২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Author name: Farid Ahmed

আজকের সংবাদ, ফরিদগঞ্জ

ফরিদগঞ্জে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস পালিত

নিজস্ব প্রতিবেদক: ফরিদগঞ্জে শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার( ১৪ ডিসেম্বর) চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে ইউএনও সুলতানা রাজিয়ার সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, সহকারি কমিশনার (ভুমি) এ আর এম জাহিদ হাসান, থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ শাহ্ আলম, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমাণ্ডার শাহাদাত হোসেন সাবু পাটওয়ারী, বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ, প্রেসক্লাবের সভাপতি মামুনুর রশিদ পাঠান, উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মাহমুদুল হাসান, ইউআরসি ইন্সট্রাক্টর তারেক নাথ মল্লিক, ্আবিদুর রেজা পাইলট মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হসিনা আক্তার প্রমুখ। আলোচনা শেষে শহীদ বুদ্ধিজীবির স্মরণে দোয়া ও মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতির বক্তব্যে ইউএনও সুলতানা রাজিয়া বলেন, বুদ্ধিজীবি দিবসের তাৎপর্য নুতন প্রজন্মের সকলের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।একটি জাতিকে মেধাহীন করার জন্য হানাদার বাহিনী ও তার দোসররা ১৪ডিসেম্বর এই ঘৃণ্য কাণ্ড ঘটিয়েছিল। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি দখলদার বাহিনী তাদের এদেশীয় সহযোগীদের সহায়তায় আমাদের বুদ্ধিজীবীদের একটি বড় অংশকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করে। সে বছর মার্চ মাসে মুক্তিযুদ্ধের সূচনা–মুহূর্তেও তারা অনেক বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করেছিল। ১৯৭১ সালে আমাদের বিজয়ের আগমুহূর্তে যখন দখলদার পাকিস্তানি বাহিনী বুঝতে পারে যে তাদের পরাজয় অনিবার্য, তখন তারা তালিকা করে জাতির বরেণ্য সন্তানদের হত্যার জন্য ঘাতক বাহিনী আলবদর-আলশামসকে লেলিয়ে দেয়। তারা মার্চের নৃশংসতার পুনরাবৃত্তি করে ডিসেম্বরে। পরাজয়ের আগ মুহূর্তে চূড়ান্ত আঘাত হানে অদূর ভবিষ্যতের স্বাধীন বাংলাদেশকে মেধা শূন্য করার অভিপ্রায়ে। মুক্তিযুদ্ধের প্রথম প্রহর থেকে বিজয়ের আগমুহূর্ত পর্যন্ত যেসব বরেণ্য বুদ্ধিজীবীকে আমরা হারিয়েছি, তাঁদের মধ্যে আছেন অধ্যাপক গোবিন্দ চন্দ্র দেব, মুনীর চৌধুরী, জ্যোতির্ময় গুহঠাকুরতা, ড. মোফাজ্জল হায়দার চৌধুরী, রাশীদুল হাসান, ড. আনোয়ার পাশা, সিরাজুদ্দীন হোসেন, শহীদুল্লা কায়সার, নিজামুদ্দীন আহমদ, গিয়াসউদ্দিন আহমদ, ডা. ফজলে রাব্বী, ডা. আলীম চৌধুরী, আ ন ম গোলাম মোস্তফা, সেলিনা পারভীন প্রমুখ।

