নিজস্ব প্রতিবেদক: জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, গণভোট ও পিআর পদ্ধতির দাবিতে কর্মসূচি ঘোষণা করেছে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলন, খেলাফত মজলিস এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ সমমনা রাজনৈতিক দলগুলো।
২০ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া কর্মসূচির শেষধাপে দাবি আদায়ে প্রয়োজনে গণআন্দোলনের ডাক দিয়েছে দলগুলো।
রোববার (১৯ অক্টোবর) এসব কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
কর্মসূচি বিষয়ে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার কথা বলেছেন গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে।
তিনি বলেন, গণভোট ও পিআর পদ্ধতির নির্বাচনের সঙ্গে জুলাই সনদের স্বাক্ষরের কোনো সম্পর্ক নেই। শুধু যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো ঐকমত্যে পৌঁছাতে পেরেছে তার ভিত্তিতেই জুলাই সনদে স্বাক্ষর করা হয়েছে।
গোলাম পরওয়ার বলেন, আমাদের আন্দোলন নির্বাচনকে বাধাগ্রস্ত করবে না। ফেব্রুয়ারিতেই নির্বাচন চাই, তবে এর আগে সনদ বাস্তবায়নের আদেশ জারি করতে হবে আর গণভোট দিতে হবে।
এদিকে বেলা আড়াইটার দিকে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমেদ আবদুল কাদের বলেন, ‘আমাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে আদেশ জারি ও ওই আদেশের ওপর আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে গণভোট আয়োজন, পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন প্রভৃতি।’
লিখিত বক্তব্যে আহমেদ আবদুল কাদের বলেন, ‘এরই মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা ঘোষিত রোডম্যাপ অনুযায়ী অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও ভয়ভীতিমুক্ত গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আসছি। আমাদের অতীত অভিজ্ঞতা অনুযায়ী কালো টাকার ব্যবহার বন্ধ, ভোটকেন্দ্র দখল, পেশিশক্তি প্রদর্শন ও ভোটের বিভিন্ন অনিয়ম ও অপতৎপরতা বন্ধ, কোয়ালিটিসম্পন্ন পার্লামেন্ট, দক্ষ আইন প্রণেতা তৈরিসহ প্রতিটি ভোট মূল্যায়নের লক্ষ্যে পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবি জানিয়ে আসছি।’
কর্মসূচি ঘোষণা নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, জুলাই সনদের আইনিভিত্তি দিতে রাষ্ট্রপতির আদেশ, গণভোট, পিআর পদ্ধতি, লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিতসহ ৫ দফা দাবি বাস্তবায়নে চতুর্থ ধাপে কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে
২০ অক্টোবর রাজধানীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ।
২৫ অক্টোবর বিভাগীয় শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ।
২৭ অক্টোবর জেলা শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের ঘোষণা।
২৭ অক্টোবরের মধ্যে দাবি না মানলে গণআন্দোলনের ডাক দেয়া হবে বলে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়।
