২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Author name: Farid Ahmed

Europe visa
আজকের সংবাদ, প্রবাস

দিল্লির পরিবর্তে তৃতীয় দেশ থেকে ইউরোপের ভিসা নেওয়ার উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: ভারতের পর্যটন ভিসা এখন বন্ধ রয়েছে। তবে সীমিতভাবে জরুরি মেডিকেল ও শিক্ষার্থীদের জন্য তৃতীয় দেশের ভিসা চালু রয়েছে। এ দুটি খাতে ভিসা চালু থাকলেও অনেকেই ভারতের ভিসার অ্যাপয়েন্টমেন্ট পাচ্ছেন না। সে কারণে, বিশেষ করে শিক্ষার্থীরা বেশি বিপাকে পড়েছেন। একইভাবে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের ওয়ার্ক ভিসা পেতেও সমস্যা হচ্ছে। এসব সমস্যা বিবেচনায় নিয়ে দিল্লির বিকল্প হিসেবে তৃতীয় দেশ থেকে ভিসা নেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। পশ্চিম ইউরোপের প্রায় সব দেশের ভিসা বাংলাদেশি নাগরিকরা ঢাকা থেকেই পেয়ে থাকেন। আর পূর্ব ইউরোপের বেশির ভাগ দেশের ভিসা দিল্লি থেকে নিতে হয়। তবে গত ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের পর ভারতীয় ট্যুরিস্ট ভিসা বন্ধ রয়েছে। আর সীমিতভাবে দেওয়া হচ্ছে জরুরি মেডিকেল ও শিক্ষার্থীদের জন্য তৃতীয় দেশের ভিসা। তবে অনেক শিক্ষার্থীই ভারতের ভিসা না পেয়ে ইউরোপে তাদের গন্তব্যের দেশে যেতে পারছেন না।পূর্ব ইউরোপের বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, পোল্যান্ড প্রভৃতি দেশের ভিসা নিতে বাংলাদেশি নাগরিকদের দিল্লি যেতে হয়। কারণ, এসব দেশের দূতাবাস ঢাকায় নেই। তবু এসব দেশে প্রতি বছর অনেক শিক্ষার্থী পড়তে যান। এ ছাড়া রোমানিয়ায় এখন বাংলাদেশের প্রচুর কর্মীও যান। তবে ভারতীয় হাইকমিশন ভিসা সীমিত করে দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।তবে রোমানিয়ার ভিসার জন্য শিক্ষার্থীরা থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে দেশটির দূতাবাসে আবেদন করতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। এ ছাড়া ভিয়েতনাম, পাকিস্তান ও কাজাখস্তানে বুলগেরিয়ার ভিসার আবেদন করা যাবে।এদিকে দিল্লিকে পাশ কাটিয়ে বিভিন্ন দেশ থেকে যেন শিক্ষার্থীরা তৃতীয় দেশের ভিসা পেতে পারেন, সে উদ্যোগ নিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বিশেষ উদ্যোগে ভিয়েতনামের হ্যানয় এবং ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার দূতাবাসে এরই মধ্যেই ৮৬ জন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী ভিসার জন্য আবেদন করেছেন।সূত্র জানায়, দিল্লিকে পাশ কাটিয়ে ইউরোপের ভিসা তৃতীয় কোনো দেশ থেকে যেন নেওয়া যায়, সে উদ্যোগ নিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। বাংলাদেশের কাছাকাছি অন্য দেশগুলো থেকে যেন ভিসা পেতে পারেন, সে প্রচেষ্টা চলছে। এ লক্ষ্যে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে সরকার। এ ছাড়া ক্রোয়েশিয়া, বুলগেরিয়া, রোমানিয়া প্রভৃতি দেশের ভিসা যেন বাংলাদেশ থেকেই পাওয়া যায়, সে প্রচেষ্টাও রয়েছে সরকারের।জানা গেছে, রোববার (১ ডিসেম্বর) ইউরোপের তিন দেশ সফরে গেছেন পররাষ্ট্র সচিব এম জসীম উদ্দিন। দেশগুলো হলো, জার্মানি, চেক রিপাবলিক ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনা। বাংলাদেশি নাগরিকরা সহজেই যেন চেক রিপাবলিক ও বসনিয়া-হার্জেগোভিনার ভিসা পেতে পারেন, দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে ইস্যুটি তুলতে পারেন পররাষ্ট্র সচিব।ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা জানান, এখন যাদের জরুরি প্রয়োজন, তাদের ভিসা দেওয়া হচ্ছে। কারণ, আমাদের লোকবল কম। আমাদের কার্যক্রম স্বাভাবিক হলে এটি (ট্যুরিস্ট ভিসা) শুরু করা সম্ভব হবে। তবে এখন যাদের জরুরি, তাদের মেডিকেল ভিসা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া ভারতে গিয়ে তৃতীয় কোনো দেশের ভিসার আবেদন যারা করছেন, তাদের আমরা অগ্রাধিকার দিচ্ছি। আমরা চাই না এ ধরনের ভ্রমণে কেউ কষ্ট পাক। সে জন্য সর্বোচ্চ যতটুকু সম্ভব জরুরি প্রয়োজনীয় ভিসা দেওয়া হচ্ছে।পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জনকূটনীতি অনুবিভাগের মহাপরিচালক তৌফিক হাসান জানান, বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা যেন তৃতীয় দেশের ভিসা ভারতের পরিবর্তে অন্য কোনো প্রতিবেশী দেশ থেকে সংগ্রহ করতে পারেন, তা নিয়ে আমরা কাজ করছি। এরই মধ্যেই বেশ কয়েকটি বিকল্প দেশ থেকে ভিসার ব্যবস্থাও করা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, এ ছাড়া বাংলাদেশিদের জন্য ভারতের ভিসা পাওয়ার বিষয়ে সরকার ভারতীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করেছে। তারা (ভারত) বলেছে যে জনবল সংকটের কারণে কয়েক ধরনের ভিসার প্রক্রিয়াকরণ বন্ধ রেখেছে।

