করি, বিকেলে কর্মসূচি পালন করলে পরীক্ষার কার্যক্রমে কোনো ব্যাঘাত ঘটবে না। সে কারণে ইতিমধ্যেই সারাদেশের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে যে, ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর সকাল বেলায় কোনোভাবেই বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করা যাবে না, কর্মসূচি শুধু বিকালে অনুষ্ঠিত হবে।’ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘আমরা আন্তরিকভাবে দোয়া করছি, বিসিএস পরীক্ষার্থীরা যেন যথাযথ প্রস্তুতি নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারে এবং সফলভাবে উত্তীর্ণ হয়ে আগামীর নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে ও জাতির প্রত্যাশা পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে সক্ষম হয়।’ জানা যায়, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনসহ পাঁচ দাবিতে ‌‘যুগপৎ আন্দোলনে’ নামছে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশসহ কয়েকটি দল। ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী দলগুলো আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর দেশের সব বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ মিছিল করবে। একই দিনে ঢাকাসহ দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে ৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এ পরীক্ষা নেওয়া হবে। এতে ভোগান্তির আশঙ্কা জানান চাকরিপ্রার্থীরা। তাদের আশঙ্কা আমলে নিয়ে দলটি কর্মসূচির সময় পরিবর্তন করলো। সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি) সূত্র জানায়, ৪৭তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা গত ২৭ জুন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এরপর সেটি পিছিয়ে ৮ আগস্ট করা হয়। এরপর আরও এক দফা পিছিয়ে ১৯ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করে পিএসসি। এতে অংশ নেবেন ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭৪৭ জন চাকরিপ্রার্থী। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ৪৭তম বিসিএসের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্যাডার পদে ৩ হাজার ৪৮৭ জন এবং নন-ক্যাডার পদে ২০১ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।

আজকের সংবাদ, চাঁদপুর

‘মাদক থেকে উত্তরণের উপায় সচেতনতা, নৈতিক শিক্ষা ও সম্মিলিত প্রচেষ্টা’

নিজস্ব প্রতিবেদক: চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব বলেন, অধিকাংশ অপরাধের নেপথ্যের কারণ হচ্ছে মাদক। সমাজের এই ভয়াবহ ব্যধি থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় সচেতনতা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা। পাশাপাশি সন্তানদের নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা দিতে হবে। নিজস্ব প্রতিবেদক: চাঁদপুরের পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব বলেন, অধিকাংশ অপরাধের নেপথ্যের কারণ হচ্ছে মাদক। সমাজের এই ভয়াবহ ব্যধি থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় সচেতনতা এবং সম্মিলিত প্রচেষ্টা। পাশাপাশি সন্তানদের নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষা দিতে হবে। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সদর উপজেলার চান্দ্রা বাজার ঈদগা ময়দানে সচেতন মহলের উদ্যোগে মাদকবিরোধী আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, আলোচনা সভায় বক্তব্য দিয়ে মাদকের যেসব তথ্য তুলে ধরেছেন, সেসব বিষয় খুব দ্রুত সমাধান করা যাবে না। তবে পুলিশ ফাঁড়ি না করা গেলেও এখন থেকে এই ইউনিয়নে পুলিশের নিয়মিত অভিযান চলবে। গোয়েন্দা পুলিশও কাজ করবে। যারা তথ্য দিয়ে মাদকে জড়িতদের ধরিয়ে দিবেন এমন প্রথম ১০জনকে ৫ হাজার টাকা করে পুরস্কার দেয়া হবে। অবশ্যই এসব অভিযান সফল হতে হবে। পুলিশ সুপার বলেন, আপনারা অনেকে বলেছেন মাদকসেবী ও বিক্রেতাদের তথ্য দিলে ব্যক্তির নিরাপত্তা নিয়ে সমস্যা হয়। আপনাদের নিরাপত্তা আমি নিশ্চিত করবো। সন্তানদের শিশু বেলা থেকে ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব দেয়ার জন্য অভিভাবকদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান। যার মধ্যে ধর্মীয় শিক্ষা আছে সে অপবিত্র থাকতে পারে না। সে মসজিদে নামাজ পড়তে কিংবা মন্দিরে পুঁজা করতে গেলে অপবিত্র অবস্থায় যাবে না। যার মধ্যে ধর্মীয় শিক্ষা আছে সে কখনো অন্যায় ও অপরাধমূলক কাজে জড়িত হবে না। অন্যান্য শিক্ষার পাশাপাশি অবশ্যই সন্তানদের ধর্মীয় শিক্ষা দিবেন। এসপি মাদকের ভয়াবহতা তুলে ধরে বলেন, শুধুমাত্র চাঁদপুর সদর উপজেলার ১৪ ইউনিয়নে প্রতিমাসে গড়ে ৯০-১০০টি মাদক মামলা হচ্ছে। আমাদের সীমাবদ্ধতার মধ্যেও মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত আছে। সভায় সভাপতিত্ব করেন জুলাই আন্দোলনে নিহত শহীদ তাজুল ইসলামের বাবা আনোয়ার উল্যাহ পাটোয়ারী। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন, চাঁদপুর জেলা জজ আদালতের আইন কর্মকর্তা ও সমাজ সেবক এড. মো. শাহজাহান খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মুকুর চাকমা, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তের সহকারী পরিচালক মু. মিজানুর রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ কুমিল্লা বিভাগীয় সংগঠনিক সম্পাদক শেখ জয়নাল আবেদীন, চান্দ্রা বাজার নুরিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ এটিএম মোস্তফা হামিদী, চান্দ্রা বাজার ইয়াকুব আলী স্মারক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আওলাদ হোসেন, আইনজীবী আব্দুল কাদের খান প্রমুখ। সভার সঞ্চালনায় ছিলেন, ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি শিক্ষক মোরশেদ আলম ও মোহাম্মদ সাব্বির মিয়া। এড. মো: শাহজাহান খান বলেন, আমাদের ইউনিয়নে মাদকের সাথে জড়িত এবং অপরাধ থেকে ফিরে আসতে চান তাদের বিকল্প কর্মসংস্থান তৈরীর জন্য সার্বিক সহযোগিতা করবো। আমাদের প্রবাসীরাও এই কাজে  সহযোগিতা করবেন বলে জানিয়েছেন। স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনসহ ইউনিয়নের সর্বস্তরের লোকজনের অংশগ্রহণে সভাপূর্বে একটি র‌্যালি বাজার এলাকা প্রদক্ষিণ করে। সভায় একটি মাদক বিরোধী অভিযোগ বক্স রাখা হয়। সেখানে স্থানীয় লোকজন নিজ উদ্যোগে মাদকে জড়িতদের তথ্য দিয়ে (তালিকা) বক্সের মধ্যে রাখবেন। সভাশেষে সভার উদ্যোক্তা এড. মো. শাহজাহান খান পুলিশ সুপারের হাতে ওই বক্সটি তুলে দেন।