আজকের সংবাদ, রাজনীতি

দল গঠনের কাজ শুরু করছে জাতীয় নাগরিক কমিটি

ঢাকা: তারুণ্যনির্ভর একটি নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের কাজ শুরু করছে জাতীয় নাগরিক কমিটি। এই লক্ষ্য সামনে রেখে সারা দেশে সংগঠন গোছাচ্ছে তারা। এখন চলছে থানা ও উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠনের কাজ। জাতীয় নাগরিক কমিটির পাশাপাশি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনও সাংগঠনিক কাজে তৎপর হয়েছে। তারাও জেলা পর্যায়ে কমিটি দেওয়া শুরু করেছে। কমিটি গঠনের পাশাপাশি দুটি সংগঠনের নেতারা জাতীয় বিভিন্ন বিষয়ে প্রায় নিয়মিত বক্তব্য-বিবৃতি দিচ্ছেন। বিভিন্ন সভা-সেমিনারে অংশ নিচ্ছেন। পাশাপাশি সংগঠন দুটির প্রতিনিধিরা বিভিন্ন জেলা সফর করছেন। এর মধ্যে জাতীয় নাগরিক কমিটি বিভিন্ন জেলায় মতবিনিময় করছে। পাশাপাশি দুই সংগঠনই নিজেদের সাংগঠনিক কাঠামো ইতিমধ্যে পুনর্গঠন করেছে। দুটি সংগঠনের কার্যক্রম এখন পরিচালিত হচ্ছে রাজধানীর বাংলামোটরের রূপায়ণ ট্রেড সেন্টারের পৃথক কার্যালয় থেকে। জাতীয় নাগরিক কমিটিতে দুই দফায় সদস্য বেড়ে এখন ১০৭ জনে দাঁড়িয়েছে। সর্বশেষ ৯ ডিসেম্বর সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠন করে আটজনকে যুগ্ম আহ্বায়ক, আটজনকে যুগ্ম সদস্যসচিব, পাঁচজনকে সহমুখপাত্র, চারজনকে যুগ্ম মুখ্য সংগঠক এবং ১৪ জনকে সংগঠক করা হয়। পাশাপাশি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা সারজিস আলমকে জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখ্য সংগঠক মনোনীত করা হয়েছে। সারা দেশকে ২০টি জোনে (এলাকা) ভাগ করে সংগঠকদের মধ্যে দায়িত্ব ভাগ করে দিয়েছে নাগরিক কমিটি। জাতীয় নাগরিক কমিটির কেন্দ্রীয় সদস্য পদে ধর্মভিত্তিক ছাত্রসংগঠন ও বামপন্থী বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের সাবেক নেতারাও রয়েছেন। গত জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মূল নেতৃত্বে ছিলেন সমন্বয়কেরা। প্রথমে ৬৫ জন কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক-সহসমন্বয়কের একটি টিম ছিল। পরে ১৫৮ জনের টিম করা হয়। গত ২২ অক্টোবর সেই টিম বিলুপ্ত করে চার সদস্যের আহ্বায়ক কমিটি করা হয়। এরপর ২১ নভেম্বর ১৮ সদস্যের নির্বাহী কমিটি করা হয়। এখন নির্বাহী কমিটির সদস্য ২২ জন। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে গত ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়। এই অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেয় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। অভ্যুত্থানের শক্তিকে সংহত করে দেশ পুনর্গঠনের লক্ষ্যে অভ্যুত্থানের নেতাদের উদ্যোগে গত ৮ সেপ্টেম্বর জাতীয় নাগরিক কমিটির যাত্রা শুরু হয়। এই দুই প্ল্যাটফর্মের নেতাদের সমন্বয়ে নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করা নিয়ে আলোচনা চলছে। তবে রাজনৈতিক দল হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে আরও দু-তিন মাস লাগতে পারে। গত ৮ নভেম্বর রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানায় ‘প্রতিনিধি কমিটি’ গঠনের মধ্য দিয়ে সাংগঠনিক বিস্তৃতি শুরু হয় জাতীয় নাগরিক কমিটির। এখন পর্যন্ত দেশের ৬৭টি থানা ও উপজেলায় তারা প্রতিনিধি কমিটি করেছে। এর মধ্যে ঢাকার বিভিন্ন থানায় ২১টি কমিটি করা হয়েছে। ঢাকার থানা কমিটিগুলোর মধ্যে যাত্রাবাড়ী, হাতিরঝিল, ধানমন্ডি, কলাবাগান, মিরপুর, গুলশান ও তুরাগ অন্যতম। ঢাকার বাইরে বিভিন্ন থানা ও উপজেলায় এখন পর্যন্ত ৪৬টি কমিটি করা হয়েছে। এর মধ্যে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা, সিদ্ধিরগঞ্জ ও সোনারগাঁ, খুলনা সদর, নেত্রকোনা সদর, কক্সবাজার সদর, কুষ্টিয়া সদর, বরিশালের বাকেরগঞ্জ, কুমিল্লার মুরাদনগর, টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর, বাগেরহাটের ফকিরহাট ও বগুড়ার সারিয়াকান্দি থানা কমিটি অন্যতম। একেক জায়গায় কমিটির আকার একেক রকমের। জেলা কমিটি এখনো ঘোষণা করা হয়নি। প্রতিনিধি কমিটির সদস্যদের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ বয়সসীমা ৫০ বছর নির্ধারণ করা হয়েছে। শিক্ষক, আইনজীবী, লেখক, চিকিৎসক, প্রকৌশলী থেকে গৃহিণীরা রয়েছেন এসব কমিটিতে। তরুণ নেতৃত্বের সমন্বয়ে কমিটিগুলো করা হচ্ছে। এই কমিটিগুলো ৬০ দিনের মধ্যে আহ্বায়ক কমিটিতে রূপান্তরিত হবে। চলতি ডিসেম্বর মাসের মধ্যেই দেশের সব থানা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রতিনিধি কমিটি গঠনের পরিকল্পনা আছে এবং সেই লক্ষ্যে কাজ এগোচ্ছে বলে প্রথম আলোকে জানান জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্তা শারমিন। তিনি বলেন, কমিটি গঠনের পাশাপাশি গঠনতন্ত্র প্রণয়নের কাজ অনেকটা এগিয়েছে। এ জন্য একটি কমিটি কাজ করছে। সবার মতামত নিয়েই গঠনতন্ত্র প্রণয়নের কাজটি চূড়ান্ত করা হবে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দেওয়া হলেও জাতীয় নাগরিক কমিটির মাধ্যমে নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের কাজ চলছে। এই দল আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেবে। তবে দলটি ভিন্ন নামে করা হবে বলে জাতীয় নাগরিক কমিটির একাধিক সূত্র প্রথম আলোকে জানিয়েছে। ওই সূত্রগুলো বলছে, দল ঘোষণার পরও জাতীয় নাগরিক কমিটি একটি ‘সিভিল পলিটিক্যাল প্ল্যাটফর্ম’ হিসেবে বহাল থাকবে। দলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কবে দেওয়া হবে, সে বিষয়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। জাতীয় নাগরিক কমিটির মুখপাত্র সামান্তা শারমিন প্রথম আলোকে বলেন, দলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য আরও দু-তিন মাস সময় লাগতে পারে। সাংগঠনিক ভিত্তিটা শক্তিশালী করার পর দল ঘোষণার কথা ভাবা হচ্ছে।