Maxico bd
আজকের সংবাদ, প্রবাস

বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা আবেদন সহজ করলো মেক্সিকো

নিজস্ব প্রতিবেদক: মেক্সিকান সরকার বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য ভিসা আবেদনের সুবিধা এবং সফরের জন্য ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করেছে। এর আগে, বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা আবেদনের জন্য নয়াদিল্লিতে মেক্সিকান দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হতো।রবিবার (১ ডিসেম্বর) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নতুন ঘোষিত সুবিধার আওতায় বাংলাদেশি নাগরিকরা এখন এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের যেকোনও মেক্সিকান দূতাবাস বা কনস্যুলেটে বা বিশ্বব্যাপী অন্যান্য স্থানে তাদের ভিসার আবেদন জমা দিতে পারবেন।উপরন্তু, মেক্সিকান অভিবাসন বিধিমালা সব দেশের দর্শনার্থীদের মেক্সিকান ভিসা ছাড়াই ১৮০ দিন পর্যন্ত তার অঞ্চলে প্রবেশের অনুমতি দেয়। তবে শর্ত থাকে যে তাদের বৈধ পাসপোর্ট এবং কানাডা, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, গ্রেট ব্রিটেনের যুক্তরাজ্য এবং উত্তর আয়ারল্যান্ড বা শেনজেন অঞ্চলের যেকোনও দেশের বৈধ ভিসা থাকতে হবে।এই উন্নয়ন বাংলাদেশ ও মেক্সিকোর মধ্যে যোগাযোগ, বাণিজ্য ও বিনিয়োগের প্রচার, সাংস্কৃতিক বিনিময় এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগকে আরও বাড়িয়ে তুলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার
আজকের সংবাদ, রাজনীতি

‘নারী পোশাক’ নিয়ে গণমাধ্যমে ভুলভাবে প্রচার হয়েছে: জামায়াত সেক্রেটারি

জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের ‘নারীর পোশাক’ সংক্রান্ত বক্তব্যটি কতিপয় সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমে ভুলভাবে প্রচার হয়েছে দাবি করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। রোববার (১ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের মুখপাত্র মুজিবুল আলমের সই করা পাঠানো এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়। বিবৃতিতে তিনি বলেন, ‘৩০ নভেম্বর সাতক্ষীরা জেলা জামায়াত আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে ‘নারী পোশাক’ সংক্রান্ত আমিরে জামায়াত ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যটি কতিপয় সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমে ভুলভাবে উপস্থাপিত হয়েছে। আমিরে জামায়াতের দেওয়া বক্তব্যটির আগে ও পরের অংশ বাদ দিয়ে ভুলভাবে উপস্থাপন করায় জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। আমরা এই ভুল সংবাদ পরিবেশেনের প্রতিবাদ জানাচ্ছি।’ তিনি আরও বলেন, ‘তবে কোনো কোনো সংবাদপত্র ও গণমাধ্যমে আমিরে জামায়াতের বক্তব্যটি সঠিকভাবে প্রকাশিত হয়েছে। আমি তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।’ আহ্বান জানিয়ে অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে এ জাতীয় সংবাদ পরিবেশন করা সাংবাদিকতা নীতিমালার পরিপন্থি। ভবিষ্যতে সাংবাদিকতার নীতিমালা অনুসরণ করে সংবাদ পরিবেশন করার জন্য আমি সংশ্লিষ্ট রিপোর্টার, পত্রিকা কর্তৃপক্ষ ও গণমাধ্যমের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি।’ এর আগে গত শনিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে সাতক্ষীরা সরকারি উচ্চ বালক বিদ্যালয় মাঠে জেলা জামায়াত আয়োজিত কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সেখানে তিনি নানা বিষয়ের বক্তব্যদানকালে নারীর পোশাক পরার স্বাধীনতা নিয়ে কথা বলেন।

আজকের সংবাদ, ইসলাম, প্রবাস

পর্যটকদের সুখবর দিল সৌদি আরব

ডেস্ক: তেল নির্ভরতা থেকে দ্রুতই সরে আসছে সৌদি আরব। দেশটি সম্প্রতি পর্যটন খাতে ব্যাপক নজর দিয়েছে। এমনকি পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে একের পর এক পদক্ষেপ নিচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় দেশটি বিদেশি পর্যটকদের দারুণ সুখবর দিয়েছে। সৌদি সরকার জানিয়েছে, বিদেশি পর্যটকদের টানতে পর্যটকদের মূল্য সংযোজন করের (ভ্যাট) অর্থ ফেরত দেওয়া হবে। ২০২৫ সাল থেকে এটি শুরু করা হবে। সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম সৌদি গেজেট জানিয়েছে, এ ব্যবস্থার বাস্তবায়ন ও তত্ত্বাবধান করবে সৌদি আরবের জাকাত, ট্যাক্স এবং কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। ২০২৫ সালে দেশটিতে ১২ কোটি ৭০ লাখ পর্যটক টানার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে করে পর্যটন খাত থেকে দেশটি ৩৪৬ দশমিক ৬ বিলিয়ন রিয়াল রাজস্ব আয় করতে পারবে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে পর্যটকদের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে সৌদি আরব। গত বছর থেকে দেশটি তাদের মধ্য দিয়ে ভ্রমণ করা যাত্রীদের বিনামূল্যে ট্রানজিট ভিসা পরিষেবা চালু করেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত বছরে সৌদিতে ১০ কোটির বেশি বিদেশি পর্যটক এসেছেন। দেশটির সরকার জানিয়েছে, বিশ্বের সেরা ১০টি দর্শনীয় স্থানের মধ্যে জায়গা করে নিতে তারা কাজ করে যাচ্ছে। সৌদি আরবের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত দেশটিতে স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক প্রায় ছয় কোটি পর্যটক ভ্রমণ করেছেন। এর ফলে দেশটির বেসরকারি খাতের প্রবৃদ্ধি ও তেলবহির্ভূত উৎস থেকে জিডিপিতে রাজস্ব বৃদ্ধিতে অবদান রাখছে। ২০২৪ সালের শেষ নাগাদ এ সংখ্যা ১২ কোটিতে পৌঁছাতে পারে বলে ধারণা করছে দেশটির কর্তৃপক্ষ।