আজকের সংবাদ, ফরিদগঞ্জ

ফরিদগঞ্জে বিএনপির ৪৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক: জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ৪৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন করেছে ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপি। বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য, উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বিশিষ্ট সমাজ সেবক মোতাহার হোসেন পাটওয়ারীর নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর ২০২৫) বিকালে ফরিদগঞ্জ বাসস্ট্যান্ড থেকে আন্দন্দ র‌্যালী বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে আম্বিয়া-ইউনুছ ফাউন্ডেশন এরিয়ায় এসে সমাবেশের মধ্যদিয়ে কর্মসূচির সমাপ্তি হয়। সমাবেশে বক্তব্য রাখেন মোতাহার হোসেন পাটোয়ারী ও ফরিদগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব আবদুল মতিন। আনন্দ শোভাযাত্রায় বিশিষ্ট নেতৃবৃন্দের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- কেন্দ্রীয় যুবদলের সাবেক সহ-সাধারণ সম্পাদক এস.এম মিজানুর রহমান, জেলা বিএনপির সদস্য ও ফরিদগঞ্জ পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি, পৌর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও ফরিদগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক ভিপি সিরাজুল ইসলাম পাপক, ঢাকা মহানগর যুবদলের সদস্য মনোয়ারুল হক মানিক, ফরিদগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের সাবেক জিএস মামুন, উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মামুনুর রশিদ, পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র আহ্বায়ক এমরান হোসেন স্বপন, উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক নুরে আলম চৌধুরী, উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল কায়েম সুমন, ছাত্রদল নেতা পারভেজ প্রমুখ সমাবেশে মোতাহার হোসেন পাটোয়ারী বলেন, ‘১৭ বছর মানুষ অবরুদ্ধ ছিলো। মুক্তকণ্ঠে কথা বলার স্বাধীনতা ছিলো না। গণতন্ত্রহীন গোটা বাংলাদেশ ছিলো এক কারাগার। আজ জাতী স্বাধীনভাবে শ্বাস নিতে পারছে। গণতান্ত্রিক একটি নির্বাচন দেখার অধিক আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষায় আছে সাধারণ মানুষ। আশা করি বাংলাদেশের অহংকার, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান তাকেই নমিনেশন দিবে যার দলে অবদান আছে। আমাদের অনেক নেতা রয়েছেন যারা ঐ বিভীষিকাময় সময়ে ধৈর্য্য হারিয়ে আওয়ামীলীগের সাথে লিয়াজু করে চলেছেন। অথচ আমি ১৩টি মামলার আসামী। ব্যবসায়ীকভাবে আমি আওয়ামীলীগদ্বারা চরমভাবে ক্ষতিগ্রস্থ। অপরাধ আমি মনে প্রাণে বিএনপি করতাম।’

আজকের সংবাদ, জাতীয়, তথ্য প্রযুক্তি

অনলাইনে যৌনফাঁদসহ হাজারও প্রতারণা!

