নিজস্ব প্রতিবেদক: চাঁদপুর সদর উপজেলার মেঘনা নদীর তীর থেকে উদ্ধার হওয়া এক অজ্ঞাত তরুণীর মরদেহের ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে হত্যার ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আগে দায়ের করা অপমৃত্যু মামলাটি হত্যা মামলায় রূপান্তরের আবেদন করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২ জুলাই ২০২৫ সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে স্থানীয় এক ব্যক্তির ফোন পেয়ে গ্রাম পুলিশ সদস্য মো. আবুল কালাম আকন ঘটনাস্থলে যান। সেখানে সেলিম চেয়ারম্যানের গুচ্ছগ্রামের দক্ষিণ পাশে মেঘনা নদীর তীরে প্রায় ২০ বছর বয়সী এক অজ্ঞাত তরুণীর বিবস্ত্র মরদেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়।
পরে বিষয়টি আলুবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে জানানো হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। এরপর ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহটি আঞ্জুমান মফিদুল ইসলাম চাঁদপুর শাখার কাছে হস্তান্তর করা হয়।
ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, মাথায় গুরুতর আঘাতের পর পানিতে ডুবে শ্বাসরোধ হয়ে ওই তরুণীর মৃত্যু হয়েছে, যা জীবদ্দশায় সংঘটিত। ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক ডা. মো. আবুল আহসান চৌধুরী জানান, মাথায় আঘাত পাওয়ার পর পানিতে ডুবে শ্বাসরোধে তার মৃত্যু হয়েছে।
এ ঘটনায় গ্রাম পুলিশ সদস্য মো. আবুল কালাম আকন চাঁদপুর সদর থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেন। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনে হত্যার আলামত পাওয়ায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২/২০১/৩৪ ধারায় হত্যা মামলা হিসেবে রুজুর আবেদন করা হয়েছে।
এ বিষয়ে আলুবাজার পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক পংকজ কুমার দেব শর্মা বলেন, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের শনাক্ত করতে তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