আজকের সংবাদ, জাতীয়

সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী মহার্ঘ ভাতা পাবেন

ঢাকা: সব সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী মহার্ঘ ভাতা পাবেন। একই সঙ্গে পেনশনভোগীরাও পাবেন এই সুবিধা। এর ফলে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা মূল বেতনের সঙ্গে আরও কিছু আর্থিক সুবিধা পাবেন।আজ রোববার সচিবালয়ে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব মো. মোখলেস উর রহমান। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব বলেন, এই লক্ষ্যে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। এ বিষয়ে কমিটি সুপারিশ দেবে।

Uncategorized

সুবিদপুরে সমাজসেবক ফারুক মোল্লার শীতবস্ত্র বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক: চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৩নং সুবিদপুর পূর্ব ইউনিয়নে বিশিষ্ট সমাজসেবক বাংলাদেশ কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সৌদি আরব দাম্মাম প্রাদেশিক বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব ফারুক হোসেন মোল্লা রিপনের নিজস্ব অর্থায়নে গরীব দুঃখী মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। ১৩ ডিসেম্বর শুক্রবার বিকেলে ইউনিয়নের বড়গাঁও মাঠে শীতবস্ত্র বিতরণে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির ব্যাংকিং ও রাজস্ব বিষয়ক সম্পাদক এবং ফরিদগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য লায়ন হারুনুর রশিদ। এসময় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা যুবদলের সাবেক আহবায়ক নাছির উদ্দিন , যুগ্ম আহবায়ক ফজলুর রহমান , দাম্মাম প্রাদীশিক বিএনপির সহ-সভাপতি সুমন তালুকদার, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলাম মাষ্টার, সাধারণ সম্পাদক আশ্রাফ খান, উপজেলা বিএনপির সদস্য হানিফ মুন্সি, মাহবুব মোরশেদ কচি। এসময় উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি নেতা নুরুল ইসলাম কাজী, নয়ন মিয়া, আব্দুর রহিম, জসিমউদদীন, নুরে আলম পাটোয়ারী কিরন, জামাল হোসেন, আরিফ হোসেন, যুবদলের নেতা মাহাবুবুল বাশার, দেওয়ান খোরশেদ প্রমুখ। উল্লেখ্য প্রতিবছরের ন্যায়ে বাংলাদেশ কৃষকদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সৌদি আরব দাম্মাম প্রাদেশিক বিএনপির সভাপতি আলহাজ্ব ফারুক হোসেন মোল্লা রিপনের নিজস্ব অর্থায়নে গরীব দুঃখী মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করে আসছেন। তবে এ বছর বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির কো-চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নির্দেশনায় আরো বিভিন্ন স্থানে কম্বল বিতরণ করা হবে বলে তিনি জানান।