নিজস্ব প্রতিবেদক: মানুষের দৈনন্দিন কাজে ইন্টারনেটের ব্যবহার যতো বাড়ছে তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বহু ধরনের অভিনব প্রতারণার ঘটনা। বাসা ভাড়া, জামা-কাপড় কেনাকাটা থেকে শুরু করে প্রেমের নামে যৌনফাঁদসহ বহু অপরাধ সংঘটিত হচ্ছে। গেল প্রায় তিন মাসে পুলিশের কাছে এ ধরনের অভিযোগ এসেছে এক হাজার ৮২টি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘটনা ৪৫৭টি অনলাইন কেনাকাটা সংক্রান্ত।  এসব অপরাধের অভিযোগ সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে পুলিশ প্রশাসনকেও। তবে গবেষণা বলছে, যে ঘটনাগুলো ঘটছে তার মাত্র প্রায় ২০ শতাংশ অভিযোগ পুলিশের কাছে আসে। বাকি সবই থেকে যায় আড়ালে। বিচারব্যবস্থার প্রতি অনাস্থা এবং লোকলজ্জার ভয়ে অনেক ঘটনা বিচারের বাইরে থেকে যায়।  গত ১ জুন থেকে ২৫ আগস্ট পর্যন্ত পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) সাইবার পুলিশ সেন্টারে জমা পড়েছে ১০৮২টি। এসব ঘটনার মধ্যে আরও রয়েছে অনলাইনে বিনিয়োগ সংক্রান্ত প্রতারণা ৩২১টি, চাকরির প্রতারণা ৪৯টি, ঋণ দেওয়ার প্রতারণা ৩২টি, এনআইডি সংশোধনের নামে ১১টি, মোবাইল ফোন রিচার্জ অথবা ডাটা কেনার নামে ৬৮টি অভিযোগ।   এছাড়াও রয়েছে দরবেশ সেজে, বাড়ি ভাড়া দেওয়ার নামে, পাসপোর্ট করানোর নামে, বৃত্তি দেওয়ার নামে, দামি পার্সেল পাঠানোর নামে, বিভিন্ন টিকিট বিক্রি, ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে আয়, প্রেমের নামে যৌনফাঁদ পেতে প্রতারণার ঘটনাও।  এসব ঘটনায় অপরাধীদের অন্যতম কৌশল হলো- বড় অংকের টাকা না নিয়ে বরং ছোট অংকের (৫০০ – ১০০০) টাকা অনেক বেশি মানুষের কাছ থেকে হাতিয়ে নেওয়া। এতে ক্ষতির মাত্রা কম হওয়ায় অনেকে আইনি ব্যবস্থা নিতে থানায় কিংবা আদালতে যান না। আর এতেই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায় অপরাধীরা।   বহুল সংঘটিত অপরাধের মধ্যে রয়েছে প্রেমের নামে যৌনফাঁদে ফেলেও অনেকের কাছ থেকে টাকা আদায় করা। প্রথমে সম্পর্ক তৈরির মাধ্যমে একান্ত ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করা হয়। পরে সেগুলো ছেড়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা আদায়ের পাঁয়তারা চলে। নারী-পুরুষ উভয়েই এ ধরনের ফাঁদে পড়ছেন। একবার কারো থেকে টাকা আদায় করতে পারলে বার বার টাকার জন্য চাপ দেয় অপরাধীরা।    গ্রাহকদের ভাষ্য, হয়রানির শিকার হয়ে কোম্পানিগুলো এবং আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে অভিযোগ জানালেও মামলা না করার অযুহাতে ব্যবস্থা নেওয়া হয় না।  গত ২৫ ফেব্রুয়ারি অনলাইনে মোবাইল ফোন কিনতে গিয়ে প্রতারণার শিকার হয়ে ৬৮ হাজার ৫০০ টাকার ক্ষতির মুখে পড়েছেন জনৈক ওসামা বিন ওবায়েদ সাব্বির। পল্টন থানার জিডি নম্বর: ১৭৭৬। এ ঘটনার ৬ মাস পেরিয়ে গেলেও পুলিশ অপরাধী চক্রকে গ্রেফতার করতে পারেনি। থানায় অভিযোগের পর তিনি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগেও তিনি অভিযোগ দিয়েছেন। তাতেও কাজ হয়নি।  এদিকে হুন্ডি, অনলাইন গ্যাম্বলিং, গেমিং, বেটিং, ফরেক্স এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি ট্রেডিংয়ের মাধ্যমে সংঘটিত অবৈধ লেনদেন বৃদ্ধি পাওয়ায় সচেতনতামূলক নির্দেশনা রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পর্যবেক্ষণ বলছে, ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেমকে কাজে লাগিয়ে এসব অপরাধ হুন্ডি প্রক্রিয়াকে সহজ ও ত্বরান্বিত করছে। এর ফলে একদিকে মুদ্রা পাচার বেড়ে যাচ্ছে এবং অন্যদিকে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা হারাচ্ছে দেশ। এর ফলশ্রুতিতে দেশের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।  অনলাইন গ্যাম্বলিং, গেমিং, বেটিং, ফরেক্স এবং ক্রিপ্টোকারেন্সি ট্রেডিংয়ে পেমেন্টের মাধ্যম হিসেবে যেন মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) হিসাবগুলো ব্যবহৃত হতে না পারে সেজন্য সংস্থাগুলোর প্রতি তাগিদ আছে বাংলাদেশ ব্যাংকের। তবে বিকাশ, নগদ, ইউপেসহ এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর তৎপরতাও সেভাবে দেখা যায় না।

