নুরুল ইসলাম ফরহাদ : কলা পাতা কাটাকে কেন্দ্র করে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ঘুষি দিয়ে প্রতিপক্ষকে হত্যা করার অভিযোগ উঠেছে আবুল বাশারের বিরুদ্ধে।
ঘটনার বিবরনে জানা যায়, ফরিদগঞ্জ উপজেলার ৮নং পাইকপাড়া ইউনিয়নের ইছাপুরা গ্রামের আলমগীর ভেন্ডার বাড়ির মরহুম সোনা মিয়ার ছেলে, বিল্লাল হোসেন (৫০) দুই দিন আগে আবুল বাশারের কলা গাছ থেকে কলা পাতা কাটে ছাগলের জন্য। এতে ক্ষুব্দ হয়ে আবুল বাশার ফরিদগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ১৩ মার্চ (শুক্রবার) বিকালে ফরিদগঞ্জ থানায় বসার কথা ছিলো। থানায় যাওয়ার আগেই দুপুর ২ টার দিকে বাড়ির রাস্তায় বিল্লালকে একা পেয়ে আবুল বাশার ও তার ছেলে শাহাদাত হোসেনের (৩৮) পথরোধ করে। তর্কের এক পর্যায়ে আবুল বাশার, বিল্লালের ঘাড়ের উপরে সজোরে আঘাত করে। এতে সাথে সাথে বিল্লালের দেহ মাটিতে লুটিয়ে পরে। স্থানীয়রা তাকে ফরিদগঞ্জ ডায়াবেটিস হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত ডাক্তার মৃত ঘোষণা করে।
বিল্লাল হোসেন সিএনজি অটোরিক্সা চালক। তার ২ ছেলে, ১ মেয়ে ও স্ত্রী রয়েছে। হত্যার অভিযুক্ত আবুল বাশার পিতা মরহুম রুস্তম আলী নেভির অবসরপ্রাপ্ত কর্মচারী। পিতা মরহুম রুস্তম আলী। এলাকাবাসী জানান আবুল বাশার একজন অত্যাচারী মানুষ। সে বাড়ির কাউকে শান্তিতে থাকতে দিচ্ছে না।
অভিযুক্তের ছেলে শাহাদাত হোসেন সাংবাদিকদের মুঠোফোনে বলেন, তার সাথে হাতাহাতি হয়েছে ঠিক কিন্তু তাকে এমন কোনো আঘাত করা হয়নি যে মারা যাবে। কিন্তু কেন মারা গেলো জানিনা।
ফরিদগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ বলেন, আমরা ময়না তদন্তের জন্য লাশ থানায় নিয়ে আসছি। এখনো কোনো মামলা দায়ের করা হয়নি।