আজকের সংবাদ, ফরিদগঞ্জ

ফরিদগঞ্জে খালের দুর্দশা ঘুরে দেখলেন ইউএনও

নিজস্ব প্রতিবেদক: চাঁদপুর সেচ প্রকল্প বাঁধের অভ্যন্তরস্থ খাল ও বোরোপিট খালসহ বিভিন্ন অব্যবস্থাপনা সরেজমিন পরিদর্শন করলেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা রাজিয়া। বৃহস্পতিবার ১২ ডিসেম্বার দুপুরে তিনি উপজেলার পাইকপাড়া উত্তর ও দক্ষিণ ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকায় গাড়ী ও পায়ে হেঁটে ঘুরে ঘুরে দেখেন। পরিদর্শনকালে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কল্লোল কিশোর সরকার, উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা নুরে আলম এবং ডাকাতিয়া নদী সিআইপি খাল খনন সংগ্রাম কমটির সদস্য রহিমা আক্তারর কলি উপস্থিত ছিলেন। পাইকপাড়া উত্তর ইউনিয়নের কড়ৈতলী বাজারে টপ সয়েল কেটে নিয়ে যাওয়া একটি ট্রাক্টর আটক করেন ইউএনও । পরে জয়শ্রি এলাকায় আবাদি জমি থেকে মাটি কেটে বিক্রিকালে তিনি উপস্থিত হলেও অন্যরা লোকজন পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় অবশ্য দুইজনকে উপজেলায় নিয়ে আসা হয়। এদিকে ইউএনও পায়ে হেঁটে চৌরঙ্গী, কাঁশারা, জয়শ্রি, পাইকপাড়া এলাকায় ঘুরে ঘুরে খাল দখল ও ভরাট হয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখেন। এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা রাজিয়া বলেন, চাঁদপুর সেচ প্রকল্প বাঁধের অভ্যন্তরস্থ খাল গুলোর অবস্থা পরিদর্শন কালে দুরাবস্থা চোখে পড়েছে। আমরা আরো কিছু স্থান পরিদর্শন করবো এবং সেচ প্রকল্প ভুক্ত সকল পর্যায়ের লোকজনকে নিয়ে পরামর্শক মুলক সভা আয়োজনের মাধ্যমে এই থেকে উত্তরণের পথ চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আজকের সংবাদ, রাজনীতি

বিজয় দিবসের কর্মসূচি ঘোষণা বিএনপির

ঢাকা: মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আগামী সোমবার (১৬ ডিসেম্বর) ঢাকা মহানগর (ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি) ছাড়া দেশব্যাপী সব জেলা ও মহানগরে বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা ও র‌্যালি অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিজয় দিবস উপলক্ষে ঢাকা মহানগর (ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ বিএনপি) ব্যতিরেকে দেশব্যাপী সব জেলা ও মহানগরে আলোচনা সভা ও র‌্যালি সফল করতে বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের সব পর্যায়ের নেতাকর্মীকে অনুরোধ করা হলো।