আজকের সংবাদ, প্রবাস

পর্তুগালের দূতাবাস চালু হচ্ছে ঢাকায়

ইউরোপীয় দেশ পর্তুগাল আগামী বছর ঢাকায় তাদের কনস্যুলেট কিংবা দূতাবাস চালুর বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। পর্তুগালের লিসবনের বাংলাদেশ দূতাবাসের হলরুমে পর্তুগাল প্রবাসীদের সাথে এক মতবিনিময় সভায় এ তথ্য জানান তিনি। পর্তুগালে বসবাসরত বাংলাদেশি পেশাজীবী, ব্যবসায়ী, সামজিক সংগঠন ও সাংবাদিকরা মতবিনিময় অংশ নেন। উপদেষ্টা বলেন, ‘আমারা আশা করছি, আগামী বছর শুরুর মাঝে দূতাবাস, কনস্যুলেট কিংবা পর্তুগালের ভিসা সংক্রান্ত ঢাকায় একটি অফিস চালু যেন করা হয় এ ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছে পর্তুগাল সরকারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী।’ পর্তুগালের রাজধানী লিসবনে শনিবার (৩০ নভেম্বর) থেকে অনুষ্ঠিত হচ্ছে জাতিসংঘের দশম অ্যালায়েন্স অব সিভিলাইজেশনস (ইউএনএওসি) গ্লোবাল ফোরামের সন্মেলন। এ সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন। লিসবন দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত রেজিনা আহমেদের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় উপদেষ্টা শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন। পরে তিনি এক মুক্ত আলোচনায় প্রবাসীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। মতবিনিময় সভায় বেশি গুরুত্ব পেয়েছে বাংলাদেশে পর্তুগালের স্থায়ী বা অস্থায়ী দূতাবাস কিংবা কনস্যুলেট স্থাপনের বিষয়টি। পর্তুগালে প্রায় ৪০ হাজার প্রবাসী বাংলাদেশি বর্তমানে বসবাস করছেন, কিন্তু বাংলাদেশে পর্তুগালের কোনো দূতাবাস কিংবা কনস্যুলেট না থাকায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের নানান হয়রানির শিকার হতে হয়। উপদেষ্টার কাছে সবার দাবি ছিল, খুব তাড়াতাড়ি যেন বাংলাদেশিদের জন্য বাংলাদেশের ঢাকায় একটি বিএফএস বা দূতাবাস চালু করা হয়। পর্তুগালে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা জানান, পর্তুগালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী প‌ওলো রেঞ্জেলের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। সেই সাথে বাংলাদেশিদের ভিসা জটিলতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে প‌ওলো রেঞ্জেলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তিনি। পর্তুগালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশের নাগরিকদের ভিসা সংক্রান্ত সমস্যার বিষয়গুলো তিনি অবগত আছেন বলে জানান। সেই সাথে পররাষ্ট্র উপদেষ্টাকে অবহিত করা হয় যে পর্তুগাল সরকার বাংলাদেশীদের বিষয়গুলো পর্যালোচনা করছে। পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরে ঢাকায় দূতাবাস না হয় একটি ভিসা অফিস চালুর সম্ভাবনা রয়েছে।

