১৫ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬

আজকের সংবাদ, সর্বশেষ

ঘুষ কাণ্ডে ডিবি সদস্য মেহেদী ক্লোজড, তদন্ত কমিটি গঠন

কুড়িগ্রাম প্রতিবেদক : কুড়িগ্রামে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের অভিযোগে বাবা-ছেলেকে ভয়ভীতি দেখিয়ে ঘুষ দাবির অভিযোগ ওঠা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সদস্য মেহেদী হাসানকে পুলিশ লাইনসে ক্লোজড করা হয়েছে। একই সঙ্গে অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত টিম গঠন করেছে পুলিশ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) কুড়িগ্রাম পুলিশ সুপারের কার্যালয় সূত্র জানায়, সংবাদ প্রকাশের পর ডিবি সদস্য মেহেদী হাসানকে পুলিশ লাইনসে ক্লোজড করা হয়েছে এবং একটি তদন্ত টিম গঠন করা হয়েছে। অপরাধ প্রমাণিত হলে তার শাস্তি হবে। এর আগে শুক্রবার গভীর রাতে কুড়িগ্রাম পৌর এলাকার ভেলাকোপা গ্রামের কেচাপাড়া এলাকায় থাই মিস্ত্রি শাহীন আলম (৪৫) ও তার ছেলে রবিউল ইসলামকে (১৭) অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের অভিযোগে ভয়ভীতি দেখিয়ে ১৫ হাজার টাকা উৎকোচ দাবির অভিযোগ ওঠে ডিবি সদস্য মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে। পরে স্থানীয় দুই যুবকের মাধ্যমে ৮ হাজার টাকায় বিষয়টি মীমাংসার কথা বলে ওই টাকা নেওয়া হয় বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের।পরদিন টাকা ফেরত চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে। একপর্যায়ে শনিবার রাতে ঘটনাস্থলে গেলে স্থানীয়দের ক্ষোভের মুখে পড়েন মেহেদী হাসান। পরে স্থানীয়রা তাকে ঘিরে ফেললে তিনি অবরুদ্ধ হন। খবর পেয়ে ডিবির একটি দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যায়। স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, মেহেদী হাসান ও স্থানীয় দুই যুবক তাজুল ও বাবু ঘটনাস্থলে গিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগের অভিযোগ তোলেন এবং শাহীন আলম ও তার ছেলের কাছে ১৫ হাজার টাকা দাবি করেন। পরে ৮ হাজার টাকায় বিষয়টি মীমাংসার কথা বলে টাকা নেওয়া হয়। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, গাছ বিক্রি করে ওই টাকা পরিশোধ করেসন তারা। পরে টাকা ফেরত চাওয়ার বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়। এদিকে স্থানীয় একাধিক ব্যক্তির দাবি, ডিবি সদস্য মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায়ের আরও অভিযোগ রয়েছে। তবে এসব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ। অভিযোগের বিষয়ে ডিবি সদস্য মেহেদী হাসানের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মিমতানুর রহমান-পিপিএম বলেন, “তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে মেহেদী হাসানের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আপাততঃ তাকে পুলিশ লাইন্সে শাস্তিমূলক ক্লোজড করা হয়েছে।”