আজকের সংবাদ, রাজনীতি

বুদ্ধিজীবীদের হত্যাকারীদের এখনো চিহ্নিত করার সুযোগ রয়েছে : গোলাম পরওয়ার 

ঢাকা: শহীদ বুদ্ধিজীবীদের হত্যার প্রকৃত রূপ-রহস্য ঘেরা এবং এখনো প্রকৃত হত্যাকারীদের চিহ্নিত করার সুযোগ রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রটারি জেনারেল অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের অডিটরিয়ামে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি। শহীদ বুদ্ধিজীবীদের জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি বলেন, তাদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে আমরা মুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। যুগ যুগ ধরে জাতি তাদের অবদানের কথা স্মরণ করবে। ১৯৭১ সালে বুদ্ধিজীবীদের কারা হত্যা করল? স্বাধীনতার ৫৩ বছর পর আজও জাতির সামনে তা তুলে ধরা হয়নি। যারা বন্দুকের নলে দেশকে লিজ দিতে চেয়েছিল এবং বিদেশি আগ্রাসনের এই হত্যার পেছনে দায় রয়েছে। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সাংবাদিক, চিত্র নির্মাতা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা জহির রায়হানের নিখোঁজের প্রসঙ্গ টেনে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, মুক্তিযুদ্ধের লড়াই সংগ্রাম ও বুদ্ধিজীবীদের হত্যার ঘটনার ডকুমেন্টারি গবেষণার কাজে হাত দিয়েছিলেন। বিভিন্ন গ্রাম-গঞ্জে গিয়ে হত্যার কারণ, তথ্য-উপাত্ত ও প্রমাণ খুঁজে বের কর ছিলেন। জাতি ভেবেছিল জহির রায়হানের এই ডকুমেন্টারি প্রকাশ হলে অজানা তথ্য বেরিয়ে আসবে। তাই তাকে জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে আর খুঁজে পাওয়া গেল না। তার ডকুমেন্টারি কোথায় আজও তা জানা যায়নি। তিনি বলেন, আমাদের দেশের ভোটাধিকার এ দেশের মানুষ নির্ধারণ করবে। ১৪, ১৮ এবং ২৪ তিনটা ভোট আমরা দিতে পারিনি। এই তিনটা ভোটই জনগণ বর্জন করেছে। আর এই আধিপত্যবাদী শক্তি (ভারত) এ দেশে তাদের একজন সেবাদাস, দল দাসদের প্রলুব্ধ করে তাদের মনোনীত সরকারকে টিকিয়ে রেখেছে। জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের ৫৩ বছর পরও ভারত কখনো আমাদের বিশ্বস্ত বন্ধুর পরিচয় দিতে পারেনি। আমরা ভারতের শত্রু নই, বরং ভারতে বছরে বছরে যারা শাসন ক্ষমতায় এসেছেন তারা আমাদের শত্রুতা করেছে। তারা আমাদের ক্ষতি চেয়েছে, আমরা তাদের ক্ষতি চাইনি। ভারতকে উদ্দেশ করে অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বাংলাদেশের কানেক্টিভিটি, ইকোনমিক, বাংলাদেশের সামরিক অবকাঠামোর স্বার্থের চেয়ে তাদের অর্থনৈতিক স্বার্থ অনেক বেশি। যেসব প্রকল্পগুলো অনেক বড় সেগুলো বাংলাদেশে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে লাভ হবে ভারতের আর কাজটা করাবে বাংলাদেশে।বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী চুক্তি, পদক্ষেপ, ব্যবসা-বানিজ্য এই ৫৩ বছরে করা হয়েছে। ভারতকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, তাদের পছন্দ করা শাসক না হলে বাংলাদেশ চলবে না। এটা হচ্ছে তাদের নীতি। যারা তাদের চাওয়া-পাওয়া ও স্বপ্ন পূরণ করবে তারাই এ দেশ শাসন করবে। আমাদের মুসলিম জাতিসত্তা, মূল্যবোধ, চরিত্র, নৈতিকতা, শিক্ষা অর্জনে আমাদেরই আজন্ম স্বাধীন বাংলাদেশ লালিত আমরা যারা আল্লাহ তায়ালার গোলাম হয়ে আল্লাহর দীনের ভিত্তিতে জীবন গড়তে চাই, সেই স্বপ্ন, উদ্দেশ্য, প্রচেষ্টাকে তছনছ করে দিতে পারে যে শাসকরা তাদেরই এরা ক্ষমতায় রাখে। তিনি বলেন, রাষ্ট্র হিসেবে ভারতকে আমরা শত্রু মনে করি না। ভারতের জনগণ আমাদের শত্রু নয়। ভারতে যারা শাসক এসেছেন, চরম সাম্প্রদায়িক একটি গোষ্ঠী ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশে সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের আদর্শ এবং মূল্যবোধকে ধ্বংস করতে চেয়েছে। এই দেশ যদি পদানত থাকে, একটি করদ রাজ্যে পরিণত হয়, ভারতের একটা বাজারে যদি পরিণত হয় তাহলে তো ভারতের লাভ বেশি।

