নিজস্ব প্রতিনিধি: রোজার আগে ফের ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে। ইতোমধ্যে ব্যবসায়ীদের সংগঠনের পক্ষ থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে লিটারে ১৫ টাকা বাড়ানোর জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কার্যকর না হওয়ায় তেল কোম্পানিগুলো জোটবদ্ধ হয়ে একই সময় তেল সরবরাহ করছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
ফলে খুচরা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। এ সুযোগে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের গায়ের মূল্য ১৭৫ টাকা মুছে ১৯০ টাকায় বিক্রি করছেন খুচরা বিক্রেতারা। খোলা সয়াবিনের দর গিয়ে ঠেকেছে ২০০ টাকায়।
জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে আবার সয়াবিন তেলের দাম বাড়াতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দিয়েছে ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। হিসাব করে ১১ টাকা বাড়ানোর পক্ষে যুক্তিতর্ক চলছে। সর্বশেষ ২৩ জানুয়ারি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বাণিজ্য উপদষ্টো শেখ বশিরউদ্দীনের বৈঠক হয়। তবে সেখানে কোনো সদ্ধিান্ত আসেনি। ব্যবসায়ীদের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের মতামত চেয়ে প্রতিবেদন দিতে বলেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সেই প্রতিবেদন এখনো জমা পড়েনি।
এদিকে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় রাজধানীর জিনজিরা কাঁচাবাজারে ৫টি খুচরা দোকান ঘুরে বোতলজাত সয়াবিন তেলের বোতলের গায়ে মূল্য পাওয়া যায়নি। খুচরা বিক্রেতারা বোতলজাত তেলের বোতলের গায়ের মূল্য মুছে লিটারপ্রতি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি করছেন। অথচ সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৭৫ টাকা। এছাড়া খোলা সয়াবিন প্রতি লিটার ১৯৫ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে, যা সাতদিন আগেও ১৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এক মাস আগে দাম ছিল ১৭০ টাকা। তবে সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৫৭ টাকা।
রোজার আগে ফের ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে। ইতোমধ্যে ব্যবসায়ীদের সংগঠনের পক্ষ থেকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে লিটারে ১৫ টাকা বাড়ানোর জন্য প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। কার্যকর না হওয়ায় তেল কোম্পানিগুলো জোটবদ্ধ হয়ে একই সময় তেল সরবরাহ করছে না বলে অভিযোগ উঠেছে।
ফলে খুচরা বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হয়েছে। এ সুযোগে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের গায়ের মূল্য ১৭৫ টাকা মুছে ১৯০ টাকায় বিক্রি করছেন খুচরা বিক্রেতারা। খোলা সয়াবিনের দর গিয়ে ঠেকেছে ২০০ টাকায়।
জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহে আবার সয়াবিন তেলের দাম বাড়াতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে প্রস্তাব দিয়েছে ভোজ্যতেল ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ ভেজিটেবল অয়েল রিফাইনার্স অ্যান্ড বনস্পতি ম্যানুফ্যাকচারার্স অ্যাসোসিয়েশন। লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। হিসাব করে ১১ টাকা বাড়ানোর পক্ষে যুক্তিতর্ক চলছে। সর্বশেষ ২৩ জানুয়ারি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে বাণিজ্য উপদষ্টো শেখ বশিরউদ্দীনের বৈঠক হয়। তবে সেখানে কোনো সদ্ধিান্ত আসেনি। ব্যবসায়ীদের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশনের মতামত চেয়ে প্রতিবেদন দিতে বলেছে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়। সেই প্রতিবেদন এখনো জমা পড়েনি।
এদিকে মঙ্গলবার বেলা ১১টায় রাজধানীর জিনজিরা কাঁচাবাজারে ৫টি খুচরা দোকান ঘুরে বোতলজাত সয়াবিন তেলের বোতলের গায়ে মূল্য পাওয়া যায়নি। খুচরা বিক্রেতারা বোতলজাত তেলের বোতলের গায়ের মূল্য মুছে লিটারপ্রতি ১৮০ থেকে ১৯০ টাকায় বিক্রি করছেন। অথচ সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৭৫ টাকা। এছাড়া খোলা সয়াবিন প্রতি লিটার ১৯৫ থেকে ২০০ টাকায় বিক্রি করতে দেখা গেছে, যা সাতদিন আগেও ১৮০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। এক মাস আগে দাম ছিল ১৭০ টাকা। তবে সরকার নির্ধারিত মূল্য ১৫৭ টাকা।