আজকের সংবাদ, ফরিদগঞ্জ, বিশেষ সংবাদ

‘কোনো পেশাই ছোট নয়’—ইউএনও : প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনের প্রশিক্ষণ শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক :  বাংলাদেশের প্রান্তিক পেশাজীবী জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন (২য় ফেইজ) শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে প্রান্তিক পেশাজীবীদের ১০ দিনব্যাপী পেশাভিত্তিক সফটস্কিলস প্রশিক্ষণ (ব্যবসায় উন্নয়ন ও পরিচালন) শুরু হয়েছে। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের বাস্তবায়নে আয়োজিত এ প্রশিক্ষণ কর্মশালা চলবে ১০ দিন। প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সেটু কুমার বড়ুয়া। উদ্বোধনী বক্তব্যে তিনি বলেন, “সমাজের প্রতিটি পেশারই নিজস্ব গুরুত্ব ও মর্যাদা রয়েছে। কুমার, কামার, নাপিত, মুচি কিংবা হাতের তৈরি বিভিন্ন শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষজন আমাদের ঐতিহ্য ও অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাদের পেশাকে ছোট করে দেখার কোনো সুযোগ নেই।” তিনি বলেন, প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে এসব পেশাজীবী তাদের দক্ষতা, শ্রম ও সৃজনশীলতার মাধ্যমে সমাজে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। সময়ের সঙ্গে তাদের ঐতিহ্যবাহী পেশায় আধুনিক প্রযুক্তি, নতুন নকশা, মানসম্মত উৎপাদন ও আধুনিক বিপণন পদ্ধতি যুক্ত করা প্রয়োজন। এতে একদিকে যেমন তাদের পণ্যের বাজার সম্প্রসারিত হবে, অন্যদিকে তাদের আয় ও জীবনমানও উন্নত হবে।”  প্রথম দিনের প্রশিক্ষক হিসেবে প্রশিক্ষণ প্রদান করেন চাঁদপুর জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক রুহুল আমিন বাশির। ফরিদগঞ্জ উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মোহাম্মদ মাহমুদুল হাসানের সঞ্চালনায় এসময় অন্যান্য বক্তারা বলেন, “প্রশিক্ষণের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান কাজে লাগিয়ে প্রত্যেককে নিজের পেশাকে আরও আধুনিক ও লাভজনক করার চেষ্টা করতে হবে। নিজের পেশার প্রতি সম্মান ও আত্মবিশ্বাস নিয়ে এগিয়ে গেলে প্রান্তিক পেশাজীবীরাও উদ্যোক্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারবেন। তাদের উৎপাদিত পণ্য স্থানীয় বাজারের পাশাপাশি অনলাইন ও বৃহত্তর বাজারে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিতে হবে।”  বক্তব্য রাখেন ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু হেনা মোস্তফা কামাল, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া ও সদস্য কেএম নজরুল ইসলাম। এসময় উপস্থিত ছিলেন ফরিদগঞ্জ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন ও ফরিদগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক প্রবীর চক্রবর্তী। প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো প্রান্তিক আদি পেশাজীবীদের টেকসই উন্নয়নে তাদের উৎপাদিত পণ্যের উৎকর্ষ সাধনে সক্ষমতা বৃদ্ধি, পণ্যের বহুমুখী ব্যবহার, আধুনিকায়ন ও বিপণন ব্যবস্থার উন্নয়ন এবং পরিবেশবান্ধব পণ্য ব্যবহারে উদ্বুদ্ধ করা। এর মাধ্যমে তাদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার পাশাপাশি সরকারের উন্নয়ন অভীষ্ট লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অংশীজন হিসেবে গড়ে তোলা। 