আজকের সংবাদ, রাজনীতি

‘জাতীয় পার্টিকে রক্ষার দায়িত্ব এখন বিএনপির’

নিজস্ব প্রতিবেদক: নানা ইস্যুতে নানা মহলে যখন জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধের দাবি, ঠিক তখনই বোমা ফাটালেন দলটির মহাসচিব শামীম হায়দার পাটোয়ারী। তিনি বললেন, দেশ, রাজনীতির ও গণতন্ত্রের স্বার্থে এখন জাতীয় পার্টিকে রক্ষার দায়িত্ব বিএনপিকে পালন করতে হবে।   সম্প্রতি একটি টেলিভিশন টক শো’তে অংশ নিয়ে এই মন্তব্য করেন জাপা মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘এখন জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার কথা বলছে অনেকে। যদিও ব্যাপারটা স্তিমিত হয়ে যাচ্ছে। আমরা ধন্যবাদ জানাই বিএনপিকে, যে তারা এই ফাঁদে পা দেয়নি। এখন পর্যন্ত দেয়নি। ভবিষ্যতে কী করবে জানি না।’ বিএনপির এই ফাঁদে পা না দেওয়া দরকার কেন, তার যুক্তিতে শামীম পাটোয়ারী বলেন, ‘আওয়ামী লীগ ব্যান আছে, জাতীয় পার্টিও যদি ব্যান হয়ে যায়, তাহলে ভোটের মাথায় কে থাকবে? মূলত তিনটি দল। তখন প্র্যাকটিক্যালি আসনগুলো ভাগ হয়ে যাবে। ২০০ বিএনপি, ৫০ অমুক, ৫০ অমুক।’ তিনি সতর্ক করে দেন, ‘বাকি দলগুলো তখন বিএনপিকে বলবে, আমাদের আরও ১০০ আসন না দিলে আমরা ভোটে যাবো না। বিএনপি তখন পাপেট হয়ে যাবে। পলিটিক্যাল পাপেট হতে বাধ্য হবে। সো, গণতন্ত্রের স্বার্থে এখন জাতীয় পার্টিকে রক্ষা করার দায়িত্ব বিএনপির।’ রাজনীতিতে কুলিং পিরিয়ড দরকার উল্লেখ করে শামীম পাটোয়ারী বলেন, ‘বিএনপি সে দায়িত্ব পালন করলে আমি মনে করি দেশের মঙ্গল, বিএনপির মঙ্গল, সবার মঙ্গল। জিয়াউর রহমান এই কাজটা ক্ষমতায় এসে করেছিলেন। সব দলকে রিভাইভ করেছিলেন।’ তিনি বলেন, ‘যদি ২০০৬ সালে আওয়ামী লীগ ভোটে চলে আসত, তাহলে বিএনপির ওপর ইমিডিয়েটলি দুর্বিষহ নির্যাতন হতো। কারণ তার আগে ২১ আগস্ট ঘটেছে, যে ২১ আগস্ট নিয়ে সংসদে বলা হয়েছে ভেনিটি ব্যাগে করে গ্রেনেড আনা হয়েছে। কিন্তু দুই বছরের কুলিংয়ের পরে ভোট হয়েছে। আওয়ামী লীগ কিন্তু আটের ভোটের পরেই ইমিডিয়েট বিএনপির ওপর টর্চার করেনি। টর্চার শুরু হয়েছে আরও পরে। এটা কুলিং পিরিয়ড। এই কুলিং পটটা মনে হয় বাংলাদেশে খুবই দরকার।’ সেনাপ্রধান ক্ষমতা নিতে চান না জানিয়ে শামীম পাটোয়ারীর দাবি, ‘ক্ষমতা নেওয়ার ব্যাপারে বা ইমারজেন্সির ব্যাপারে ওনার (সেনাপ্রধান) কোনো আগ্রহ নেই। উনি যদি ক্ষমতা নিতে চাইতেন, তাহলে ৫ আগস্টই তা করতে পারতেন। অর্মত্য সেন কিন্তু প্রশংসা করেছে সেনাপ্রধানের, যে উনি ৫ তারিখে ক্ষমতা নেননি।’ তিনি বলেন, ‘যদি ২০০৬ সালে আওয়ামী লীগ ভোটে চলে আসত, তাহলে বিএনপির ওপর ইমিডিয়েটলি দুর্বিষহ নির্যাতন হতো। কারণ তার আগে ২১ আগস্ট ঘটেছে, যে ২১ আগস্ট নিয়ে সংসদে বলা হয়েছে ভেনিটি ব্যাগে করে গ্রেনেড আনা হয়েছে। কিন্তু দুই বছরের কুলিংয়ের পরে ভোট হয়েছে। আওয়ামী লীগ কিন্তু আটের ভোটের পরেই ইমিডিয়েট বিএনপির ওপর টর্চার করেনি। টর্চার শুরু হয়েছে আরও পরে। এটা কুলিং পিরিয়ড। এই কুলিং পটটা মনে হয় বাংলাদেশে খুবই দরকার।’ সেনাপ্রধান ক্ষমতা নিতে চান না জানিয়ে শামীম পাটোয়ারীর দাবি, ‘ক্ষমতা নেওয়ার ব্যাপারে বা ইমারজেন্সির ব্যাপারে ওনার (সেনাপ্রধান) কোনো আগ্রহ নেই। উনি যদি ক্ষমতা নিতে চাইতেন, তাহলে ৫ আগস্টই তা করতে পারতেন। অর্মত্য সেন কিন্তু প্রশংসা করেছে সেনাপ্রধানের, যে উনি ৫ তারিখে ক্ষমতা নেননি।’