grameen pol
আজকের সংবাদ, ফরিদগঞ্জ

বালিথুবায় চলাচলের কাঠের পুল ভেঙ্গে দেয়ার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক: চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার ২নং বালিথুবা ইউনিয়নের বালিথুবা বাজারে  জনসাধারণের চলাচলের একমাত্র কাঁঠের পুল ভেঙ্গে ভেঙে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে এক নারী ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই নারী ইউপি সদস্য হলেন, ২নং বালিথুবা ইউনিয়নের ৪,৫,৬ নং ওয়ার্ডের সংরক্ষিত নারী সদস্য হাসিনা বেগম।   ওই এলাকার একাধিক লোক অভিযোগ করে বলেন, এটি আমাদের বাজারে আসার একমাত্র সাঁকো।সাঁকোটি সরকারি খালের উপর। কিন্তু এখানে সরকারি জায়গা নিজেদের দাবী করে এই ওয়ার্ডের নারী ইউপি সদস্য ও মহিলা আওয়ামী লীগ নেত্রী  হাসিনা বেগম দীর্ঘ দিন থেকে আমাদের যাতায়াতে সমস্যা করতেছে।এখন সাঁকোটি অনেকটা নাজুক হওয়ায় আমরা সবাই মিলে ঠিক করার  উদ্যোগ নিয়েছি।ঠিক এমন সময়ে ইউপি সদস্য হাসিনা বেগম বুধবার সন্ধ্যায় ৮-১০ জন স্থানীয় সন্ত্রাসী নিয়ে এসে  সাঁকোর একাংশ ভেঙ্গে ফেলে।মূলত সে এই জায়গা দখল করে ভোগ দখল করতে চাচ্ছে।অলরেডি সে এখানে ২ টা দোকান করে ভাড়া দিছে। আমরা এই ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।সে কিভাবে একজন ইউপি সদস্য হয়ে জনসাধারণের সাঁকো ভেঙ্গে ফেলে।  এবিষয়ে ওই নারী ইউপি সদস্য হাসিনা বেগম বলেন, আমার এলাকার কাঠের পুল ভাঙ্গার বিষয়ে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ দেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আমি কিছুই বলতে পারবোনা। কারন আমি এবং আমার পরিবারের কেউই বাড়িতে থাকিনা। এলাকার কিছু দুষ্ট লোক আমাকে সামাজিক ভাবে হেয় পতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে আমার বিরুদ্ধে এমন মিথ্যে অভিযোগ তুলেছেন। এটি আমি ভাঙ্গিনি।  ইউপি চেয়ারম্যান এইচ এম হারুনুর রশিদ বলেন,এখানে সরকারি জায়গা আবার পাশে ব্যক্তি মালিকানাও কিছু আছে।তবে কেনো সাঁকো ভাঙ্গা হলো সেটি আমরা দেখবো।  এবিষয়ে ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুলতানা রাজিয়া বলেন, আমি এখনো বিষয়টি জানিনি।দেখি খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবো। 

আজকের সংবাদ, ফরিদগঞ্জ

ইসকন নিষিদ্ধের দাবিতে গৃদকালিন্দিয়ায় প্রতিবাদ ও বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক: চট্টগ্রামে আইনজীবী সাইফুল ইসলাম আলিফ নিহতের ঘটনায় প্রতিবাদ ও বিচারের দাবীতে এবং ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি ফর কৃষ্ণ কনসাচনেস (ইসকন) নিষিদ্ধের দাবিতে ফরিদগঞ্জের গৃদকালিন্দিয়ায় বিক্ষোভ মিছিল করেছে তৌহিদী জনতা। শুক্রবার বিকেলে গৃদকালিন্দিয়া কলেজ মাঠে স্বপ্নচুড়া সমাজ কল্যান সংস্থার ব্যানারে সর্বসাধারনের অংশগ্রহনে উগ্রবাদী সংগঠন ইসকন নিষিদ্ধ ও হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে মিছিলটি বের হয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিন করে একইস্থানে গিয়ে শেষ হয়। এ সময় বিক্ষোভ সমাবেশে স্বপ্ন চুড়া সমাজ কল্যান সংস্থার পরিচালক কাউছার খান সৌদি আরব থেকে টেলিকনফারেন্সে অংশ নিয়ে তার বক্তব্যে বলেন, ‘প্রকাশ্য দিবালোকে আদালত প্রাঙ্গণে অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফকে হত্যা করা হয়েছে। ইসলাম হত্যা সমর্থন করে না। যারা হত্যা করেছে, তাদের গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে  এবং সন্ত্রাসী সংগঠন হিসেবে ইসকনের সকল কার্যক্রম বাংলাদেশে বন্ধ করার দাবি জানায়। এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন, ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বিল্লাল হোসেন খান, উপজেলা যুবদলের নেতা মোঃ সোহেল হোসেন খান, জামায়াতে ইসলামী নেতা আবু হানিফসহ স্বপ্ন চুড়া সমাজ কল্যান সংস্থার বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ।

রাজরাজেশ্বর
আজকের সংবাদ, চাঁদপুর

চাঁদপুরে রাজরাজেশ্বর হবে পর্যটন এলাকা : শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক

চাঁদপুর: বিএনপি কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির প্রবাসী কল্যান বিষয়ক সম্পাদক ও চাঁদপুর জেলা বিএনপির সভাপতি শেখ ফরিদ আহমেদ মানিক বলেছেন, ‘একমাত্র বেগম খালেদা জিয়া ও তারেক রহমান ক্ষমতায় আসলে রাজারাজেশ্বরে স্থায়ীভাবে নাদী ভাঙ্গন রোধ করা সম্ভব। কারন এই এলাকা পর্যটনের জন্য সম্ভাবনাময় এলাকা।বিএনপি যদি ক্ষমতায় আসে এই রাজরাজেশ্বর হবে পর্যটন এলাকা। আর তখনই নদী ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’ ৩০ নভেম্বর শনিবার বিকেলে রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, এই ইউনিয়ন বিএনপির ঘাঁটি। এখানে আমাদের যে ভোট ব্যাংক ছিলো তা পুনরুদ্ধার করতে হবে। আজকে আপনারা সেই সম্মান রাখতে পারেননি। যারা এখানে বিশৃঙ্খলা করেছেন তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমি আমাদের নেতা তারেক রহমানকে বলেছি আমার একটি ইউনিয়ন আছে যেখানে ৯০% জেলে। তিনি আমাকে বলেছেন আপনাদের সাথে মতবিনিময় করবেন। বিএনপির সভাপতি বলেন, গত ১৫ বছর এই রাজরাজেশ্বরে কোন উন্নয়ন কাজ হয় নাই শুধু লুটপাট হয়েছে। আমরা বিগত দিন আন্দোলন সংগ্রাম করেছি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য। এখন আমাদের সেই সুযোগ এসেছে। প্রশাসন থেকে আমাকে ফোন করে বলে এই এলাকায় ফ্যাসিবাদের দোসররা নাকি লুকিয়ে থাকে। এরা কারা এদের তালিকা করে আমাকে দিবেন।আমি জানতে চাই কারা এই ফ্যাসিবাদদের আশ্রয় প্রশ্রয় দেয়।এখানে আপনারা বেশির ভাগই জেলে আপনাদেরকে যদি প্রশাসন অন্যায় ভাবে হয়রানি করে তাহলে সেই প্রশাসন ফ্যাসিবাদের দোসর। আমি অবশ্যই খোজ নিবো যাতে আপনারা অন্যায় ভাবে হয়রানি না হন।তবে আপনাদের কেউ আইন মানতে হবে। সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শাহজালাল মিশন। বিশেষ বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন,চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. জাহাঙ্গীর হোসেন খান। রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি হাজী ওসমান গাজীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেমের পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন,জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক হযরত আলী ঢালী,জেলা যুবদলের সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ বাহার। এসময় উপস্থিত ছিলেন, চাঁদপুর সদর উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি অ্যাড. জাকির হোসেন ফয়সাল, যুগ্ম সম্পাদক মোহাম্মদ আলী, মোশাররফ হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আক্তার হোসেন সাগর, দপ্তর শরীর আহমেদ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমাম হোসেন, সদর উপজেলা মহিলা দলের সভাপতি শাহীনা আক্তার, সাধারণ সম্পাদক নাছরিন রহমান, সদর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক নজরুল ইসলাম নজু, রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি কবির হোসেন চোকদার, সদর উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জিসান আহমেদসহ রাজরাজেশ্বর ইউনিয়ন বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবকদল, মহিলাদল, শ্রমিকদল কৃষকদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী বৃন্দ।