আজকের সংবাদ, শিক্ষা ও সাহিত্য

মাহমুদুল হাসান ইমরোজ–এর কবিতা

অপেক্ষার প্রহরে বিধ্বস্ত কতটা প্রহর আমি অপেক্ষায় কাটাবআর কতটা প্রহর এভাবেই চলে যাবে!একপশলা বৃষ্টি তারপর রোদ্দুরবকুলতলায় কুড়ানো ফুলগুলোর সঙ্গআমাকে বারণ করে ফিরে আসতে। একমুঠো বকুলের মালাটি মেলে ধরি,তাজা বকুলের ঘ্রাণ এখনও বাকি আছে।বিশ্বাস করো হে সখী– আমি বকুলতলায় আছিএবং এখানেই অপেক্ষায় থাকব যদি ধরা না দাও। সেই কুসুমভোরে নগ্নপায়ে শিশির মাড়িয়েছি,কতটা কাঁটা বিঁধেছে তার ইয়ত্তা নেই,একগ্লাস পানিতে শরীরটা এখনো ফুরফুরেকিন্তু সূর্যটা আমাকে বিরক্ত করেই চলছে,তবুও আমি অপেক্ষায় আছি পথপানে। সেদিন বলেছিলে বকুলের মালায় সাজবেটিকলি আর টায়রা বানিয়ে দিতে হবে,আর নূপুর পেলে নৃত্যগীতে মন ভরাবে।আমি তাই প্রতিরাতেই স্বপ্ন দেখিভোরের পাখি হয়ে মুঠোমুঠো বকুল তুলিমালায় জড়িয়ে রাখি সবগুলো অতি যত্নে,কিন্তু অপেক্ষার প্রহরে আমি আজ বিধ্বস্ত। একটি ক্যাকটাসের জন্য বেলকনির নিশ্চল টবে ঠায় দাঁড়িয়েএকচিলতে মুগ্ধ হাসিতে প্রাণ জুড়াও;অতি সঙ্গোপনে বেড়েই চলেছে তোমার ক্ষুরধার কাঁটাগুলো;স্পর্শে মৃদু অনুভূতি কেড়ে নিই,অজানা ইশারায় কেঁপে উঠে শিরদাঁড়া রাত্রির এক নিবেদন। গহীন অরণ্যে আলো আঁধারের লুকোচুরি;শানবাঁধানো ঘাটে নিস্তব্ধতায় এই নিভৃতচারীপদ্মফুলের নির্যাসে নির্মল আনন্দে সদা মাতে।তারপর আনমনে নয়নযুগলে ধরা পড়ে;অনিন্দ্য রাজকন্যার রূপ।চৈতী হাওয়া জড়িয়ে স্বাগত জানাই;পদ্মফুলেল উষ্ণীশ পরিয়ে, দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। অতি যত্নে রাখি; রৌদ্র-জল অবারিত জোছনার আভায়,বিহঙ্গের আনাগোনায় কোণঠাসা প্রাণে;মায়াবী জাল জেগে থাকে,টবের বৃত্তপথ পরিভ্রমণে মশগুল ত্রিনয়ন।একটি ক্যাকটাসের জন্যে এতদূর। অর্ধযুগের নিরন্তর ঘণ্টাধ্বনি থেমে যায় একদিনরৌদ্রতাপের বিভীষিকায়, অসাড় কাঁটাগুলো শুধুই জেগে আছে,অভিমানী স্মৃতিচিহ্ন বিদ্ধ করে সর্বদা।নিষ্পলক নয়নে নিত্য চেখে রাখি,একচিলতে হাসির জন্যে স্মৃতিরাজ্যে উপনিবেশ;জেগে থাকুক আর কিছুকাল। বিশুদ্ধ মাল্যদান তুমি নেই তাই ভাবনাগুলো এলোমেলোঅবিন্যস্ত ঘরে শুধুই নীরবতা।সুরের ধারায় তান, সে তো হারিয়েছি,দাঁড়কাকের সাথে এখন বেসুরে কণ্ঠমিলন।প্রজাপতি উড়ে নিঃশব্দে চলে যায়অ্যাকুরিয়ামে অম্লযোগের বড়ই অভাব।মাছগুলোয় ফ্যাকাসে আস্তরণ,মায়াবী স্পর্শের বড়ই আকাল। বিনি সুতোয় গাঁথা মালাটি আর কতকালশুধুই নির্জীব সাক্ষী হবে?ফুলেরাও অভিমানে সুঘ্রাণ ছড়ায় না,সবই তোমার পথপানে আশায় বসতি। মাকড়সার জালে চিত্রলিপির প্রতিচ্ছবিতোমার নামটি যেন শোভা পায়।অমিত্রাক্ষর ছন্দে পদ্যগুলো দেয়ালে ঝুলে,আয়নায় দীর্ঘশ্বাসে ভাসে বিকৃত প্রতিকৃতি।