আজকের সংবাদ, ফরিদগঞ্জ

লায়ন হারুনকে বিএনপির মনোনয়নের বৈধতার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন এমএ হান্নান!

নিজস্ব প্রতিবেদক: ২০০৮ ও ২০১৮ সালের বিএনপির মনোনয়নের বৈধতা নিয়ে চাঁদপুর-৪ ফরিদগঞ্জ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির ব্যাংকিং ও রাজস্ব বিষয়ক সম্পাদক লায়ন মোহাম্মদ হারুনুর রশিদকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আলহাজ্ব এমএ হান্নান। রোববার (৩১ আগস্ট ২০২৫) বিকালে রূপসা দক্ষিণ ইউনিয়নের গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত ডিগ্রি কলেজ মাঠে তারুণ্যের সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমএ হান্নান বলেন, আজ তার জন্মস্থানে এসে আমি প্রকাশ্যে এইকথা বলছি তিনি কিভাবে দলীয় মনোনয়ন পেয়েছেন, তার শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনে তার দলীয় পদপদবির অতীত ইতিহাস নিয়ে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করুক। তিনি উড়ে এসে জুড়ে বসেছেন। কিন্তু এবার আর কোন সুযোগ নেই। কারণ এবার এইচটি ইমাম, শেখ হাসিনা এবং ছুহুল হোসেন নেই। যাদেরকে দিয়ে তিনি রাতের আঁধারে মনোনয়নপত্র বৈধ করেছেন এবং এমপি হয়েছেন। লায়ন মো. হারুনুর রশিদের বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটিতে ব্যাংকিং ও রাজস্ব বিষয়ক পদ ব্যবহার করার যোগ্যতা নেই। কারন তিনি ছাত্র রাজনীতি থেকে উঠে আসেনি। তিনি কিভাবে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির এ পদপদবির ব্যবহার করছেন ? যার বিএনপিতে অতীত ইতিহাস নেই, তিনি কিভাবে এই পদ পান ? জাতীয়তাবাদী আদর্শকে উজ্জীবিত করতে ও তারেক রহমান ঘোষিত ৩১দফা বাস্তবায়নে উপজেলা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল ও ছাত্রদলের যৌথ আয়োজনে এই তারুণ্যের সমাবেশে উপজেলা যুবদলের সভাপতি আমজাদ হোসেন শিপনের সভাপতিত্বে এমএ হান্নান আরো বলেন, আমার মামু লায়ন হারুন বলেন বেগম খালেদা জিয়া তাকে ২০০৮ সালে নমিনেশন দিয়েছেন। তিনিতো এবারো রয়েছেন, এবার তিনি সেই যোগ্যতা দেখাক। ২০১৮ সালে নির্বাচনে আমাকে এবং রিয়াজ উদ্দিন নসু ও কাজী রফিককে পর্যায়ক্রমে মনোনয়ন দেন। লায়ন হারুন ও মোতাহার পাটওয়ারীকে তালিকাতেই রাখেননি। তাই আপনি যদি সত্যিকারের দল করেন, বিএনপিকে ভালোবাসেন তাহলে একসাথে এসে রাজনীতি করেন। কিন্তু আপনি দলীয় কোন নেতার নির্দেশে ফরিদগঞ্জে এসে দলকে বিভক্ত করছেন, আমি আপনাদের মাধ্যমে সেই নেতার নাম জানতে চাচ্ছি। আমরা শহীদ জিয়ার দল করি। তাই বেগম জিয়া এবং তারেক রহমানের ৩১ দফার বাস্তবায়নে আপনারা যারা যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক ও ছাত্রদল করেন, তারা আগামীদিন গুলোতে তারুণ্যের সমাবেশে দলীয় নেতাকর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করুণ। সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপজেলা বিএনপির যুগ্মআহ্বায়ক মজিবুর রহমান দুলাল, সাবেক মেয়র মঞ্জিল হোসেন, ডা. আবুল কালাম আজাদ, পৌর বিএনপির আহ্বায়ক আমানত হোসেন গাজী, উপজেলা বিএনপির যুগ্মআহ্বায়ক আব্দুল খালেক পাটওয়ারী, মহসীন মোল্লা, নজরুল ইসলাম নজু, উপজেলা যুব দলের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম নান্টু, পৌর যুবদলের সভাপতি ইমাম হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আক্তার হোসেন, সদস্য সচিব ফারুক হোসেন, পৌর স্বেচ্ছাসেবক আহ্বায়ক আরিফ পাটওয়ারী, সদস্য সচিব রুবেল হোসেন, ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান মঞ্জুর, সদস্য সচিব শাওন চৌধুরী প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