আজকের সংবাদ, প্রবাস, ফরিদগঞ্জ

সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ফরিদগঞ্জের যুবকের মৃত্যু

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় মোক্তার হোসেন মিজি (৪০) নামে ফরিদগঞ্জের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ৮ ডিসেম্বর রোববার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭ টার সময় মদীনার আলুলাতে তিনি এ সড়ক দুর্ঘটনার শিকার হন। নিহত মোক্তার উপজেলার বালিথুবা পশ্চিম ইউনিয়নের সেকদি গ্রামের মৃত আলী আকবর ছোট ছেলে। পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ভাগ্যান্বেষণে ২০০৪ সালে মামার হাত ধরে সৌদি আরবে যান মোক্তার আহমদ। সময়ের ব্যবধানে নিজেই সেখানে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন। রোববার তিন জন ওমরাহ যাত্রীকে নিজের প্রাইভেট কারে করে আলুলা থেকে মদীনা এয়ারপোর্টে এগিয়ে দিতে যাচ্ছিলেন। এ সময় তিনি নিজেই কার ড্রাইভিং করছিলেন। আলুলা এলাকা পার হওয়ার আগেই একটি লরি পেছন থেকে ধাক্কা দিলে তার গাড়িটি বেশ কয়েকটি পল্টি খায়। ভেতরে থাকা যাত্রীরা সে সময় জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। কারটি থামলে তাতে আগুণ ধরতে শুরু করে। এ র্দূঘটনাটি দেখে কয়েকজন পাকিস্তানি যাত্রীদের উদ্ধারে এগিয়ে আসেন। তারা গাড়ির ভেতরে থাকা তিন জন যাত্রীকে উদ্ধার করতে সমর্থ হন। ড্রাইভিং সিটে থাকা মোক্তারকে উদ্ধারের আগেই গাড়িটি দাউ দাউ করে আগুন জ্বলে ওঠে। গাড়িসহ সম্পূর্ণ ভস্মীভূত হন হন মোক্তার। এদিকে জ্ঞান হারানোর পূর্বে নিজের ফোনটি বাইরে ছুড়ে মারতে সক্ষম হন মোক্তার। উদ্ধারকারী পাকিস্তানিরা সেখান থেকে নাম্বার সংগ্রহ করে মোক্তারের স্বজনদের সাথে যোগাযোগ করেন। নিহত মোক্তার ৪ ছেলে ও ১ মেয়ের জনক। তিনি সর্বশেষ ৪ জুলাই বাড়ি থেকে সৌদিতে গিয়েছিলেন। যাওয়ার পূর্বে সৌদিতে মৃত্যু হলে সেখানেই তাকে দাফনের ওসিয়ত করে গিয়েছিলেন। ওসিয়ত অনুসারে মদীনাতেই তার দেহাবশেষ দাফন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বজনরা।

Uncategorized

ফরিদগঞ্জে ছাত্রদলের মানববন্ধন

আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস উপলক্ষে ফরিদগঞ্জে মানববন্ধন করেছে উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রদল। মঙ্গলবার(১০ ডিসেম্বার) সকালে ফরিদগঞ্জ সরকারি কলেজের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় গুমের শিকার নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মুক্তি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্বারা হত্যা ও নিপীড়নের বিচার দাবী করেন ছাত্রদল নেতারা। এসময় উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক মেহেদী হাসান মঞ্জু, পৌরসভা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আল আমিন মোল্লা, সদস্য সচিব মোঃ আমজাদ হোসেন শিবলু, কলেজ ছাত্রদল নেতা ইয়াসিন মিজি, রায়ান হোসেন প্রমুখ মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন।

আজকের সংবাদ, রাজনীতি

তারেক রহমান কখন ফিরবেন, জানালেন মির্জা ফখরুল

ঢাকা: বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে হওয়া সব মামলা শেষ হলে তিনি দেশে ফিরবেন, এমনটি জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিরুদ্ধে অনেক মিথ্যা-প্রতিহিংসামূলক মামলা রয়েছে, সেগুলো প্রত্যাহার হলে বা আদালতের মাধ্যমে শেষ হলে তিনি দেশে ফিরবেন। বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুরে লন্ডন থেকে ঢাকার শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে এসে পৌঁছানোর পর গণমাধ্যমকে তিনি এসব কথা বলেন। লন্ডন সফর ভালো ও ফলপ্রসূ হয়েছে জানিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, লন্ডনে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা হয়েছে। এ ছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশি এবং বিএনপির নেতাদের সঙ্গে কথা হয়েছে। তাদের সভায় যোগ দিয়েছিলাম। মহাসচিব বলেন, ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান বলেছেন, আপনারা (দেশবাসী) ধৈর্য ধরবেন। বিশাল বিজয় এসেছে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে। এই বিজয়কে ফলপ্রসূ ও সার্থক করতে হলে অবশ্যই সবাইকে ধৈর্য ধরে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে এবং গণতন্ত্রকে পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে হবে। গণতন্ত্রের যে প্রথম পদক্ষেপ, সেই নির্বাচনের জন্য সবাইকে প্রস্তুতি নিতে হবে। নির্বাচনের বিষয়ে সরকারের উদ্দেশে বিএনপি মহাসচিব বলেন, অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত অন্তর্বর্তী সরকারকে আমরা রাজনৈতিক দলগুলো সহযোগিতা করছি। আমরা প্রত্যাশা করি, ন্যূনতম যেসব সংস্কার জরুরি, তা সম্পন্ন করে তারা নির্বাচনের পথে যাবেন। গত ৩০ নভেম্বর স্ত্রী রাহাত আরা বেগমকে নিয়ে লন্ডনে যান বিএনপি মহাসচিব। সফর শেষ করে আজ বৃহস্পতিবার দেশে ফেরেন তিনি।