Rifat Rashid
আজকের সংবাদ, রাজনীতি

৫ আগস্টের অভ্যুত্থান যেসব পরিকল্পনা নিয়েছিলেন সমন্বয়করা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ৫ আগস্টের অভ্যুত্থান ঘিরে সমন্বয়কদের কি কি পরিকল্পনা ছিল। সেই পরিকল্পনায় ব্যর্থ হলে কোন ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হতো। এমনকি সবাইকে মেরে ফেললে আন্দোলন চলমান রাখতে প্ল্যান-ই বা কী ছিল? এসব বিষয় নিয়ে ফেসবুকে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক রিফাত রশিদ। শনিবার (৩০ নভেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দিয়েছেন তিনি। ফেসবুকে রিফাত রশিদ লিখেছেন, যারা ভাবেন ছাত্ররাই দেশ চালায় তারা ভুল ভাবেন। ছাত্ররা গোটা ক্ষমতাকাঠামোর একটা অংশ, পুরোটা জুড়ে মোটেও ছাত্ররা নাই। সরকারে ছাত্র প্রতিনিধিদের বার্গেইন করতে হয়। সরকারের বাইরে যারা সেই ছাত্রদের ভরসা আসলে রাজপথ, তাদের ভরসা শিক্ষার্থীরা, তাদের ভরসা জনগণ। এই বাদে তাদের কোনো ভরসার জায়গা নাই। কালবেলার পাঠকদের জন্য রিফাত রশিদের স্ট্যাটাসটি তুলে ধরা হলো : ‘৫ ই আগস্ট “৩৬ জুলাই” এর গল্প (লেখাটা একটি দীর্ঘ হবে বলে ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি)। ৫ই আগস্টে ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচিতে আমাদের পরিকল্পনা ছিলো শহীদ মিনার বা শাহাবাগ দুইটার যেকোনো একটা জায়গায় আমরা জড়ো হবো, সেখান থেকে আমরা গণভবন অভিমুখী মার্চ করবো। যদি গণভবনের দিকে মার্চ করার সময় আমাদের উপর ম্যাসাকার চালায় তাহলে আমরা ‘সশস্ত্র সংগ্রামের’ দিকে যাবো। নাহিদ ভাই সশস্ত্র সংগ্রামের ঘোষণা দিয়ে একটা ভিডিওবার্তাও বানিয়ে রাখে, দুই একজন জার্নালিস্টকে এই ভিডিওবার্তা পাঠিয়ে রাখে যদি আমরা কেউই পরবর্তীতে ঘোষণা দেয়ার জন্য বেচে না থাকি তাহলে ৫ তারিখের পর যাতে আন্দোলন নির্দেশনার অভাবে নিস্তেজ না হয়ে যায়। আমরা যারা নেতৃত্ব দিয়েছি তারা সহ গোটা দেশই শহীদ হওয়ার জন্য মুখিয়ে ছিলাম। সকাল থেকে ঢাকার পরিবেশ ছিলো থমথমে, সকালেই শহীদ মিনারে গুলি চলে। আসিফ-বাকের-মোয়াজ্জেম ভাইকে হত্যার জন্য চানখারপুলে বার্ন ইউনিটের উপর থেকে স্নাইপার দিয়ে গুলি চালায়। কিন্তু একটা পর্যায়ে মোটামুটি অর্গানিকভাবেই (ঢাকার গুরুত্বপূর্ণ স্পট ও প্রবেশমুখগুলোতে আমাদের প্রতিনিধিদের সাথে কানেকশন ছিলো আমাদের) গণভবন অভিমুখে মার্চ করে। লক্ষ লক্ষ মানুষের ঢল নামে ঢাকার রাস্তায়। শাহাবাগে আমরা যখন ছিলাম তখন বিভিন্ন সোর্স থেকে নিউজ আসতে থাকে, ‘হাসিনা পদত্যাগ করে ক্ষমতা সেনাবাহিনীর কাছে হ্যান্ডওভার করবে।’ আসিফ ভাই শাহাবাগ থেকে ভিডিওবার্তা দেয় যে, সেনাশাসন এদেশের জনগণ মানবে না। আমিও ভিডিওবার্তা দেই এই টপিকে, পোস্ট করি যে ‘দেশের ভবিষ্যৎ ক্যান্টনমেন্ট থেকে নয়, নির্ধারিত হবে অভ্যুত্থানের মঞ্চ শাহবাগ থেকে।’ সারাদেশের মানুষ আমাদের সর্বাত্মক সমর্থন জানায়, ফলে সেনাশাসনের সম্ভাবনা সেখানেই নস্যাৎ হয়ে যায়। এরপর শাহাবাগ থেকে গণভবন অভিমুখে লংমার্চ শুরু হয়। তখনও আমরা জানতাম না যে, ‘হাসিনা আদৌ পালাইছে কিনা। লংমার্চ যখন মোটামুটি ফার্মগেটের কাছে তখন আমরা জানতে পারি হাসিনা দেশছেড়ে পালাইছে। তখন গণভবন অভিমুখী লংমার্চ বিজয় মিছিলে রূপ নেয়। এতোক্ষণ জানা ঘটনাগুলো আওড়ালাম কারণ পুরো ঘটনাপ্রবাহ যারা জানে না তাদের বোঝা সহজ হবে। আমরা মার্চ শেষে দ্রুত শাহাবাগে আসার প্ল্যান করি। শাহাবাগ থেকে আমরা ক্যাম্পাস খুলে দিয়ে শিক্ষার্থীদের সাথে আলোচনা করে বিপ্লব পরবর্তী বাংলাদেশ কিভাবে পরিচালিত হবে সেটা নির্ধারণ করবো। কিন্তু হিসেব এতোটাও সহজ ছিলো না। দুপুর থেকেই আসিফ নজরুল স্যার নাহিদ ভাই, আসিফ ভাই ও মাহফুজ ভাইকে খুঁজছিলেন বঙ্গভবনে আমাদের নিয়ে যাওয়ার জন্য। কিন্তু আমরা যারা দীর্ঘদিন ক্যাম্পাসে এক্টিভিজম করেছি তাদের মাঝে প্রাথমিক বোঝাপড়া থাকার জন্য আমরা সকলেই জানতাম আমরা বঙ্গভবনে যাবো না।