আজকের সংবাদ, ফরিদগঞ্জ

ফরিদগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে মাদক কারবারি আটক 

নিজস্ব প্রতিবেদক: ফরিদগঞ্জে যৌথ বাহিনীর অভিযানে মোঃ শাহাদাত হোসেন (২৪) নামে মাদক কারবারি আটক হয়েছে। সোমবার (০১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে চাঁদপুর আর্মি ক্যাম্প থেকে এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।  প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, স্থানীয়দের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ সকাল সাড়ে ৮ টার দিকে উপজেলার বিশকাটালি এলাকা থেকে মাদক কারবারি শাহাদাতকে আটক করা হয় । এ সময় তার কাছ থেকে ২০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, নগদ ৭ হাজার ৯৪০ টাকা ও দুটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। চাঁদপুর আর্মি ক্যাম্পের অপারেশনাল অফিসার লেফটেন্যান্ট মানজুরুল হাসান খান বলেন, পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করার জন্য আটক ব্যক্তি ও মাদক দ্রব্য ফরিদগঞ্জ থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। গেল বছর ৪ সেপ্টেম্বর থেকে যৌথ বাহিনীর নেতৃত্বে চাঁদপুর জেলার সকল দুষ্কৃতিকারী, সন্ত্রাসী, মাধক কারবারি, চাঁদাবাজ এবং অবৈধ অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আজকের সংবাদ, চাঁদপুর

চাঁদপুরে শ্রেণিকক্ষে মোবাইল নিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন না শিক্ষকরা

নিজস্ব প্রতিবেদক: অংশীজনদের সর্বসম্মতিক্রমে ‘কোনও শিক্ষার্থী নিজ বিদ্যালয়ে মোবাইল ফোন আনতে পারবে না এবং কোনও শিক্ষক মোবাইল নিয়ে শ্রেণিকক্ষে প্রবেশ করতে পারবে না’ সহ ১৩ নির্দেশনা অনুসরণ করার জন্য চাঁদপুরের শিক্ষা সংশ্লিষ্ট দফতরে চিঠি দিয়েছেন জেলা প্রশাসক। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) জেলার মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষরিত এক পত্রে ১৩ নির্দেশনা প্রতিপালনের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা প্রশাসক (ডিসি) মোহাম্মদ মোহসীন উদ্দিন। সর্বশেষ এ বছর এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয়ের পর চাঁদপুর জেলার সর্বমহলে শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে এবং এমন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। জেলা প্রশাসক বলেন, জেলার মাধ্যমিক পর্যায়ে শিক্ষার মানোন্নয়নে করণীয় নির্ধারণের নিমিত্তে গত ১২ আগস্ট শিক্ষক, শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষানুরাগী ব্যক্তি এবং শিক্ষা সংশ্লিষ্ট দফতরের প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান বৃদ্ধির জন্য এসব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়। সিদ্ধান্তগুলো হলো- কোনও শিক্ষার্থী নিজ বিদ্যালয়ে মোবাইল ফোন আনতে পারবে না এবং কোন শিক্ষক মোবাইল নিয়ে শ্রেণি কক্ষে প্রবেশ করতে পারবে না। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শতভাগ শিক্ষার্থী উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। কোনও শিক্ষার্থী একাধারে ৩ দিন অনুপস্থিত থাকলে অভিভাবকের সঙ্গে যোগাযোগ করে প্রয়োজনে তার বাড়ি পরিদর্শন করতে হবে। শিক্ষকরা শ্রেণিকার্যক্রম শুরুর ন্যূনতম ১৫ মিনিট আগে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হবেন এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান তা নিশ্চিত করবেন। নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না হলে বিধিমতে ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। শ্রেণিকার্যক্রম শুরুর আগে কোনও শিক্ষক প্রাইভেট পড়াতে পারবে না। ‘শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য বন্ধ নীতিমালা-২০১২ অনুসরণ করতে হবে। শ্রেণিকক্ষে পাঠদানকে গুরুত্ব প্রদান করতে হবে। প্রতি মাসে শ্রেণিভিত্তিক অভিভাবক সমাবেশ বা প্যারেন্টস ডে আয়োজন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের নিয়মিত হোমওয়ার্ক প্রদান করতে হবে এবং ক্লাসে হোমওয়ার্ক জমাদানে ছাত্রছাত্রীদের বাধ্য করতে হবে। বিদ্যালয়ের ডিজিটাল ল্যাব এবং অন্য সরঞ্জামের ব্যবহার বৃদ্ধি করতে হবে। শ্রেণি কার্যক্রমের জন্য শিক্ষক নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট বিষয়ের দক্ষতাকে একমাত্র মাপকাঠি হিসেবে বিবেচনা করতে হবে। বিষয়ভিত্তিক ক্লাস টেস্ট নিয়মিত গ্রহণ করতে হবে। মাসে কমপক্ষে দুই বার প্রতি বিষয়ে ক্লাস টেস্ট নিতে হবে। সিলেবাস, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বিদ্যালয়ের উদ্যোগে প্রণয়ন করতে হবে। বাড়ি থেকে দুপুরের খাবার অর্থাৎ হালকা নাশতা প্রদানের জন্য অভিভাবকদের উৎসাহিত করতে হবে। প্রতিদিন টিফিন ব্রেকের পর হাজিরা গ্রহণ করতে হবে। টিফিন ব্রেকের পর অনুপস্থিতির তথ্য অভিভাবককে জানাতে হবে। শ্রেণিকক্ষে আসন সংখ্যার বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি করা যাবে না। জেলা প্রশাসক আরও বলেন, প্রথমত শিক্ষার্থীদের নৈতিক শিক্ষা দিতে হবে। পাশাপাশি শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখতে হবে। ন্যূনতম এই ১৩ নির্দেশনা প্রতিপালন করলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শৃঙ্খলা ও গুণগত মান অনেকটা নিশ্চিত হবে।

