বাজারে এখন ২০ টাকা কেজি দরে মিলছে আলু, যা একমাস আগেও ছিল ৬০ টাকার ওপরে। ভরা মৌসুমে আলুর সরবরাহ বাড়ায় অন্যান্য সবজিতেও স্বস্তি পাচ্ছেন ক্রেতারা। তবে, দাম কমায় কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষক।
ঢাকার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে নতুন আলু কেজিপ্রতি ২০ থেকে সর্বোচ্চ ৩০ টাকায় কেনা যাচ্ছে। ৩০ টাকার আলু বাছাই করা বড় সাইজের। তবে গড়পড়তা আলুর দাম ২০ টাকা।
বাজারে এখন ২০ টাকা কেজি দরে মিলছে আলু, যা একমাস আগেও ছিল ৬০ টাকার ওপরে। ভরা মৌসুমে আলুর সরবরাহ বাড়ায় অন্যান্য সবজিতেও স্বস্তি পাচ্ছেন ক্রেতারা। তবে, দাম কমায় কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষক।
ঢাকার কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, বাজারে নতুন আলু কেজিপ্রতি ২০ থেকে সর্বোচ্চ ৩০ টাকায় কেনা যাচ্ছে। ৩০ টাকার আলু বাছাই করা বড় সাইজের। তবে গড়পড়তা আলুর দাম ২০ টাকা।
ফারাজ হুসাইন নামে এক ক্রেতা বলেন, বেশি দামে আলু খেতে খেতে ক্লান্ত হয়ে যখন দাম কম পাচ্ছি, ভালো লাগছে। আসলে আলুর দাম সব সময় ২৫-৩০ টাকার মধ্যে থাকা দরকার। নাহলে সামান্য বাড়তে পারে। তবে ৬০-৭০ টাকা যুক্তিযোগ্য ছিল না।
গত বছরের প্রায় পুরোটা সময় আলোচনায় ছিল আলুর দাম। বেশিরভাগ সময় খুচরা বাজারে এক কেজি আলু ৬০ থেকে ৭০ টাকা দরে কিনতে হয়েছে। আলুর দাম নিয়ন্ত্রণে বাধ্য হয়ে পণ্যটির আমদানি শুল্ক কমিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। এরপর আমদানিও হয়েছে কিছুটা। তবে বাজারে এর প্রভাব দেখা যায়নি, বরং দাম বেড়েছে। এখন দেশের বাজারে আগাম আলু ওঠায় দাম কমছে।
এদিকে এবছর আলুর ফলন ভালো হয়েছে। এতে সরবরাহ বাড়ায় খুচরায় দাম কম। আবার গত এক মাসের ব্যবধানে পাইকারিতে আলুর দাম অনেক কমেছে। যাতে লোকসানের আশঙ্কা করছেন কৃষক।
কৃষি বিভাগ বলছে, অনুকূল আবহাওয়া থাকায় আগাম আলুর ফলন ভালো হয়েছে। তবে উপযুক্ত দাম না পেয়ে কৃষক হতাশ। অনেকে উৎপাদন খরচ না ওঠার শঙ্কা প্রকাশ করছেন। এমন হলে আগামী মৌসুমে আগাম আলুর চাষ কমে যাবে।