আমাদের ডিসিশন শাহাবাগে জনতার মঞ্চ থেকেই হবে। নাহিদ আসিফ মাহফুজ ভাইয়েরা এই সিদ্ধান্তে একমত ছিলেন। কিন্তু ওই মুহূর্তে সবাই একসাথে বসে একটা একক সিদ্ধান্ত নিতে পারবো এই সুযোগ আমরা পাই নাই। আসিফ নজরুল স্যার নাহিদ-আসিফ-মাহফুজ ভাইদের রাজি করাতে না পেরে হাসনাত ভাইকে এপ্রোচ করেন। আপনারা যারা আমাদের লংমার্চের ভিডিও দেখেছেন তারা জানেন নাহিদ-আসিফ ভাই এক রিক্সায় ছিলেন, সারজিদ-হাসনাত ভাই অন্য আরেকটা রিক্সায় ছিলেন। ফলে নাহিদ-আসিফ-মাহফুজ ভাইয়েরা বঙ্গভবনে যাবেন না এই সিদ্ধান্তটা হাসনাত ভাইয়েরা জানতেন না। আসিফ নজরুল স্যার হাসনাত ভাইকে এপ্রোচ করলে হাসনাত ভাই স্যারের সাথে গাড়িতে উঠে বঙ্গভবনে যাওয়ার জন্য রওনা দেন এই ভেবে যে আমাদের সবাই বঙ্গভবনে যাচ্ছি/আছি। অথচ বাস্তবতা হলো, সেখানে অলরেডি ক্ষমতার ভাগ নেয়ার জন্য দেশের সকল রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা বসে আছেন। জাস্ট ছাত্র সমন্বয়কদের মাঝে একটা গ্রুপকে সেখানে নিয়ে গিয়ে তাদের মাধ্যমে ম্যান্ডেট নিতে পারলেই ক্ষমতা সেখানে ভাগাভাগি হয়ে যেতো। অর্থাৎ ক্ষমতার কেবলা শাহাবাগ থেকে ক্যান্টনমেন্টের দিকে শিফট করার প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর ক্ষমতাকে সকল পলিটিকাল দলের সমর্থনে বঙ্গভবনে শিফট করে ফেলা হয়। আমরা টিভিতে যখন দেখতে পাইলাম হাসনাত ভাই বঙ্গভবনের দিকে যাচ্ছেন তখন নাহিদ ভাই হাসনাত ভাইকে কল দিয়ে জানান যে, আমরা কেউ বঙ্গভবনে যাচ্ছি না। তখন হাসনাত ভাই দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে আমাদের কাছে চলে আসেন। আমরা তখন চ্যানেল 24 এর অফিসে প্রেস ব্রিফিং এর প্রস্তুতি নিচ্ছিলাম। আমরা সেখান থেকেই ঘোষণা দেই যে, বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। শিক্ষার্থীরাই এদেশের পরবর্তী ক্ষমতা কাঠামো নির্ধারণ করবে। এর ফলে একটা বার্গেনিং পয়েন্ট তৈরি হয়। এই বার্গেনিং পয়েন্টের জোর এবং সারাদেশ আমাদের পাশে থাকায় পরবর্তী ক্ষমতা কাঠামো থেকে আমাদের পুরোপুরি বাদ দেয়া যায় নাই। তবুও নানাবিধ গেম আসলে চলতেছিলো আমাদের সাথে, ফলে বাধ্য হয়েই মাঝরাতে ভিডিওবার্তার মাধ্যমে নাহিদ ভাই, আসিফ ভাই আর বাকের ভাই জানান যে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ইন্টারিম গভমেন্টের প্রধান উপদেষ্টা করা হবে যা এদেশের সর্বস্তরের জনগণ সমর্থন জানায়। মূলত ছাত্র প্রতিনিধিদের দ্বারা প্রধান উপদেষ্টাকে সর্বসম্মতিক্রমে নিয়োগের মাধ্যমেই গভমেন্টে ছাত্রদের স্টেকটুকু নিশ্চিত করা যায়। যারা ভাবেন ছাত্ররাই দেশ চালায় তারা ভুল ভাবেন। ছাত্ররা গোটা ক্ষমতাকাঠামোর একটা অংশ, পুরোটা জুড়ে মোটেও ছাত্ররা নাই। সরকারে ছাত্র প্রতিনিধিদের বার্গেইন করতে হয়। সরকারের বাইরে যারা সেই ছাত্রদের ভরসা আসলে রাজপথ, তাদের ভরসা শিক্ষার্থীরা, তাদের ভরসা জনগণ। এই বাদে তাদের কোনো ভরসার জায়গা নাই।’