আজকের সংবাদ, চাঁদপুর

তমা কনস্ট্রাকশনের গা ঢাকায় কাজ বন্ধ চাঁদপুর নৌ বন্দরের!

নিজস্ব প্রতিবেদক: চাঁদপুর আধুনিক নৌ বন্দরের নির্মাণাধীন কাজের প্রকল্প ব্যয় বাড়িয়ে দেওয়ার পরও এক বছরের অধিককাল যাবত কাজ বন্ধ করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান গা ঢাকা দিয়ে রয়েছে। এ নৌ বন্দরটির কাজের প্রকল্প ব্যয় ২৬ কোটি টাকা বাড়িয়েও দেওয়ার হলেও দক্ষিণাঞ্চলের গুরুত্বপূর্ণ চাঁদপুরের আধুনিক নৌ বন্দরের নির্মাণ কাজ বন্ধ করে রেখেছে তমা কনস্ট্রাকশন নামে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হলেও কাজ হয়েছে মাত্র ২৫ শতাংশ। বন্দরের অবকাঠামো না থাকায় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রী সাধারণের। তবে এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন আবারও নতুন ঠিকাদার নিয়োগ হবে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, দুই বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের কাজ এক বছর তিন মাস ধরে বন্ধ। ২০১৬ সালের ১০ নভেম্বর একনেকে অনুমোদন পায় ‘চাঁদপুর আধুনিক নৌ-টার্মিনাল নির্মাণ প্রকল্প’। বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে প্রথম পর্যায়ে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয় ৬৭ কোটি টাকা। পরবর্তীতে এটির ব্যয় বাড়িয়ে করা হয় ৯৩ কোটি ৪৩ লাখ ৫৪ হাজার টাকা। ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে বিশ্বব্যাংক ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের পরামর্শ অনুযায়ী বিকল্প পদ্ধতি ব্যবহার করে পাইলিং এর কাজ শুরু করা হয়। তবে পাইলিং কাজ শেষ হলেও অর্থাভাবে নির্দিষ্ট সময়ে হয়ে উঠছে না বন্দরের নির্মাণকাজ। ফলে গত জুন মাস থেকে প্রায় ১ বছর ৩ মাস যাবত নৌ-বন্দর নির্মাণকাজ বন্ধ রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। ঢাকা-চাঁদপুরসহ দেশের বিভিন্ন রুটে প্রতিদিন অর্ধশতাধিক লঞ্চ যাতায়াত করে এ বন্দরটি দিয়ে। দেশের অন্যতম নৌরুট হলেও কাজ চলমান থাকায় নেই যাত্রী ছাউনি, বসার ব্যবস্থা ও টয়লেট। যাত্রী সেবায় দ্রুত এই নৌ বন্দরের কাজ শেষ করার দাবি জানিয়েছেন যাত্রী ও লঞ্চ মালিকপক্ষ। নৌ-ঘাটের লঞ্চ মালিক প্রতিনিধি আলী আজগর সরকার জানান, দেশের দ্বিতীয় নদী বন্দর চাঁদপুর, কিন্তু সেই ভাবে অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে লঞ্চঘাটের কাজ চলমান। পাইলিংয়ের কাজ শেষ হতে না হতেই এখন আবার পুরোপুরি কাজ বন্ধ। আমরা জানতে পেরেছি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান এখানে বরাদ্দকৃত অর্থ না পাওয়ার কারণে কাজ করতে পারছে না। দ্রুত সময়ের মধ্যে বন্দর নির্মাণকাজ করার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাচ্ছি। তমা কনস্ট্রাকশন নামে ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কর্মী মোশারফ হোসেন বলেন, আমি চাঁদপুর আধুনিক নৌ টার্মিনালের কাজ ও মালামাল দেখাশোনা করি। এখানে এক মাসের বেশি সময় ধরে এসেছি, তখন থেকে দেখে আসছি কাজ বন্ধ। কবে নাগাদ কাজ শুরু হবে আমার জানা নেই। বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) চাঁদপুর কার্যালয়ের উপপরিচালক (বন্দর) বসির আলী খান বলেন, আগে যে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ করেছে, তাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। নতুন করে আবার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নিয়োগ করবে মন্ত্রণালয়। নতুন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এলে আবার হয়ত বরাদ্দ দিয়ে দ্রুত কাজ শুরু হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আজকের সংবাদ, চাঁদপুর