আজকের সংবাদ, প্রবাস

মালয়েশিয়া থেকে ফিরতে নিবন্ধন করেছেন ৩১ হাজার বাংলাদেশি

অভিবাসন প্রত্যাবাসন কর্মসূচির মাধ্যমে মালয়েশিয়া থেকে দেশে ফিরতে ৩১ হাজারেরও বেশি বাংলাদেশি নিবন্ধন করেছেন। সবমিলিয়ে ২ লাখের বেশি প্রবাসী এ কর্মসূচিতে নিবন্ধন করেছেন। দেশটির অভিবাসন বিভাগ বলছে, মালয়েশিয়ায় বসবাসরত অবৈধ অভিবাসীদের স্বেচ্ছায় নিজ দেশে ফেরাতে চলতি বছরের ১ মার্চ থেকে প্রত্যাবাসন কর্মসূচি চালু করা হয়। এ কর্মসূচিতে নাম নিবন্ধন করেছেন বাংলাদেশসহ বিভিন্ন দেশের ২ লাখের বেশি প্রবাসী। বিদেশিদের নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর লক্ষ্যে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির আওতায় এরই মধ্যে ৩১ হাজার ৪১ জন বাংলাদেশি তাদের নাম নিবন্ধন করেছেন। ১১ ডিসেম্বর হারিয়ান মেট্রোর এক প্রতিবেদনে বলা হয়, গত ১ মার্চ থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলমান এই কর্মসূচিতে ১১০ দেশের মোট ২ লাখ ৬ হাজার ৬০০ জন অবৈধ অভিবাসী তাদের নাম নিবন্ধন করেছেন। বুধবার (১১ ডিসেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান বলেন, এই কর্মসূচিতে সবচেয়ে বেশি নাম নিবন্ধন করেছেন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক ৯৮ হাজার ২৫৯ জন। এছাড়া বাংলাদেশের ৩১ হাজার ৪১ জন, ভারতের ২৮ হাজার ১৫২ জন, পাকিস্তানের ১৪ হাজার ৮৯ জন এবং মিয়ানমারের ১৩ হাজার ৩৬৬ জন রয়েছেন। নিবন্ধনকারীদের মধ্যে এক লাখ ৪৬ হাজার ৭৪২ জন পুরুষ এবং ৪৮ হাজার ৬৩৯ জন নারী। এছাড়া ৫ হাজার ৮৫২ জন ছেলে (শিশু) এবং ৫ হাজার ৩৭৭ জন মেয়ে (শিশু) রয়েছে বলে জানান তিনি। এই কর্মসূচির মাধ্যমে এরই মধ্যে এক লাখ ৮০ হাজার ৩৪৩ জন অবৈধ অভিবাসীকে নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়েছে। যারা দেশে ফিরছেন তাদের বেশিরভাগই বেকার ছিলেন কিংবা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া মালয়েশিয়ায় অবস্থান করছিলেন। আবার সম্প্রতি ওয়ার্ক পারমিট ভিসায় এসে কাজ না পেয়ে প্রতারণার শিকার হয়েও অনেকে ফিরে গেছেন দেশে।