Sena prodan
আজকের সংবাদ, জাতীয়

দেশ ও জাতির স্বার্থে সেনাবাহিনী দিনরাত পরিশ্রম করছে : সেনাপ্রধান

নিজস্ব প্রতিবেদক: দেশ ও জাতির স্বার্থে সেনাবাহিনী কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেন, দেশের ক্রান্তিকালে সেনাবাহিনী দিনরাত পরিশ্রম করছে। রোববার (১ ডিসেম্বর) সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনা সদস্যদের সংবর্ধনা ও সেনাবাহিনীর শান্তিকালীন পদক প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সেনাপ্রধান বলেন, আমরা যেন দেশ জাতিকে একটি ভালো ও নিরাপদ জায়গায় নিয়ে যেতে পারি সেজন্য কাজ করে যাচ্ছি। দেশের যে পরিস্থিতি চলছে, সেখান থেকে কীভাবে বেরিয়ে আসা যায় সেভাবে আমরা কাজ করছি। অনুষ্ঠানে সেনাপ্রধান খেতাবপ্রাপ্ত ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনাসদস্য এবং তাদের নিকটাত্মীয়দের সঙ্গে কুশলাদি বিনিময় করেন ও ২০২৩-২০২৪ অর্থ বছরে শান্তিকালীন সময়ে বিভিন্ন বীরত্বপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ পাঁচ জনকে সেনাবাহিনী পদক (এসবিপি), পাঁচ জনকে অসামান্য সেবা পদক (ওএসপি) ও ১৮ জনকে বিশিষ্ট সেবা পদক (বিএসপি) পরিয়ে দেন। এর আগে অনুষ্ঠানের শুরুতে খেতাবপ্রাপ্ত ও বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনাসদস্যদের মহান মুক্তিযুদ্ধকালীন বীরত্বগাঁথা এবং শান্তিকালীন পদকপ্রাপ্ত সেনাসদস্যদের প্রশংসনীয় কর্মকাণ্ডের সারসংক্ষেপ তুলে ধরা হয়। প্রসঙ্গত, দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে বীর মুক্তিযোদ্ধা সেনাসদস্যদের অবদানকে চিরস্মরণীয় করে রাখতে প্রতিবছর সেনাসদর এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে থাকে।