লক্ষ্মীপুরে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হলেন সাখাওয়াত জামিল সৈকত

নিজস্ব প্রতিবেদক: চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও ) সাখাওয়াত জামিল সৈকতকে বদলী করা হয়েছে। বুধবার (২৭ আগস্ট ) জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের উপ-সচিব আমিনুল ইসলামের স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে সদর ইউএনও সাখাওয়াত জামিল সৈকতকে লক্ষ্মীপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে বদলী করা হয়। জানা গেছে,বিগত সরকারের আমলে তিনি ২০২৩ সালের ১৭ আগস্ট চাঁদপুর সদরে যোগদান করেছেন। তিনি বিসিএস ব্যাচ ৩৫-এর কর্মকর্তা। এর আগে তিনি তিনি ঢাকার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সিনিয়র সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি কবি ও লেখক হিসেবেও পরিচিত; তার লেখা “অচেনা যাদুকর” ও “জলপাই ভালোবাসা” শীর্ষক বই রয়েছে। প্রসঙ্গত, গতকাল বুধবার (২৭ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের উপসচিব আমিনুল ইসলামের স্মাক্ষতির পত্রে ১৭ জন উপজেলা নির্বাহী অফিসার থেকে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক পদে পদোন্নতি করা হয়। ওই পত্রেই চাঁদপুর সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার সখাওয়াত জামিল সৈকতকে লক্ষ্মীপুর জেলার অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে পদায়িত করা হয়েছে।

আজকের সংবাদ, ফরিদগঞ্জ

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় ফরিদগঞ্জের এক যুবকের মৃত্যু!

নিজস্ব প্রতিবেদক: সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় কামরুল হাসান (৩৪) নামের এক যুবক নিহত হয়েছেন। নিহত কামরুল চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৬ নম্বর গুপ্টি পশ্চিম ইউনিয়নের খাজুরিয়া গ্রামের মৃত আনসার আলীর ছোট ছেলে। মঙ্গলবার ২৬ আগস্ট স্থানীয় সময় রাত ১১টার দিকে রিয়াদের মালাজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। বর্তমানে সৌদি আরবে অবস্থানরত নিহতের নিকটজন ফরিদগঞ্জের ষোলদানা এলাকার প্রবাসী মানিক হোসেন জানান, প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে কামরুল হাসান ফুড ডেলিভারি দেওয়ার জন্য যাচ্ছিলেন। হঠাৎ বাইকের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বড় একটি পণ্যবাহী ট্রাকের নিচে চলে যান তিনি। এতে তাঁর একটি পা ভেঙে যায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন। পরে স্থানীয়রা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে মরদেহ মালাজ কেয়ার মেডিকেল সেন্টারের হিমাগারে রাখা হয়েছে। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ দেশে পাঠানোর চেষ্টা চলছে। নিহতের চাচা রাজু তপদার জানান, এলাকাবাসীর কাছে কামরুল ‘কামু’ নামেই বেশি পরিচিত ছিলেন। তিন ভাই-বোনের মধ্যে কামরুল সবার ছোট ছিলেন। ২০২১ সালে তিনি বিয়ে করেন এবং বছরখানেক পর প্রবাসে যান। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে দেশে এসে দুই মাস অবস্থান করেছিলেন। সে সময় তাঁর বাবা মারা যান। প্রায় তিন মাস আগে আবার সৌদি আরবে ফেরেন তিনি। তাঁর দুই বছরের একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।

Scroll to Top