নিজস্ব প্রতিবেদক: বাস, ট্রাক, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের হর্ন রাজধানীজুড়ে মারাত্মক শব্দদূষণ তৈরি করেছে। মানুষ অতিষ্ঠ হলেও কোনো কিছুতেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না শব্দদূষণ। যানজটে আটকা পড়ে থাকলেও কিছু চালক ক্রমাগত হর্ন বাজাতে থাকেন। নগরজুড়ে মারাত্মক শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চারপাশের দেড় কিলোমিটার এলাকাকে গত ২৯ সেপ্টেম্বর ‘সাইলেন্ট জোন’ বা ‘নীরব এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। ওই ঘোষণার পরও সেটা কার্যকর করা যায়নি। নীরব এলাকায়ও যানবাহনগুলো ক্রমাগত হর্ন বাজাতে দেখা যায়।
মারাত্মক এই শব্দদূষণে সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী হচ্ছেন রোগী, শিশু, বয়স্ক ও ট্রাফিক সদস্যরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শব্দ মানমাত্রার চেয়ে বেশি হলে তা মানুষের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বড় ধরনের হুমকিতে পড়তে পারে। হাসপাতাল, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ কিছু এলাকায় নীরব এলাকা হিসেবে সাইন দেওয়া আছে। কিন্তু ওইসব এলাকায়ও যানবাহনের চালকরা হর্ন ব্যবহার করেই যাচ্ছেন।
বাস, ট্রাক, প্রাইভেটকার, মোটরসাইকেলসহ বিভিন্ন যানবাহনের হর্ন রাজধানীজুড়ে মারাত্মক শব্দদূষণ তৈরি করেছে। মানুষ অতিষ্ঠ হলেও কোনো কিছুতেই নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না শব্দদূষণ। যানজটে আটকা পড়ে থাকলেও কিছু চালক ক্রমাগত হর্ন বাজাতে থাকেন। নগরজুড়ে মারাত্মক শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চারপাশের দেড় কিলোমিটার এলাকাকে গত ২৯ সেপ্টেম্বর ‘সাইলেন্ট জোন’ বা ‘নীরব এলাকা’ হিসেবে ঘোষণা করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। ওই ঘোষণার পরও সেটা কার্যকর করা যায়নি। নীরব এলাকায়ও যানবাহনগুলো ক্রমাগত হর্ন বাজাতে দেখা যায়।
মারাত্মক এই শব্দদূষণে সবচেয়ে বেশি ভুক্তভোগী হচ্ছেন রোগী, শিশু, বয়স্ক ও ট্রাফিক সদস্যরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শব্দ মানমাত্রার চেয়ে বেশি হলে তা মানুষের শারীরিক ও মানসিক অবস্থা বড় ধরনের হুমকিতে পড়তে পারে। হাসপাতাল, স্কুল-কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ কিছু এলাকায় নীরব এলাকা হিসেবে সাইন দেওয়া আছে। কিন্তু ওইসব এলাকায়ও যানবাহনের চালকরা হর্ন ব্যবহার করেই যাচ্ছেন।