আজকের সংবাদ, স্বাস্থ্য

দেশে এইডস আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে অস্বাভাবিক হরে

নিজস্ব প্রতিবেদক: এইডস হলো এক ধরণের ব্যধি, যাকে মরণব্যধিও বলা হয়। গত এক বছরে দেশে এইডস আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে অস্বাভাবিক হরে। এ সময়ে দেশে নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১ হাজার ৪৩৮ এইডস রোগী। এ সংখ্যা বিগত যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি। একই সময়ে এতে মৃত্যু হয়েছে ১৯৫ জনের। আক্রান্তদের মধ্যে পুরুষ ৭৭ শতাংশ, নারী ২২ শতাংশ, হিজড়া ১ শতাংশ। নতুনভাবে সংক্রমিতদের মধ্যে ৫৫ শতাংশ বিবাহিত। আর মৃতদের একটি বড় অংশের বয়স ৬০ বা তার বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এসটিডি বা এইডস শাখার তথ্যমতে, নতুনভাবে আক্রান্ত ও মৃতদের মধ্যে ৬৩ শতাংশের বয়স ২৫ থেকে ৪৯ বছর এবং ২১ শতাংশের বয়স ২০ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে। নতুনভাবে আক্রান্তের মধ্যে ১০ শতাংশ রোহিঙ্গা, ১ শতাংশ নারী যৌনকর্মী ও ১ শতাংশ হিজড়া। নতুনভাবে সংক্রমিতদের মধ্যে ৫৫ শতাংশ বিবাহিত, ৪০ শতাংশ অবিবাহিত, ৫ শতাংশ বিধবা বা তালাকপ্রাপ্ত। দেশের আট বিভাগে নতুনভাবে সংক্রমিতদের সংখ্যা ঢাকায় ৪০৬ জন, চট্টগ্রামে ৩২৬, খুলনায় ১৫৪, রাজশাহীতে ১৪৭ এবং অন্যান্য বিভাগে ৪৪ থেকে ৮৬ জন। এ প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের লাইন ডাইরেক্টর টিবিএল ও এইডস বা এসটিডি প্রোগ্রাম ডা. মাহফুজার রহমান সরকার বলেন, আমাদের পরীক্ষা করার সক্ষমতা বেড়েছে। তাই পরীক্ষা বেশি হওয়ায় শনাক্তও বেশি হয়েছে। তাই সংক্রমণ বেড়েছে, সেটা বলা যাবে না। তা ছাড়া আক্রান্তদের চিকিৎসার আওতায় আনা হয়েছে। তাই রোগটি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা কম। বিভাগ হিসেবে চট্টগ্রামে সর্বোচ্চসংখ্যক এইচআইভি রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। ২০২৪-এ প্রায় ১৫০ জন নতুন করে এইচআইভি আক্রান্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে। আর প্রায় ১ হাজার ২০০ রোহিঙ্গা এইডসের চিকিৎসা নিচ্ছেন। উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, কক্সবাজার জেলা হাসপাতাল, কক্সবাজার কারাগার ও আইওএম ক্লিনিকের মাধ্যমে তারা এ চিকিৎসা পাচ্ছেন। এইডস বা এসটিডি প্রোগ্রামের তথ্যমতে, বাংলাদেশে এইডসে আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় ১৬ হাজার ৬৯। চার বছর ধরে নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা পর্যায়ক্রমে বাড়ছে। ১৯৮৯ থেকে (দেশে যখন প্রথম এইডস রোগী শনাক্ত হয়) ২০২০ সাল পর্যন্ত রোগীর সংখ্যা ছিল ৮ হাজার ৩২, ২০২১ সালে ৮ হাজার ৭৬১, ২০২২ সালে ৯ হাজার ৭০৮ জন। ২০২৩ সালে এই সংখ্যা পৌঁছে ১০ হাজার ৯৮৪ জনে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, গত এক বছরে এইচআইভি সবচেয়ে বেশি শনাক্ত হয়েছে পুরুষ যৌনকর্মী, সমকামী ও হিজড়া জনগোষ্ঠীর মধ্যে। এরপর আছেন শিরায় মাদক গ্রহণকারী ও নারী যৌনকর্মী। একসময় এই জনগোষ্ঠীর মধ্যেই এইচআইভি বেশি হতো। এখন তাদের মধ্যে সংক্রমণ কমে আসছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধু বাংলাদেশ নয়, বিশ্বের অনেক দেশেই শিরায় মাদক গ্রহণকারী, যৌনকর্মী, হিজড়া, সমকামী জনগোষ্ঠীর মধ্যে এইচআইভি শনাক্তের প্রবণতা বেশি। কারণ তারাই বেশিরভাগ সময় বৈষম্যের শিকার হন। এই বৈষম্য স্বাস্থ্য সেবায়ও প্রকট। কুসংস্কার, ভয় ও লজ্জার কারণে যেন এই ব্যক্তিরা চিকিৎসা সেবা থেকে হারিয়ে না যান, সেদিকে বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। তা না হলে তাদের মাধ্যমে নতুন ব্যক্তি সংক্রমিত হতে পারে।

Nirapod sorok chai
আজকের সংবাদ, জাতীয়

৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা)’র র‍্যালী

নিজস্ব প্রতিবেদক: নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে র‍্যালী অনুষ্ঠিত। দেশের স্বনামধন্য সামাজিক সংগঠন নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দেশব্যাপী র‍্যালী ও সমাবেশের অংশ হিসেবে নিরাপদ সড়ক চাই মোহাম্মদপুর থানা শাখার উদ্যোগে ১ ডিসেম্বর সকাল ১০ ঘটিকায় মোহাম্মদপুর বেড়িবাঁধ মোড় থেকে বাসস্ট্যান্ড পর্যন্ত একটি বর্নাঢ্য র‍্যালী ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। নিসচা মোহাম্মদপুর এর আহবায়ক সাংবাদিক ও গবেষক আ ফ ম মশিউর রহমান ও সদস্যসচিব মোঃ শাহীন এর নেতৃত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মোহাম্মদপুর থানার যুগ্ম আহবায়ক মীর কামাল হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুব নেতা সাইফুর রহমান, ছাত্রদলের ঢাকা মহানগর পশ্চিম এর সাধারণ সম্পাদক জুয়েল হাসান রাজ, এম্বেসি বাংলাদেশ ইমিগ্রেশন সলিউশনস এর চেয়ারম্যান সাঈদ আহমেদ চন্দন, আমাদের মোহাম্মদপুর সংগঠনের সভাপতি ইসমাইল পাটোয়ারী, সামাজিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ওসমান গনি সেন্টু, শ্রমিক নেতা অহিদুল ইসলাম, সুমন, আব্দুল হামিদ, আসাদুজ্জামান, মুকুল হোসেন, নবী হোসেন, মিনহাজ, নুরুজ্জামান, রুহুল আমীন, মাওলানা ইয়াসিন, হুমায়ুন খালিদসহ সংগঠনের সদস্য ও স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ। বক্তারা প্রত্যাশা করেন যে একটি দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে চিত্রনায়ক ইলিয়াস কাঞ্চন এর এই উদ্যোগ এই ৩১ বছরে দেশবাসীর মাঝে নিরাপদ সড়ক এর বিষয়ে যে সচেতনতার বার্তা পৌঁছে দিয়েছে তারই ধারাবাহিকতায় আজকের ছাত্র-জনতা কাঁধে কাধ মিলিয়ে সড়ককে শতভাগ নিরাপদ করা, দুর্ঘটনা হ্রাস করা, মালিক সমিতি, চালক, সহকারী ও যাত্রীদের মাঝে সেতুবন্ধন তৈরী করা সহ একটি নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মানে কার্যকরী ভুমিকা রাখবে।

Scroll to Top