শুকনো হাসি আর প্রাণে লাগে না,চাই তোমার সাথে বিশুদ্ধ মাল্যদান। নিদ্রাঝড়ের আবির্ভাব দখিনা পবন বয়, আঙিনায় বিছানা পাতি,এলিয়ে তপ্তদেহে শিরশিরে ছোঁয়া,একখণ্ড মেঘ রাতের আকাশেউন্মাদ নৃত্যরত। কখনো সন্ধ্যাতারার মিটিমিটি হাসি,আঁধারের মাঝে জেগে থাকা প্রদীপ্ত চেরাগদানি,জোছনার সম্মোহনী খেলায় আলো আঁধারীর উচ্ছ্বল উৎসব। তাপদাহে যে ব্যথিত হৃদয়ে দিবাকর রুষ্ট,কপোলে তারই ছাপ জেগে থাকেঅঝোর ধারায় সৃষ্ট সুবিশাল ক্যানভাসে। মেঘেরা উড়ে যায় আকাশে বাতাসেভেলায় পরীদের জলকেলি,ঘনমেঘে ন্যুব্জ আকাশ ভেঙে পড়েআমার আঙিনায়,দেহ মাঝে তারই শিহরণ অনন্তযৌবনারূপী। বৃষ্টিজল আমার হয়ে অবারিত ঝরে,ফোঁটায় ফোঁটায় অকৃত্রিম সুরের তানগভীর রাতের দীর্ঘতাভেদে মিলিয়ে যায়আখিঝুরে প্রচ্ছন্ন নিদ্রাঝড়ের আবির্ভাব। সেই ভোরের প্রতীক্ষায় যদি এমন একটি ভোর হতো—কুয়াশা বিন্দু বিন্দু করে জমে থাকবেকচি ঘাসের ডগায়, আবার নেচে উঠবেপ্রভাতের গানে, সূর্যত্যাজে পালাবে না।যদি পাখিরা আগের মতোই উড়ে যেত খুব স্বাধীনভাবে,কর্ণকুহরে ঝাপটানো ধ্বনিতে সেই আলোড়ন যদি আবার হতোতবে পৃথিবীতে সেই সময় হবে শ্রেষ্ঠ ভোর। যদি হ্রদের ওপাশে হেলানো সেই বিকেলেসূর্যটা ডুবে যেতে যেতে তাকিয়ে থাকতোএই পৃথিবীর কত শত মুখগুলোতে–যেখানে প্রচ্ছদের মতো ছবি ভেসে উঠেকিন্তু হাসতে পারে না বোবাকান্নায়।শতদিন খাঁচায় পাখি তো থাকে প্রাণহীনদূরের নীলিমায় দৃষ্টিতে ভাসে উড়ন্ত শৈশবসেই পাখিটিও চায় না হেরে যেতেসময়ের প্রতীক্ষায় বাসা বুনে যেতে থাকে। যদি কখনো চাঁদটি আপন প্রিয়ার মতোহঠাৎ আলোয় ভরে দিতো আলতো করে,হ্রদের জলে জ্যোৎস্নায় পাহাড়ের কোলজুড়েমেঘের অবকাশ হতো শ্রেষ্ঠ পূর্ণিমার গল্প। যদি মুকুলিত বৃক্ষটি আর না কাঁদতো—এই অসময়ে বোনা ফসলের ক্ষেতে পঙ্গপালনা এসে যদি ফিরে যেত, তবে খোলা চিঠিমহারাজার কাছে সেই ভোরের প্রতীক্ষায়–শুধরে দাও এই পৃথিবী।। মোনালিসা তোমার চাঁদমুখ আজো অনির্বাণ,তুমি অসংখ্য তারার রাণী,হৃদয়ে অকৃত্রিম হাসির ঘূর্ণিবাতে ক্ষণিকের তরেমিলিয়ে যাওয়া একফালি চাঁদের জোছনা।মিটমিটে আলোয় আঁধারের বুকে অহর্নিশিদৃপ্তপদক্ষেপের মন্ত্রণা। তুমি আজো প্রাণে প্রাণে ছন্দবদ্ধ পঙক্তি রূপেঅনিঃশেষ কাব্যরসের সেরা যোজনা।কবিতায় সুদৃঢ় শব্দচয়নে, বলিষ্ঠ উচ্চারণআর হৃদয় কাঁপানো অবিরাম আবৃত্তিরঅনন্য প্রেরণা। তুমি কবির হারানো সুপ্ত মনোবাঞ্ছায়অকাল পদ্যে সুরলহরীর ক্রমাগত আবির্ভাব।নিদারুণ যন্ত্রণার সাক্ষী, সদা জাগ্রততরুছায়ায় নির্বাক শার্দূল। তুমি ক্ষীণমনে কুম্ভীরাশ্রুর স্রোতধারায় তীব্র প্রতিবাদ,পঙ্কিল মনুষ্যত্ব নাশিনী দোর্দণ্ড তেজস্বিনীরপ্রকাণ্ড হুংকার।তুমি জেগে আছো দশদিগন্তে কোটি মানবমনে,ভুবনজয়ী হাসিটুকু ফুলের পাপড়িরূপেযেন চিরঅম্লান অনিঃশেষ।

Scroll to Top