আজকের সংবাদ, জাতীয়

তাবলিগ জামাতের দুগ্রুপের সংঘর্ষ, ভাঙচুর

ঢাকা: গাজীপুরের টঙ্গীতে তাবলিগ জামাতের জোড় ইজতেমাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মাঝে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় মহাসড়ক অবরোধ ও একটি প্রাইভেটকারে ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠেছে তাবলিগ জামাতের শূরায়ে নিজামী (মাওলানা জুবায়েরের) অনুসারীদের বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুর ১টায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের মন্নুগেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় মাওলানা জুবায়েরের পাঁচ শতাধিক অনুসারী সড়কে অবস্থান নেন। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী অবরোধ করায় মহাসড়কের উভয় পাশে তীব্র যানজট দেখা দেয়। পরে পুলিশের অনুরোধে তারা মহাসড়ক ছেড়ে ইজতেমা ময়দানে চলে যান। এ ছাড়া নলজানি এলাকায় মহানগর পুলিশ কমিশনার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন সাদপন্থিরা। শুরায়ে নিজামীর অনুসারীদের হামলায় তাদের লোকজন আহত ও গাড়ি ভাঙচুরের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছেন সাদপন্থি ইজতেমার আয়োজকরা। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সার্বিক নিরাপত্তায় পুলিশ ও সেনাবাহিনী সদস্য মোতায়েন রয়েছে। জানা গেছে, সড়ক অবরোধ ও ভাঙচুরের ঘটনায় ভারতের মাওলানা সাদ কান্ধলভির অনুসারীদের ইজতেমা আয়োজক কমিটির মুরব্বি মাওলানা বসির (৫২) ও মাওলানা আতাউর (৫৪) আহত হয়েছেন। তাদের উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। সাদপন্থিদের সূত্রে জানা গেছে, মাওলানা জুবায়ের অনুসারীদের তত্ত্বাবধানে আয়োজিত গত ২৯ নভেম্বর থেকে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত জোড় ইজতেমা পালন করেন কয়েক হাজার মুসল্লি। এরপর দ্বিতীয় ধাপে আগামী ২০-২৪ ডিসেম্বরে জোড় ইজতেমা আয়োজনের অনুমতি চান মাওলানা সাদ কান্ধলভির আয়োজক কমিটির শীর্ষ মুরব্বিরা। তবে সরকারের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্তে দ্বিতীয় দফায় জোড় ইজতেমার অনুমতি দেওয়া হয়নি মাওলানা সাদ অনুসারীদের। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে সাদ কান্ধলভির ইজতেমা আয়োজক কমিটির কয়েকজন শীর্ষ মুরব্বি ইজতেমা ময়দানের পশ্চিম অংশে যান। এতে বাধা দেন জুবায়ের অনুসারীরা। ময়দানে প্রবেশ করতে না পেরে সাদ অনুসারীরা পুলিশের সহযোগিতা চেয়ে টঙ্গী পূর্ব থানায় আসেন। পরে পুলিশ সদস্যদের সহায়তায় সাদপন্থিরা ময়দানের দিকে রওনা হলে আগে থেকেই লাঠিসোঁটা নিয়ে অবস্থান করা জুবায়ের অনুসারীরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের মন্নুগেট এলাকায় সাদ অনুসারীদের একটি প্রাইভেটকারে ভাঙচুর চালায়। এ সময় প্রাইভেটকারে থাকা সাদ অনুসারীদের দুজন আহত হন। পরে আহতদের উদ্ধার করে রাজধানীর উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জুবায়েরপন্থি ইজতেমা আয়োজক কমিটির মুরব্বি মাহফুজ হান্নান গণমাধ্যম কর্মীদের জানান, তারা ইজতেমা ময়দানের বিদেশি মেহমানখানায় প্রবেশের চেষ্টা করেন। তাদের ময়দানে জোড় ইজতেমা আয়োজন করার অনুমতি দেওয়া হয়নি। সাদপন্থিরা অবৈধভাবে ময়দানে প্রবেশের চেষ্টা করলে আমাদের সাথিরা (জুবায়ের অনুসারী) তাদের প্রতিহত করে। সাদ কান্ধলভির ইজতেমা আয়োজক কমিটির গণমাধ্যম সমন্বয়ক মুহাম্মদ সায়েম বলেন, আগামী ২০ ডিসেম্বর দ্বিতীয় ধাপে জোড় ইজতেমা আয়োজন করতে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপপুলিশ কমিশনারের (অপরাধ-দক্ষিণ) কার্যালয়ে গিয়েছিলাম। পরে পুলিশ সদস্যদের নিয়ে উভয় পক্ষের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলাম। আমরা ময়দানে প্রবেশ করিনি। তারা আমাদের একটি প্রাইভেটকারে ভাঙচুর করে দুজনকে আহত করেছে। গাজীপুর মহানগর পুলিশের কমিশনার ড. নাজমুল করিম বলেন, জোবায়েরপন্থিরা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেছিল। আমরা তাদের বুঝিয়ে সরিয়ে দিয়েছি। এখন তারা সড়কে নেই। যে কোনো পরিস্থিতির জন্য আমরা সজাগ রয়েছি। সেনাবাহিনী, র‍্যাব ও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। যারা হামলা করেছে তাদের আইনের আওতায় আনা হবে।

Scroll to Top